গণজাগরণ এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট

নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় (নীল)

সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠন

                ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ শহীদ এবং ২ লক্ষ বীরাঙ্গনার আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছিলো আমাদের মাতৃভূমি। পার্শ্ববর্তী বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের সম্ভাব্য স্বাধীনতা বাস্তবে পরিণত হয়। ভারতের মত বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক মানুষ যখন আমাদের স্বাধীনতার সহযোগিতা করেছিল তখন আমাদের মধ্যেই কিছু মানুষ আমাদের দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে দাড়িয়ে পাকিস্তানীদের সহযোগিতা করে। তারা পাকিস্তানী সেনাবাহিনীদের চিনিয়েছে কোন কোন বাড়ি থেকে ছেলেরা যুদ্ধে গেছে, কোথায় সুন্দর মেয়ে আছে, কোন পরিবারটি মালাউন!!! বাংলাদেশের বিজয়ের ১ দিন আগেও তাদের দেখানো তালিকা অনুসারে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীগণ বুদ্ধিজীবী দের হত্যা করে এই দেশকে মেধা শূন্য করার চেষ্টা করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এরাই যুদ্ধ অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত হয় এবং স্বাধীনতার পরে আস্তে আস্তে তারা আবার পুনর্বাসিত হয়ে ধর্ম ভিত্তিক রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন করে মন্ত্রিত্ব পদ মর্যাদাও লাভ করে।

বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার এই যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার করবে এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়েই ক্ষমতায় এসেছিলো। ক্ষমতায় থাকার মেয়েদের শেষ দিকে এসে তারা যুদ্ধ অপরাধীদের বিচার শুরু করে। একটা পর্যায়ে যুদ্ধ অপরাধী কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় দেয়া হয় ৫ ফেব্রুয়ারি । উল্লেখ্য যে আদালতের রায়ে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত কাঁদের মোল্লার অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে মেহেরুন্নেসাকে জবাই করে হত্যা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তালেবকে জবাই করে হত্যা, মিরপুরের আলুব্দি গ্রামে একরাতে ৩৪৪ জনকে হত্যা ইত্যাদি। সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত এই চারশতাধীক মানুষের হত্যাকারীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেবার প্রতীবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয় শাহবাগে।

কাঁদের মোল্লা।

কাঁদের মোল্লা।

ব্লগার এবং অনলাইন এক্টিভিস্টগন এই আন্দোলনের সূচনা করেন। পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন বাম সংগঠন, ছাত্র সংগঠন, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন সহ ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে লাখ লাখ মানুষ এসে আন্দোলনকে বেগবান করে তোলেন। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের বেশীর ভাগ সদস্যই অনলাইন এক্টিভিজম এবং ব্লগিং এর সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। তাই প্রথম থেকেই এই আন্দোলনের সাথে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের সদস্যরা ব্যাক্তিগতভাবে এবং সাংগঠনিক ভাবে ভূমিকা পালন করে এসেছিলো। প্রথমদিকে আন্দোলন শুধুমাত্র কাঁদের মোল্লার উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে হলেও পরবর্তীতে এই আন্দোলনে আরও বেশ কিছু ইস্যু যোগ হয়। এর মধ্যে ছিল যুদ্ধ অপরাধীদের অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন জামায়াত ইসলাম এবং ইসলামী ছাত্র শিবির নিষিদ্ধের দাবী। তবে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনই প্রথমে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী জানায় যা পরবর্তীতে শাহবাগের গণদাবীতে রূপান্তরিত হয়। যদিও সরকার পরবর্তীতে এটি বাস্তবায়ন করবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

 মোমবাতি প্রজ্বলন করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের প্রতিবাদ।

মোমবাতি প্রজ্বলন করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের প্রতিবাদ।

সংগঠনের অবস্থান নিয়ে মিডিয়ায় ব্রিফিং।

সংগঠনের অবস্থান নিয়ে মিডিয়ায় ব্রিফিং।

ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী।

ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের প্রধান দাবী সমূহ।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সংগঠনের প্রধান দাবী সমূহ।

আন্দোলন এভাবে চলতে থাকে একটানা ১০ দিন। লাখ লাখ মানুষ দেশ এবং বিদেশ থেকে অংশগ্রহণ করে এবং সমর্থন জানায়। আন্দোলনে ছড়িয়ে পরে বিভিন্ন গ্রামে, পাড়া, মহল্লা শহরে এমনকি দেশের বাইরের বিভিন্ন স্থানে। তবে এই আন্দোলন যাদের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছিল তারা সব সময়ই ব্যাস্ত ছিল কিভাবে আন্দোলনকে বন্ধ করা যায়। এই রকম অবস্থায় জামাত-শিবির বাহিনী হত্যা করে আহমেদ রাজীবকে যিনি ছিলেন গণজাগরণ মঞ্চের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। রাজীবকে হত্যা করে রাজীবের কিছু ধর্ম বিদ্বেষী বিতর্কিত লেখাকে ফোকাস করে বিরোধী পক্ষ সাধারণ জনগণকে উত্তেজিত করে শাহবাগ এর বিরুদ্ধে প্রচার প্রচারণা চালায়।

নাস্তিকতার অপরাধে নিহত আহমেদ রাজীব।

নাস্তিকতার অপরাধে নিহত আহমেদ রাজীব।

এই থেকে শুরু হয় কথিত আস্তিক নাস্তিক দ্বন্দ্ব। শাহবাগে যারা আসে তাদের কে নাস্তিক ট্যাগ দিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এই আন্দোলন থেকে সরে যাবার জন্য প্রচারণা চালানো হয়। একটা পর্যায়ে শাহবাগে আন্দোলনরত নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিদের ব্লগ, ফেসবুক সহ অনলাইনে ইসলাম ধর্ম এবং নবী মুহাম্মদকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বিভিন্ন ব্যাক্তিগত মন্তব্য পত্রিকার শিরোনাম করে মারাত্মকভাবে সাম্প্রদায়িকতাকে উশকে দেয় ধর্মান্ধ বিরোধী শক্তি যাকে সমর্থন করে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি।

প্রথমদিকে ধার্মিকদেরও অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত যা পরবর্তীতে আর দেখা যায় না।

প্রথমদিকে ধার্মিকদেরও অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মত যা পরবর্তীতে আর দেখা যায় না।

বাংলাদেশের বেশীর ভাগ মানুষই ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী ধার্মিক বলে পরিচয় দিতেই পছন্দ করে। তারা যখন তাদের ইসলাম আহত হয়েছে এই গুজব শুনেছে তখন তারাও সাম্প্রদায়িক হয়ে উঠে। সংখ্যালঘুদের উপাসনালয় ধ্বংস থেকে শুরু করে দেশকে অচল করে দিবার চেষ্টা চালায় জামাত-শিবির নেতৃত্বাধীন একদল উগ্রবাদী মুসলিম। এই রকম অবস্থায় আরেকজন যুদ্ধ অপরাধী দেলোয়ার হোসেন সাইদির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর এই ধর্মান্ধ গোষ্ঠী আরও মরিয়া হয়ে উঠে। পরবর্তীতে দেলোয়ার হোসেন সাইদি কে চাঁদে দেখা গেছে বলে গুঁজব ছড়িয়ে গ্রামের সহজ সরল মানুষকে ইমান পরীক্ষার জন্য সাইদির মুক্তির জন্য জিহাদ করার নির্দেশ দেয়া হয় বিভিন্ন মসজিদ থেকে। এর মাধ্যমে দেশের অবস্থা ভয়ংকর হয়ে উঠে।

সকল নাস্তিক দের ফাঁসী চাচ্ছে ধর্মান্ধ মুসলিমরা।

সকল নাস্তিক দের ফাঁসী চাচ্ছে ধর্মান্ধ মুসলিমরা।

সাইদির মুক্তির দাবীতে ইসলামী ছাত্র শিবির।

সাইদির মুক্তির দাবীতে ইসলামী ছাত্র শিবির।

নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধ চর্চা করছে ধর্মান্ধরা।

নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধ চর্চা করছে ধর্মান্ধরা।

এইরকম অবস্থায় আত্মপ্রকাশ ঘটে হেফাজতে ইসলাম নামে একটি ধর্মীয় সংগঠনের। তারা তথাকথিত নাস্তিকদের ইসলাম ধ্বংসের প্রেক্ষাপটে ইসলামকে হেফাজত করতে আবির্ভূত হয়। নাস্তিকদের ফাঁসীর দাবীতে তারা মহাসমাবেশ করে যেখানে প্রধান বিরোধী দল সহ বেশ কিছু দল এবং সাধারণ মুসলমান সমর্থন দান করে। এরা নাস্তিকদের ফাঁসী, নারী পুরুষের পাশাপাশি বিচরণ নিষিদ্ধ করা, মূর্তি ধ্বংস করা, কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করা সহ ১৩ দফা দাবী নিয়ে পাল্টা আন্দোলন শুরু করে।

নাস্তিক ব্লগার দের ফাঁসী চাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম।

নাস্তিক ব্লগার দের ফাঁসী চাচ্ছে হেফাজতে ইসলাম।

হেফাজতের সমাবেশে শাহবাগ আন্দোলন বন্ধের দাবী।

হেফাজতের সমাবেশে শাহবাগ আন্দোলন বন্ধের দাবী।

নাস্তিকদের ফাঁসী চাওয়া পোস্টার এখন হাতে হাতে।

নাস্তিকদের ফাঁসী চাওয়া পোস্টার এখন হাতে হাতে।

“সকল মুসলিম ভাই ভাই, নাস্তিকদের ঠাই নাই” সম্বলিত ব্যানার।

“সকল মুসলিম ভাই ভাই, নাস্তিকদের ঠাই নাই” সম্বলিত ব্যানার।

হেফাজতের আন্দোলনের চাপের মুখে সরকার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ৩ জন ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে গ্রেফতার করে আসিফ মহিউদ্দিন নামে আরেকজন জনপ্রিয় ব্লগারকে। এদের বেশ কিছু লেখাকে পুজি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অপরাধে তাদেরকে শাস্তি দেবার আইনগত প্রক্রিয়াও শুরু করেছে সরকার। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিকভাবে নিরাপরাধ ব্লগার দের গ্রেফতারের নিন্দা জানানো হলেও সরকার তার অবস্থানে অনড়। আরও অনেক ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের গ্রেফতারের আশঙ্কা এখনও কাটে নি। অনেক ব্লগার গ্রেফতার আতংকে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

কথিত ধর্ম অনুভূতিতে আঘাত দেবার অপরাধে গ্রেফতারকৃত ৩ ব্লগার।

কথিত ধর্ম অনুভূতিতে আঘাত দেবার অপরাধে গ্রেফতারকৃত ৩ ব্লগার।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন।

পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত ব্লগার আসিফ মহিউদ্দীন।

শাহবাগের আন্দোলন এখনও চলছে আবার চলছে হেফাজতিদের আন্দোলন। তথাকথিত ধর্মান্ধতা ও নাস্তিকতার জোয়ারে ভাসছে দেশ যেখানে বিপন্ন প্রকৃত মানবতা।

এই ছোট শিশু যেটি বুঝে বড়রা তা কেন বুঝে না

এই ছোট শিশু যেটি বুঝে বড়রা তা কেন বুঝে না

শিশুর দাবী- রাজাকার মুক্ত সমাজ।

শিশুর দাবী- রাজাকার মুক্ত সমাজ।

ধর্মান্ধ দের দাবী অনুযায়ী প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশ কি এখন নাস্তিক দের দেশ হতে চলেছে?

ধর্মান্ধ দের দাবী অনুযায়ী প্রশ্ন আসে, বাংলাদেশ কি এখন নাস্তিক দের দেশ হতে চলেছে?

কবে আমরা অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরপেক্ষ, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনার পন্থী একটি দেশ পাবো? কবে? কবে? কবে?

 

 

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

3 Responses to “গণজাগরণ এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট”

  1. Anupam 15 May 2013 at 10:30 AM #

    We all are with SRAB. Long Live revolution. “A revolution is an insurrection, an act of violence by which one class overthrows another.”—Mao Zedong

  2. asok kumar das 17 May 2013 at 8:51 PM #

    APAMANITO ISWAR KANDCHEN

    Dharmadharona o dharmyavyas anujai manuske prodhnoto du vage vag kora jay. akdol holo astik, arthath vogoban sonkranto adi gujobke jara sotya bole biswas koren. astikgon keui nijer chokhe vogobanke dakhen ni. kintu hazar hazar bochor age je prokritivito bonochari adimanob je iswarke dekhechilen astikgon tader kotha biswas koren. asovyo sei manobder kotha biswas kore jug jug dhore projonmo porampor iswar vabnar akta ovyas astikder mone mojjyago hoyeche.

    dwitiyo shrenir manuske bola hoy nastik. enara asovyo adimanobder iswar dorshonke satya bole biswas koren na. boner manusra prakritik biporjyoy o prokritir somosto kaj kormoke adrisya kono shaktir kriyakormo bole vabten. ejonyo amader purbopurushra iswarer jonmo diye chilen onader viti o agnyotar karone. nastikder mote asovyo adi manobra e iswarer janmodata pita. onader mote ” sobar upore manush satya tahar upore nai”. molla o nai, purut o nai, vogoban god keu nei manusher upore.

    astik ar nastikder majhe ak modhyo srenir manush o achen. . enara iswar dharonake satyo bole mante lajjya pan, abar parthibo somaj o dhormiyo noroker voye se dharonake mithya bolte o voy pan.

    ar kichu manush achen jara iswar e biswas korun ar na korun onara asohay ashikshito norokvito swargo lovatur dharmik manushder dharmo mohachchannya kore rajniti o dhormo bybsha koren. iswarke astro kore iswar churi diye manush hotya koren. jara bangladeshe dharmodanga kore manob hotya korche tara oi sheshokta shrenir prani. onara jodi satyoi dharmik hoten, jodi onara iswarke biswas korten, iswarer nitir proti shrodhya korten, onake valo basten,onar khomotar proti astha rakhten ta hole onara iswarer ain nije hate tule niye nije e manusher bichar korten na. onara jodi sototar sathe chokh mele dekhten ta hole onara dekhten onader dhormiyo norohotyar janya onader priyo iswar chokher jole vaschen,apomane mukh lukochchen , ar dharmikder janmo debar janya apshosh korchen. tader ovishap dichchen.

    iswar kano kandchen? karon shashtro shristo kolpito iswar choritro premomoy, khomasil. onar sontan manushke tini valobasen. tader rokshya korte chan. somosto manush e onar sontan. astik manush, nashtik manush, bidhormi manush, amon ki iswardrohi manush o onar shristo santan.hindu sanskriti anujai somosto manusher moddhye narayon achen. somosto manush narayoner santan.hindu o narayoner santan, musolman o iswarer sontan. musolman kristan nastik ra o ak e iswarer ango. hindura jotota hindu nastikra o totota e hindu. akjon musolman ke hotya korar artho iswar ke hotya kora. thik temni islam dhormo anujai dhormo biswas nirbi sheshe sob manush e allhar sontan.

    tai alla ba iswar jokhon dekhen onar voktora e onar sontader hotya korche tokhon premomoy, karunanamoy kshomasundor allah nischoi onar nastik ba bidhormi sontander rokto dekhe ullashito hote paren na hingshro norokhadokder moto.

    abar dekha jachche dharmik ra kivabe iswar allahder apoman korche.je kono dhormer shashtro anujai manusher pap punyer bicharer daitwya o adhikar kebol matro iswarer. purut mollah,jajok ra onar se adhikar chiniye nichche iswarer hat theke. ar evabe iswarke apoman korche protiniyoto. ora iswarer bichar byabosthake abognya korchen. iswarter sarbovouma kshomotake aswikar korchen. sarboshoktiman iswarer opor astha na rekhe dharmikra nije e bichar kore pran dando dichche iswarer kafer ba bidhormi santander nijeke tara iwarer upore bosachche.

    evabe dekha jachche dharmikra e iswarer boro shotru. juge juge dharmik ra e iswarer sontan der hotya kore asche. dharmik hobar karone nastik ra khokhono kono astik ke hotya koreni. nastik hobar karone astikra e hotya koreche nastik iswar sontander. hotya koreche charbak ke, hotya koreche sombuk ke.esob dharmik hityakarira tai sobai bidhormi.bangladesher hotykari astik hotyakarira tai bidhormi, tara kafer, tara iswarbirodhi.

    bechara iswar tai dukshe apomane lajjaya mukh lukiye kandchen nastik ahmed rajeebder janya. DHARMIK DER KACHE ABEDON ONARA JODI ISWARE BISWAS KOREN, ONARA JODI ISWARER ICHCHAKE SOMMAN KOREN TA HOLE ONADER HOTYALILA BONDO KORUN.

    asokdas charbak
    kolkata
    asokdas.godless@gmail.com

  3. Madhusudan Mahato 20 May 2013 at 2:24 PM #

    Jara Iswar e biswas karen tara really Isware biswas karen na. Tahale Iswarer uparei sabkichhu chhere diten; nijera khun, dharsan(rape) karten na. Tara asale bujhen Iswarer kono khamatai nei kono kichhuke niyantran karar emanki “sahbag” andolankeo. Nahale tara sudhu mandir, masjide sudhu Iswarke daklei parten “sahbag” andolanke bandha karte. Ami manekari ei Rajakarganai bara “Nastik” abong “Barbar”.


Leave a Reply