জাস্টিস ভার্মাঃ এক ব্যতিক্রমী কর্মজীবন

জাস্টিস ভার্মা মারা গেলেন আশি বছর বয়সে। জাস্টিস জগদীশ শরণ ভার্মা, সেই রিপোর্টটির রূপকার, যার ভিত্তিতে একটি নতুন ও কড়া ধর্ষণ-বিরোধী আইন আসতে চলেছে ভারতে। দিল্লির গণধর্ষণের ঘটনার পর যে তিন সদস্যের প্যানেলটি তৈরি হয়, তার নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।

যে দেশে এক একটি প্যানেল করে কমিশন বসালে তার রিপোর্ট পেতে কয়েক বছর লেগে যায়, সেখানে জাস্টিস ভার্মার কমিটি ৬৩০ পাতার এই রিপোর্ট টি জমা দেন মাত্র ২৯ দিনে। এটা একটা রেকর্ড। আশি বছর বয়সী এই অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ভারত সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে বলেন পরবর্তী পার্লামেন্ট এর সেশনেই যেন কড়া আইনটি পাশ হয়। সেই সেশন এখন চালু আছে। জাস্টিস ভার্মার প্রথম বড় কাজটি কর্মক্ষেত্রে মেয়েদের নিরাপত্তা বিষয়ক, কর্মক্ষেত্রে যৌন হেনস্থা নারীর কর্মস্বাধীনতা ও সমানাধিকারের পরিপন্থী যা সংবিধান-বিরোধী। একথা উনিই প্রথম বলেন।

জাস্টিস ভার্মা নিজের সহকর্মীদের দিকেও আঙ্গুল তুলতে পিছপা হননি। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট-এর বিচারকরাও আইনের উর্ধে নয়—দুর্ব্যবহার এর জন্যে তাদেরও শাস্তি প্রাপ্য—এই রায়ে তিনি সম্মতি দিয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৭-১৯৯৮ এ চিফ জাস্টিস ছিলেন।ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশনের প্রধান ছিলেন এবং নিউজ ব্রডকাস্টিং স্ট্যান্ডারডস অথরিটির প্রথম কর্ণধার ছিলেন।

আমরা অপেক্ষায় আছি ওঁর কথামত কড়া আইনটি যেন দ্রুত পাশ হয়।

Justice Verma

Justice Verma: An exceptional career

New Delhi  (Edited by Mala Das , NDTV  | Updated: April 23, 2013 09:29 IST  )Justice Jagdish Sharan Verma was the architect of a report that became instrumental in shaping a new, stronger anti-rape law in the country.

The retired Chief Justice of India was appointed to head the three-member panel that drew the blueprint of the new laws immediately after the brutal gangrape of a medical student in a moving bus in Delhi shook the nation’s conscience.

In a country where panels and commissions have been known to take years and many extensions to complete assignments, Justice Verma’s panel submitted its 630-page report in a record 29 days. The 80-year-old former judge then challenged the Indian government to hold up its end of the bargain and bring a tougher law in the next Parliament session. That session is still on.

On April 15, Justice Verma and his panel were awarded the justice for women award at the NDTV Indian of the Year Award 2012.

The new anti-rape laws crowned a career full of important milestones in India’s legal system. Justice Verma’s first landmark judgement for women’s rights came in the famous Vishakha case of 1997, when the Supreme Court bench headed by him laid guidelines to prevent harassment of women at work.

The Verma bench observed that sexual harassment at work violates a woman’s right to equality at the workplace and so her constitutional rights.

In the Ayodhya land dispute, he ruled that acquiring the property of a mosque did not constitute an abridgement of a Muslim’s right to freedom of religious belief and practice.

In 1996, while setting aside the Bombay High Court verdict scrapping the election of Shiv Sena leader Manohar Joshi to the Maharashtra Assembly, Justice Verma famously said that Hindutva depicted “a way of life which cannot be assumed to mean and be equated with narrow fundamentalist Hindu religious bigotry”.

As Chief Justice of India, Justice Verma heard the Jain Hawala case in which it was held that notings in a diary containing initials of some people did not amount to a piece of evidence.

Justice Verma also did not hesitate to turn the mirror on his own fraternity when he favoured a separate mechanism to make High Court and Supreme Court judges accountable for misconduct.

He was Chief Justice of India from March 1997 until his retirement in January 1998. Justice Verma also served as the chief of the National Human Rights Commission and was the first head of the News Broadcasting Standards Authority.

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

One Response to “জাস্টিস ভার্মাঃ এক ব্যতিক্রমী কর্মজীবন”

  1. Madhusudan Mahato 29 April 2013 at 2:23 PM #

    Thanks to SRAI


Leave a Reply