ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য

ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি
৩০তম বার্ষিক অধিবেশন
১৪ ও ১৫ মার্চ, ২০১৫ 

সভাপতির বক্তব্য

                    ১৯৮৫ সালে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির জন্ম। তার আগে দীর্ঘ সময় অলৌকিকতার বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলাম সাপ্তাহিক পরিবর্তন পত্রিকায়। এবং তারও আগে নকশাল আন্দোলনে তাত্ত্বিক ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব চেয়ারম্যান আমাকে দিয়েছিলেন। এই সূত্র ধরেই একটা পরিমন্ডল তৈরি হয়েছিল এবং তার থেকেই সমিতির জন্ম। অনেক স্বপ্ন নিয়ে, অনেক আশা নিয়ে এটা সৃষ্টি করেছিলাম।

আমি চেয়েছিলাম মুক্তচিন্তার প্রসার, যুক্তিমনস্কতার প্রসার এবং একটা সার্বিক সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলতে। চেয়েছিলাম শ্রেণিহীন সমাজ।

১৯৯৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশনের জন্ম। ‘হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশন’ গঠনের পিছনে রয়েছে একটা ছোট্ট ইতিহাস।

‘যুক্তিবাদী সমিতি’ ঝড় তুলেই এগোচ্ছিল। গোল বাধলো ১৯৯৩-এর জানুয়ারিতে কোলকাতা বইমেলায় ‘সংস্কৃতিঃ সংঘর্ষ ও নির্মাণ’ বইটি প্রকাশিত হতেই। বইটিতে উঠে এলো ভারতের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের ইতিহাস ও বিশ্লেষণ, উঠে এল ‘প্রেম’, ‘দেশপ্রেম’, ‘গণতন্ত্র’, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদ’ ইত্যাদি সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত বহু প্রাসঙ্গিক বিষয় এবং তাদের নতুন করে দেখা ও চেনা।

জনগণকে পাশে পেতে জনগণের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেব। বিনা খরচে বস্তি ও গ্রামের ব্রাত্য শিশুদের এবং বয়স্কদের শিক্ষা। পুলিশ এবং সেনারা অত্যাচার চালালে অত্যাচারিতদের পক্ষে আইনি সাহায্য। কর্মশিক্ষা। চিকিৎসকদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে ক্যাম্প। পারিবারিক সমস্যা নিয়ে ‘কাউন্সেলিং’। মরণোত্তর দেহদান, চক্ষুদান ও রক্তদান শিবির। বেশ্যাবৃত্তির মতো অসম্মানজনক ব্যবস্থা বন্ধ করে তাঁদের বিকল্প জীবিকার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারকে চাপ দেওয়া। মানবতা বিকাশের স্বার্থে মানুষকে ধর্ম, জাত-পাত, প্রাদেশিকতা ও লিঙ্গবৈশম্যের মতো কুসংস্কার ত্যাগ করতে উদ্বুদ্ধ করা।

এইসব কাজের প্রয়োজন মেটাতে গড়ে তোলা হল ‘হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশন’। বহু অসম্ভব জয় ছিনিয়ে এনেছে হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশন। প্রথম জেনারেল সেক্রেটারি : সুমিত্রা পদ্মনাভন।

হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশন জন্মের তিন মাসের মধ্যে ১০ ডিসেম্বর সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে প্রথম ৫২ জন যাঁরা ‘হিউম্যানিজম’ ধর্মকে গ্রহণ করেছে, তাঁদের নামের তালিকা তুলে দিলাম। এতা ছিল একটা অসাধারণ লড়াই। সেই সময় রামকৃষ্ণ মিশন ‘রামকৃষ্ণায়ণ’কে রিলিজিয়ন কলামে লেখার তীব্র আইনি লড়াই চালিয়েছিল। কিন্তু ব্যর্থ হয়। ‘ব্রাহ্ম’ ধর্মকে রিলিজিয়ন কলামে লেখার আইনি অধিকার পেতে বহু কোটি টাকা এবং বহু বছর ব্যয় করেও সেই লড়াই জিততে পারেনি।

‘হিউম্যানিজম’ ধর্ম লেখার লড়াইয়ের যৌথ নেতৃত্বে ছিলাম সুমিত্রা পদ্মনাভন ও আমি। আমি ও সুমিত্রা যোগাযোগ করেছিলাম বড় বড় সাংবাদিক, রাজনৈতিক নেতা ও মন্ত্রীর সঙ্গে। প্রত্যেকেই আমাদের নিরাশ করেছিলেন। বলেছিলেন, লড়াই ২০ বছর চালিয়েও কিচ্ছু করতে পারবেন না। কিন্তু একটা অসাধারণ লড়াইয়ের মাধ্যমে আমরা তিন মাসেই তা করে দেখালাম।

সরাসরি UNO-র সাথে যোগাযোগ করেছিলাম এবং UNO-র সহায়তায় রিলিজিয়ন কলামে ‘হিউম্যানিজম’ লেখার আইনি অধিকার ছিনিয়ে এনেছিলাম। এ ঘটনা কভার করতে তামাম ভারত ও পৃথিবীর বহু সাংবাদিকরা এসেছিলেন মৌলালি যুবকেন্দ্রে।

ধনঞ্জয় চ্যাটার্জি, ভবানিপুরের একটি বিল্ডিং-এর সিকিউরিটি গার্ড। তার দায়িত্ব হল বিল্ডিং-এর অধিবাসীদের রক্ষা করা। ওই বিল্ডিং-এর এক ১৪ বছরের স্কুল ছাত্রী হেতাল পারেখকে একা তাঁর ফ্ল্যাটে ঢুকতে দেখে পিছু পিছু তাঁর ঘরে গিয়ে তাঁকে হত্যা করে এবং একাধিকবার ধর্ষণ করে।

দীর্ঘ ১৪ বছর মামলা চলার পর ফাঁসির হুকুম হয়। ফাঁসির হুকুম রদের জন্য বহু ফান্ডেড এন জি ও আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই সময় আমরা সিগনেচার ক্যাম্পেন করতে থাকি ফাঁসির পক্ষে। প্রথম ক্যাম্পেন করতে যাই নিহত হেতাল পারেখের স্কুল ওয়েল্যান্ড গোল্ডস্মিথ স্কুলে।

তারপর হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে ফাঁসির পক্ষে বহু স্কুল-কলেজে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হতে থাকে। আমরা স্বাক্ষরিত আবেদন রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠাই। রাষ্ট্রপতি রাজ্য সরকারের কাছে এবিষয়ে তাদের মতামত জানতে চান। তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সিপিএম-এর বিশাল ব্যাক্তিত্ব জ্যোতি বসু তখন ইন্দিরা ভবনে থাকতেন। সেখানে আমন্ত্রিত বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা এবং যুক্তিবাদী সমিতি ও হিউম্যানিস্টস্‌ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে আমি ছিলাম। উপলক্ষ্য ধনঞ্জয়ের ফাঁসির ব্যাপারে আমাদের মতামত জানানো। আমি উঠে বললাম যে আমি প্রথম বক্তা হতে চাই। জ্যােতিবাবু বললেন, বলুন। বললাম, যদি ধনঞ্জয়ের ফাঁসির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার মতামত দেয় তবে আমরা দায়িত্ব নেব ধনঞ্জয়কে হত্যা করার।

রাজ্য সরকার শেষপর্যন্ত মতামত দিল। ধনঞ্জয়ের ফাঁসি হল ১৪ আগস্ট, ২০০৪-এ। এটাও ছিল একটা অসম লড়াই।

 আজ ২০১৫ সালে এসে কয়েকটা কথা বলার খুব প্রয়োজন অনুভব করছি।

আগে লিখেছি যুক্তিবাদী হয়ে উঠতে গেলে যা করতে হবে, সেটা আর টানলাম না। কিন্তু যুক্তিবাদীরা পড়াশুনাও করবে না, আবেগে গা ভাসাবে, তাহলে তেমন যুক্তিবাদী সমিতি আমার মনে হয় বন্ধ করে দেওয়াই ভাল। এটা আমার সুচিন্তিত মতামত।

আচ্ছা, আমি যদি বাড়িতে মূর্তি কিনে সরস্বতী পুজো বা লক্ষ্মী পুজো করি, তার পরেও কি আমাকে নিয়ে আপনারা ‘যুক্তিবাদী’ বলে লাফাবেন? আমি শ্রাদ্ধেতে আস্থা রাখলে আপনাদের চোখে কি আর ‘যুক্তিবাদী’ থাকব?

নরেন্দ্র দাভোলকর কিন্তু বাড়িতে ঘটা করে গণেশ পুজো করতেন। এবং গোবিন্দ পানসারের মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ দাহ করা হয়, শ্রাদ্ধও করা হয়।

আমি যদি সমকামিতাকে পরিপূর্ণ সমর্থন করি, তবুও কি যুক্তিবাদী থাকব না মানসিক রোগী বলে আমার চিকিৎসা করা উচিত?

অভিজিৎ রায় কিন্তু সমকামিতার সমর্থনে বই লিখেছিলেন এবং একটা গোষ্ঠীও তৈরি করেছিলেন। অভিজিৎ রায় দ্বিধাহীনভাবেই ছিলেন শ্রেণিবিভক্ত সমাজের সমর্থক।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ‘যুক্তিবাদী’ অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হল ঢাকায়। নিঃসন্দেহে খুবই ধিক্কারজনক ঘটনা। জোর করে বাক্‌ স্বাধীনতার এই বন্ধের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র ভাষায় ধিক্কার জানাই।

দুই বাংলাতেই এনিয়ে অনেক মিটিং-মিছিল হচ্ছে। আমাদের সমিতির কারোর কারোর সঙ্গে ইমেলে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল অভিজিতের- তা জানি।

নির্মোহভাবে অভিজিৎ রায়ের কর্মকান্ডকে খুব সংক্ষেপে একটু বিচার করতে চাই। অভিজিৎ রায় বিজ্ঞানের কঠিন তত্ত্বগুলোকে খুব প্রাঞ্জল ভাষায় লিখেছিলেন যা অতি প্রশংসনীয়। কিন্তু উনি যখন সমকামিতার পক্ষে বই লেখেন এবং সমকামিতাকে ‘প্রোমোট’ করার চেষ্টা করেন, তখন তার প্রতিবাদ জানানো ছাড়া আমাদের কাছে উপায় থাকে না।

উনি ইদে শুভেচ্ছা বার্তা জানালেন, এটা একজন নিরীশ্বরবাদীর কাছে খুবই বেদনাদায়ক।

 সাম্প্রতিককালের মধ্যে ভারতে ‘যুক্তিবাদী’ নরেন্দ্র দাভোলকর, গোবিন্দ পানসারে এবং বাংলাদেশের হুমায়ুন আজাদ ও অভিজিৎ রায়কে হত্যা করা হল। আপনারা একটু সততার সঙ্গে ভাবুন তো এরা অতি সহজে হত্যাকারীদের শিকার হলেন কেন? অথচ এরা কেউই তথাকথিত অলৌকিক বাবাজি-মাতাজি-জ্যোতিষীদের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেননি। তাদের ডেরায় গিয়ে ভান্ডাফোড় করেননি। আমার নেতৃত্বে যুক্তিবাদী সমিতি হুজুর সাইদাবাদী, মরিস সেরুলো, আচার্য সত্যানন্দ, সাইবাবা, বাবা রামদেব এমন আটশোর ওপর অলৌকিক শক্তিধরদের ভান্ডাফোড় করেছিল। কাউকে কাউকে জেলেও ঢুকিয়েছিল। এরা প্রত্যেকেই মহা মহা শক্তিধর। তবু আমি কিন্তু মরিনি, আছি। কারণ যাদের বিরুদ্ধে লড়তে নেমেছিলাম তাদের চেয়েও বেশি শক্তি নিয়ে আমরা লড়েছি। তাই প্রত্যেকটা জয়কেই ছিনিয়ে এনেছি।

আজ দেখতে পাচ্ছেন যে, মেমারিম্যানকে আমরা পরাজিত করেছিলাম এবং কীভাবে করেছিলাম তা সবিস্তারে লেখার পরেও মেমারিম্যানের চ্যালেঞ্জ না নিয়ে পালিয়ে গেছিলেন আমাদের এক নেতা ও তাঁর সাথীরা। এতে আমাদের সম্মানটা নিশ্চয়ই নষ্ট হয়েছিল।

সমিতির কিছু ছেলেমেয়ে গেছিল দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার একটি অঞ্চলে পেট থেকে শেকড় তোলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করতে। সেখানে গিয়ে অলৌকিক বাবাজি-মাতাজিদের হাতে প্রচন্ড প্রহার খেয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরল। মাঝখান থেকে খোয়ালো একটি দামি ডিজিটাল মুভি ক্যামেরা। কারণ আমার দেওয়া গাইডলাইন ওরা না মেনে বেশি বুদ্ধি খাটাতে গেছিল।

আমরা একবার অসমে গিয়েছিলাম অনুষ্ঠান করতে। অসমে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নামে প্রচুর পোস্টার পড়েছিল- ‘নাস্তিক প্রবীর ঘোষের মুন্ডু চাই’। আমরা তেজপুরে অনুষ্ঠান করে সেখান থেকে দুটো গাড়ি নিয়ে বেরলাম। উদ্দেশ্য- গুয়াহাটি। বজরঙ্গীরা আমাদের নজরে রেখেছিল। মাঝখানেই ওরা আমাদের গাড়ির সামনে দাঁড়াল। ওদের হাতে বড় বড় চপার, তলোয়ার। আমাদের সামনে গাড়িতে যাঁরা ছিল, তাঁরা দু-তিনতে গুলি চালাতেই হইহই করে বজরঙ্গীরা পালিয়ে গেল। আমরা যেখানে চ্যালেঞ্জ লড়তে গিয়েছিলাম, শক্তি নিয়েই গিয়েছিলাম। তাই খুন হইনি।

ঝাড়খন্ডে প্রচুর গাছ সাফ হয়ে যাচ্ছিল। বনের প্রান্তেই বসে গেছিল করাত কল। কাটা গাছগুলোকে করাত কলে সাইজ করে কেটে লরিতে চালান হত। এর জন্য জঙ্গলের পাহারাদার থেকে পুলিশ, প্রশাসন, মন্ত্রী সব্বাই ‘হিস্যা’ পেত। এটা রুখতে প্রচুর পোস্টারিং করা হয়েছিল। গাছ কাটলে হাত কেটে নেব। প্রচারে- ঝাড়খন্ড যুক্তিবাদী। একদিনে করাত কল উঠে গেল। গাছ চুরি বন্ধ।

শ্যাম বেনেগাল থেকে রাজকুমার হিরানি অনেকেই আমার আদলে চরিত্র সাজিয়ে সিনেমা করেছেন।

সাম্য চিন্তা ছড়িয়ে দিতে স্বয়ম্ভর গ্রাম গড়ার পরিকল্পনা করি এবং ভারতে তা যথেষ্ঠ ব্যাপকতা লাভ করেছে।

এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বহু শ্রেণির মানুষের সমর্থন আমরা পেয়েছি। যাঁর মধ্যে উচ্চপেশার পুলিশ, প্রশাসন, রাজনীতিক, লেখক, গায়ক, আইনজ্ঞ, সাংবাদিক সবাই আছেন, যাঁরা প্রয়োজনমতো  আমাদের ইনফরমেশন দিয়ে সাহায্য করেন।

 যাঁরা আজ দাভোলকর বা অভিজিৎ রায়কে নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন, তাঁরা কি কিষেণজিকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার বিরুদ্ধে একবারও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন?

সৎ হোন, সাহসী হোন, মিথ্যা বাগাড়ম্বর বন্ধ রাখুন এবং বেড়ালকে বাঘ সাজাবার চেষ্টা করবেন না। না-হলে আন্দোলনকে শেষ করতে শত্রুর দরকার হবে না, আপনারাই যথেষ্ঠ।

প্রবীর ঘোষ
সভাপতি
ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

38 Responses to “ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য”

  1. Madhusudan Mahato 14 March 2015 at 3:58 PM #

    Thanks….

  2. Creative Pankaj 15 March 2015 at 8:02 PM #

    একদম ঠিক। যাকে তাকে যুক্তিবাদী বলা ঠিক নয়। নিরীশ্বরবাদের সঙ্গে যুক্তিবাদের পার্থক্য রয়েছে। নিরীশ্বরবাদ যুক্তিবাদ নয়, একটা সোপান মাত্র। প্রবীরদার এই অসাধারণ লড়াইগুলি আমাদের মতো যুক্তিবাদীমনস্ক মানুষদের, সাম্য গঠনকারী মানুষদের অনুপ্রাণিত করবে, সাহসী হতে সাহায্য করবে। ধন্যবাদ প্রবীরদা সময়োপযোগী এই অসাধারণ বক্তব্য দেওয়ার জন্য।

  3. ranjan roy 15 March 2015 at 11:10 PM #

    hataash halaam.
    keman Je nijeder promoT karaar cheshhTaa mane hal. ken prabeer be`nche aachhen eba`m ken abhijit maaraa gelen taa niye baktaby besh naaibh laagal.
    aar Dhananjay Chatterjeer phaansi niye? eTaa Juktibaad? naa dogma?

  4. প্রবীরদা আপনাকে অনেক অভিনান্দ। আপনার এই প্রতিবেদন ভন্ড মেকী যুক্তিবাদীদের আবার গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দেবে।
    যুক্তিবাদ জিন্দাবাদ। আন্দোলন চলছে চলবে।

  5. dhritiman 16 March 2015 at 12:04 AM #

    নিরীশ্বরবাদ আর যুক্তিবাদের পার্থক্য কি আদৌ বোঝেন রঞ্জন রয়?? আর রইল, ধনঞ্জয়-এর কথা, তার অপরাধটা একবারের জন্যও মনে আছে তো?? খুন করে, রেপ। যা কিনা রেয়ারস্ট রেয়ার কেস। আর মৌলবাদের বিরুদ্ধে লিখে, কেউ নিহত হলে, সেই নক্যারজনক কাজ কে আমরা, ধিক্কার জানাই, ঠিকই, কিন্তু এটাও জানা প্রয়োজন তিনি প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের বিরোধিতা করে, আদৌ শ্রেণীহীন সাম্যের সমাজের চিন্তা করেছিলেন কিনা!!‍ আর এটা আপনার কাছে, সেল্‌ফ প্রমোট লাগতেই পারে, আমার তো সন্দেহ আছে, যে আদৌ আপনি প্রবীর ঘোষের বই একটাও পুরোপুরি পড়েছেন কিনা?? পড়লেই বুঝতে পারতেন, একটা শ্রেণীহীন সাম্যের সমাজ গড়ে তোলা, অত সহজ কাজ নয়।

  6. Sourav 16 March 2015 at 2:14 AM #

    Homosexuality ke support korle mental patient hote hobe bujhlam, kintu DSM 5 ba ICD 10 e homosexuality-r sthan kato-te achhe ba WHO othoba American Psychiatrist Association Homosexuality ke kivabe dekhen seTa janle ba bolle valo hoto.

    Janiye rakha bhalo, Homosexuality ICD theke dropped hoyechhe almost 20 years back, jodi sothhik mone thaake, 92-93 te. Apnara ekhono eTake aaNkRe dhore achhen thhik kiser jnyo…???

    Naki WHO ba APA jotheshTo biggansommoto noy…???

  7. অনির্বাণ 16 March 2015 at 4:35 AM #

    প্রবীর ঘোষ কৈশোর উদ্বুদ্ধ করেছিলেন সত্য । কিন্তু বর্তমানে তার বিভিন্ন মতামতের ক্ষেত্রে বড্ড নিজেকে গুরু হিসেবে প্রতিপন্ন করে প্রবীর-ধর্ম তৈরীর একটা চেষ্টা এসে গেছে । বাংলাদেশে অভিজিৎ রায়দের কোন পরিস্থিতিতে লড়াইটা লড়তে হয় না জেনে বাবাজী-মাতাজীদের সাথে তুলনা । সমকামিতা নিয়ে বর্তমানে মেডিক্যাল সায়েন্সের মতামতটাই জানেন না । ওপরে দেখছি সেটা একজন সবিস্তারে লিখেছেন । তাই আর লিখলাম না । স্বতঃসিদ্ধের মতো নিজের মতামত দিয়ে দিচ্ছেন , যেন কুরাণে আল্লাহর বাণী নাজেল হচ্ছে । এবার আপনার আত্মসমালোচনা প্রয়োজন প্রবীর বাবু , নতুন যুগের মতামত নিয়ে আরেকটু ঘাঁটাঘাঁটি করাও প্রয়োজন । আপনার পরিধি ৯০’এর দশকের তুলনায় বড়ো ছিল । ২০০০ সালের পর থেকে আপনার পরিধি অনেক ছোট গেছে । এবার আপনি নিজেকে একটু আপডেট করলে আমার মতো আপনার এককালীন অনুরাগীরা খুশী হবে ।

  8. dhritiman 16 March 2015 at 9:46 AM #

    এলেন আরও দুজন!!! বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি, কার হাতে সৃষ্টি সেটা আপনাদের মত ইন্টারনেটের আন্দোলনকারীদের জানা নেই। এবং তারা কিভাবে কাজ করেন, তাও জানা নেই, কারণ তাদের কাজ আপনাদের আন্দোলন করার মোক্ষম জায়গা ফেবুতে যে প্রকাশ পায়না!!!! বাংলাদেশে খোদ নিজে গিয়ে, এই সমিতি গঠন করে এসছিলেন প্রবীর ঘোষ। মৌলবাদীরা তার কুটোটাও ছিঁড়তে পারেনি। আপনারা তো সমকামিতা থেকে বেশ্যাবৃত্তি কে আইনত করারও পক্ষে, যান না নিজের কোন আত্মিয় যখন এই দুই পথে এগোবে নিজদের জীবন অতিবাহিত করার, আপনারা তাদের হকের লড়াইটা করেন!! আর রইল পরিধি!!! আপনাদের কাছে চ্যলেঞ্জ রইল, কি ৯০ আর কি ২০০০, এমন একজন মানুষ দেখান, যারা প্রবীর ঘোষের মত কাজ করে চলেছেন। আসলে, ২০০০ সালের পড় থেকে কি করেছেন কি করেননি, তা জানতে গেলে, আপনাদের যে তার লেখা বই পড়তে হবে, কিন্তু তা তো আপনারা না পড়েই মানুষটার কাজের মূল্যায়ন করে যাচ্ছেন,আসলে বিশেষ করে, ঐ দুই প্রকারের মানুষদের জন্য ভালোবাসা আপনাদের মনে প্রানে ভরে আছে কিনা!!! তাদের জন্য ভাবতে ভাবতে আপনাদের মত মানুষগুলোর রাতের ঘুমই উরে যাচ্ছে যে! আপনাদের নতুন যুগ তো ভোগবাদের বৃত্তের মধ্যে আবদ্ধ, আপনারা আর জানেবেনই বা কি যে, কত কোটি কোটি টাকার ফান্ডেড এনজিওরা এর পিছনে কাজ করে চলেছে!! যাই হোক, আপনারা ফেবু আন্দোলনকারীরা লড়াই চালিয়ে যান।

  9. Sourav 16 March 2015 at 11:32 AM #

    Dhritiman,

    rhetoric aar “apnar atmiyo jkhon korbe” diye byakti akromoN hoy, logic aar rationality hoy na, eTa asha kori apnake bojhate hobe na.
    Apnar lekhar mdhye eTa sposhTo je apni somokamita somporkito medical science er bortoman drishTibhongi niye kichhui janen na, parle doya kore jene neben.

    aar hya, je kono rakom manush, jNara onyer khoti na kore nijer odhikar bujhe baNchte chan, tNader jnyo bhalobasa sobosomoy-e thakbe. complement kora boleo ekTa byapar thekei jay.

    EkTu ohongkar koman, nijeder update korun, bhul Ta japTe dhore dNaRiye thaka noy, bigyaner ogrogotir songe taal miliye nijeder poriborton koraTai ekjon rationalist-er dhormo. noile dhormer sathe seTar kono parthokyo thake na.

    Aar funded ngo-r ktha bolchhen…??? WHO aar APA-r somokamita somporke ki opinion dekhechhen kakhono…???

    Shesh kori. Ami andolon kori na, nitanto sadharoN manush, hya, ekTa somoy vebechhilam actively srai te join korbo, kintu khub-e dukkher sathe dekhchhi je sei srai almost cult-e poriNoto hochchhe.

    Prachur dharmik tader dhormiyo boi je superior seta prove korte eirakom bolen je bohu bigyani eTa mene niyechhen, bigyanider naam bolte bollei chup. apnara funded ngo-r conspiracy theory ke -o sei jaygay niye gechhen kina vebe dekhben.

    Asha kori SRAI nijeke update korbe, monushyotwo aar bigyan, duTor swarthei.

  10. CREATIVE PANKAJ 16 March 2015 at 12:17 PM #

    প্রবীরদার বক্তব্যের জন্য কিছু মেকী বিজ্ঞান আন্দোলনকর্মীদের আবার চিনে নেওয়া গেল। এই মেকী আন্দোলনকারীরা যুক্তিবাদের অন্যতম শত্রু। এরা মধ্যবিত্তদের থেকে অনেক বেশি ক্ষতিকর। সমকামিতা নিয়ে SRAI-এর বক্তব্য আগেই বলা হয়ে গেছে। সেটা জানার জন্য SRAI-এর পুরনো আর্টিকেল পরুন মুক্তমনের সঙ্গে।

  11. এখন চারিদিকে প্রগতিশীল, নাস্তিক এবং যুক্তিবাদী মানুষের ভিড়। যারা বিজ্ঞানের সাধারন জ্ঞান নেই, মুখে এক কাজে আরেক, সুবিধাবাদী, হাতে তাগা কবজ নিয়ে, মন্দির মসজিদ র্গিজায় মাথা ঠোকেন তারা আর যা হন যুক্তিবাদী নয়। ওই সব সল্প শিক্ষত, মধ্যমেধা, সবজান্তা, ধান্দাবাজ, “হারে হারামজাদা” যুক্তিবাদী আন্দোলনের শত্রু। এদের বিরুদ্ধে প্রবীর ঘোষ এর নেতৃত্বাধীন যুক্তিবাদী আন্দোলন চলছে চলবে।।

  12. Creative Pankaj 17 March 2015 at 1:34 PM #

    ‘যৌবনের বজ্রনির্ঘোষ’ মন দিয়ে পড়ুন। লেখক- প্রবীর ঘোষ, প্রকাশক- দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা- ৭০০ ০৭৩। এখনও প্রবীর ঘোষ কি দুর্দান্ত কাজ করে চলেছেন পড়লেই বুঝতে পারবেন। ৬০০টা জেলার মধ্যে প্রায় ২৫০টা জেলায়
    স্বয়ম্ভর গ্রাম গড়ে উঠেছে প্রবীরদার Neo-Socialism তত্ত্বের মাধ্যমে।

  13. kallol 17 March 2015 at 3:40 PM #

    sesher line thuto nijederke go-re tolar jonno khubi joruri. jara ak-i sange theism ar rationalism-e biswas rakhe, samaj tader sandeher chokhe dakhe. Samakamita, manusher sustha o swabhabik vab-e bede ot-har antaray. jara eta promote karen, eta nischit je tara samajke pechoner dikei agiey nie jaan. mono chikitsai eder akmatra dawai. Challenge na nie jara sor-e gachen ba 100% homework na ko-re jara rahosso utghatan korte gie byartho hoechen, tara til-til ko-re go-re otha srai-er sunam ke khunno korechen. eder sambandhey sabdhan thak-te ha-be, ja-te ke-u nayer dashak-er mato pechon theke churi marar paristhiti toyri korte na pa-re.

  14. Joy 17 March 2015 at 5:57 PM #

    Somokamita oporadh eita aajker juge jodi kono juktibaadi bolte paaren, tahole tar cheye lojjajonok o durbhaggojonok ghotona ar kichu thakte paare na. Jouboner onyotomo icon chilen Prabir Ghosh. Unakei aaj ei kodorjo rupe dekhe mon bharakranto holo. Abhijit Roy-er prochestaguli-ke khato kore nijeke guru protiponner chesta lekhatir chotre chotre. Ekta kotha ache, “He who fights monsters must take care lest he becomes a monster himself.” Prabirbabu ektu kheyal korben.

  15. BD_Athiest 17 March 2015 at 10:18 PM #

    We are here in Bangladesh to dedicate our every support and honour to your initiatives.

  16. অযান্ত্রিক 18 March 2015 at 8:22 AM #

    “নকশাল আন্দোলনে তাত্ত্বিক ক্লাস নেওয়ার দায়িত্ব চেয়ারম্যান আমাকে দিয়েছিলেন।” উরিশালা। স্বয়ং কমরেড মাও! ইনি তো দেখছি বিরিঞ্চিবাবার কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।

    বিরিঞ্চি-হোমোফোবিক-ফাঁসিবাদী-রজনীকান্ত-বাবা!

  17. বুদ্ধ 18 March 2015 at 9:22 AM #

    অনেক সময় এরকম হয় যে কোন ভুল মানুষ একটা সঠিক কাজ করে ফেলল। ‘হিউম্যানিজম’ এর ধর্ম হিসাবে পরিচিতি লাভ এরকমই একটি কাজ। আর প্রবীর ঘোষ তাতে নিজেকে হনু মনে করছেন। এই আর কি? যাই হোক- এই লোকের মানসিক চিকিৎসা করানোর দরকার বলে মনে করছি।

  18. সিলেটটুডে২৪.কম 18 March 2015 at 11:19 AM #

    প্রবীর ঘোষের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া লিখেছেন তসলিমা নাসরিন

    http://sylhettoday24.com/news/details/Column/2475

  19. Sourav 18 March 2015 at 4:41 PM #

    SRAI er member der sotwor chikitsa dorkar. mass delusion e bhugchhen homosexuality niye.

    Odike dawkins abar bolchhen mass delusion tai pray god delusion er somotulyo.

    Notun kono dhormo naajil holo naki…??? 😉

    American Psychiatric Association (jara DSM publish kore) er link roilo, jaate kono niropekkho, bigganmonosko manush pothobhranto hoye durbhagyokrome SRAI er site-e ese poRe eisob bhulbhal jinispotro dekhe somokamita-ke manosik osukh na vaben.

    http://www.psychiatry.org/mental-health/people/lgbt-sexual-orientation

  20. dhritiman 18 March 2015 at 6:50 PM #

    আপনাদের মানবিক অধিকার টুকুনি কি লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্র্যান্সজেন্ডার দের মধ্যে সীমাবদ্ধ?? আচ্ছা, আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল, শহর আর শহরাঞ্চল ছাড়া গ্রামে গঞ্জে কটা মানুষ, gender dysphoria তে ভোগে?? একবারও ফিল্ডে নেমে কাজ করে দেখেছেন কি, যেখানে ভোগবাদের আগ্রাসন তো দূরে থাক,ঠিক মত বিদ্যুৎ, পানীয় জল, দুবেলা-দুমুঠো খাবার ও পৌঁছায়নি?? সেখানে মানুষ নিজের দুবেলা পেটের ভাত জোগাড় না করে, নিজের শরীর নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করবে, সে ছেলে না মেয়ে?? তাই তো?? আর রইল, লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্র্যান্সজেন্ডার, এরা প্রত্যেকেই মানুষ, আমরাও জানি। কিন্তু এই মানুষ গুলো জন্মের পড় থেকে শিশু থেকে নিজের সেক্স সম্বন্ধে অবহিত হতে শুরু করে নির্দিষ্ট একটা বয়সের পড়েই, এবং তাও একটা নির্দিষ্ট সমাজব্যবস্থা আর সংস্কৃতির ভিতর দিয়েই। একটা মানুষ এর নিজের সম্বন্ধে চিনতে ও জানতে যা যথেষ্টই প্রভাব বিস্তার করে থাকে। আর রইল, আমেরিকার কথা আপনারা যার উদাহরণ বাড়ে বাড়ে টেনে আনছেন!!! শ্রেণী সংগ্রামের আন্দোলন ঠেকাতে এরা কিনা করতে পারে!! যারা ফেসবুকিয় আন্দোলন করে থাকে, তারা আর বুঝবে কি?? ভাববাদের জায়গায় ভোগবাদ এখন জায়গা করে নিচ্ছে, মানুষের মধ্যে শ্রেণী-চেতনার বোধের অবলুপ্তি ঘটাতে। যাই হোক, শেষ অব্ধি বলতে চাই, APA-তে যা পাওয়া গেল, সেখানে যে এই মানসিক রোগ হিসেবে গ্রাহ্য করা হচ্ছে না কেন?? সেখানে কিন্তু সরকার বাধ্যতাকেই বার বার তুলে ধরা হচ্ছে, কোন বিজ্ঞানীর যেকোনো যুক্তিপূর্ণ রিসার্চ এর জায়গায়, যেমন উদাহরণ স্বরূপ http://www.livescience.com/16110-transgender-teen-mental-health.html
    DSM 5-এর রিপোর্টে Robin Rosenberg, Leibowitz-এর বিরোধিতা কিভাবে করেছেন, তাও পরিষ্কার নয়। আপনারাই জানেন, কি অধিকার আর কাদের হয়ে লড়ছেন?? যাই হোক, দেখাই যাক আপনাদের আন্দোলনে মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট আদৌ সাড়া দেন কিনা?? শ্রেণী সংগ্রামের মুখ ঘোড়াতে আপনারা যে পায়ু মৈথুনের সংগ্রাম গড়ে তুলছেন, তা হাস্যকর ঠেকে। প্রকৃতই সাম্যের লড়াইতে যারা দিনের পড় দিন প্রাণ দিচ্ছেন?? তাদেরই বা আপনারা পাত্তা দেবেন কেন?? আপনাদের কাছে যে মানুষের প্রধানতঃ তিনটি অধিকার- খাদ্য, বস্ত্র আর বাসস্থান এরও আগে ‘সেক্স’ করার অধিকার বেশী প্রয়োজনীয়। ঘরে থেকে বা স্মার্ট মোবাইল দিয়ে এর ওর লিঙ্ক ধার না নিয়ে, একটু ফিল্ডে নেমে বিশেষ করে, গ্রামে গঞ্জে ঘুরে আপনাদের আন্দোলন সম্বন্ধে অবহিত করুন সেখানকার মানুষগুলোকে, দেখুন কতটা উদ্বুদ্ধ করতে পারেন!!!

  21. dhritiman 18 March 2015 at 7:39 PM #

    আমাদের সভাপতির প্রতিক্রিয়ায় তসলিমা নাসরিনের ছবি দিয়ে যে লেখা তৈরি করা হয়েছে, সিলেটটুডে২৪.কম-এ, তার বিস্তারিত জানতে রবীন্দ্রসংখ্যা ২০০৯ পড়তে পারেন।

  22. সবজান্তা,হারেহারামজাদাদের উৎশৃখল জীবন যাপনের জন্য যুক্তিবাদীদের আন্দোলনে নামতে হবে!!! ওদের এই উৎশৃঙ্খলতা সমাজে প্রচোলিত করার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে ফান্ডেড NGO রা। ওরা যুক্তিবাদী আন্দোলন ধংস করতে ব্যস্ত। এদের কাছে সব মানুষের খাদ্য, বস্তু, বাসস্থান বা সুন্দর সাম্যের সামাজ এর আন্দোলন ধংস কারার চেষ্টা ছারা কিছু পাওয়া যাবে না। ওইসব “হারেহারামজাদা” দের পরিকল্পনাকে ধংস করতে প্রতিবারের মতো এইবারও প্রবীর ঘোষের নেতৃত্বাধীন যুক্তিবাদী আন্দোলন আরও গতি পাবে। “তোরা যত মারবি, তত বারবো” সাম্যের সামাজ গরার লখ্যে, সমস্ত উৎশৃখলতাকে রুখতে যুক্তিবাদী আন্দোলন আজ পৃথিবী জুরে ভয় ধরিয়েছি সমস্ত শোষক শাষকদের এবং তাদের তল্পিতল্পা বাহকরা নেমেছে মেকী আন্দোলনের নামে যুক্তিবাদী তথা সাম্যের আন্দোলনকে ধংস করতে। এই আঘাত এসেছে বারংবার জয় হয়েছে যুক্তিবাদীদের তথা প্রবীর ঘোষের। আজ আমার ভারতের ৬০০ ওপর গ্রামে সাম্যের আন্দোলনে ব্যস্ত। পৃথিবীর বহু দেশ প্রবীর ঘোষের আন্দোলনকে এগিয়েনিয়ে যাচ্ছে।

  23. arindam2006a 18 March 2015 at 11:39 PM #

    প্রবীর ঘোষের বক্তব্য প্রকাশিত হবার পর অনেক sponsored বুলবুলির ডাকাডাকি শুনছি, পড়ছি। ইংলিশ-এ বললে বলতে হয় He has again hit where it hurts. লেখাটা ভীমরুলের চাকেই ঢিল মেরেছে। কিন্তু এতো দেখছি ভীমরুলের বদলে মশা-মাছি ভনভন করছে। যাই হোক, প্রবীর ঘোষকে নিয়ে কুৎসা, ব্যাঙ্গ ইত্যাদি একাধারে হাস্যকর এবং ওনার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সাম্যের আন্দোলন, যুক্তিবাদী আন্দলনের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেবার আর একটা অক্ষম চেষ্টা।
    যাইহোক, যতটা সম্ভব সংযত হয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া দেবার চেষ্টা করছি:

    ১। কেউ-কেউ, সাম্যবাদী আন্দোলনকে পরিণত করতে চাইছেন ‘সমকামিবাদ’-এ। একটু কৌতূহল আছে জানার, ওই আন্দোলনের পতাকায় ঠিক কিসের ছবি থাকবে? শ্রেণী-সংগ্রামের জায়গায় “পায়ু-প্রহার”-এর তত্ব?

    ২। একজন জানিয়েছেন যে উনি নাকি এক সময় প্রবীর ঘোষের অনুরাগী ছিলেন। কিন্তু ওনার মনে হয়েছে বর্তমান যুগের তুলনায় প্রবীর ঘোষ অনেক ছোটো হয়ে গেছেন। আমার প্রশ্ন, উনি যুগের এবং প্রবীর ঘোষের পরিমাপ করলেন কিভাবে ? ওনার এই সিদ্ধ্বান্তের ভিত্তি কি? ওনার লেখা কটা বই উনি পড়েছেন? গত ১৫ বছরে প্রবীর ঘোষের নেতৃত্বে যুক্তিবাদী সমিতির একের পর একের জয়ের খবর কি উনি রাখেন? কোনো খবর না রেখে এই ধরণের মন্তব্য করে, উনি কি বোঝাতে চাইলেন তা উনিই জানেন। আর প্রবীর ঘোষ, এমন কোনও অনুরাগী তৈরি করার কারখানা খোলেননি, যে হুজুগে গা ভাসাবেন। এই জন্যই উনি শ্রদ্ধেয়।

    ৩। একজন প্রশ্ন করেছেন, ধনঞ্জয়ের ফাঁসি যুক্তিবাদ না ডগমা? আপনার “স্মার্ট” প্রশ্নের আরও “স্মার্ট” উত্তর আপনি পেয়ে যেতেন, যদি হেতাল পারেখ নামের ওই কিশোরী মেয়েটি,যাকে ধনঞ্জয় খুন করে ধর্ষণ করেছিল, আপনার কন্যা, বোন বা অন্য কোনো নিকটজন হত।

    ৪। একজন প্রবীর ঘোষকে ব্যাঙ্গ করেছেন হনু/ বিরিঞ্চিবাবা বলে, কারণ উনি ওনার আত্মজিবনি-তে লিখেছেন যে উনি নকশালদের তাত্বিক ক্লাস নিতেন চেয়ারম্যানের কোথায়। তা,আমার অ-হনু বন্ধু, যদি ক্ষমতায় কুলোয়, একটু খোঁজ নিয়ে দেখুন না চারু মজুমদার ওনাকে নকশালদের তাত্বিক ক্লাস নিতে বলেছিলেন কী না। বেকার, অর্থহীন মন্তব্য না করে, ঈর্ষা ঝেড়ে ফেলে সত্যি টা জানতে আগ্রহী হোন। আপনার আদৌ রাজনৈতিক ক্লাস নিয়ে নুন্যতম ধারণাও আছে কিনা আমার সন্দেহ হয়। যেটা আছে বলে মনে হয় সেটা হলো, “নাছোড়বান্দা আমাশার” মতন “এক তাল ঈর্ষা”।

    ৫। আর তসলিমা নসরিন! দিদিভাই, আপনি তো প্রবীর ঘোষের “যুক্তিবাদের চোখে নারীমুক্তি” বইটা পড়েছেন। তারপরেও আপনি ওনার সম্বন্ধ্যে যা লিখলেন, তা কি কোনও মেঘনাদ সৃষ্ট সংলাপ থেকে আওড়ানো, না “হুজুগ জ্বরের” প্রলাপ?

    ৬। দু-এক জন লিখেছেন, প্রবীর ঘোষ “prabirism” তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তাঁদের পাণ্ডিত্য দীর্ঘজীবী হোক। কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে, উনি “Rationalism”-“Contemporary rationalism”-“Neo-Socialism”-এর পথিকৃৎ। আর, কোনও “ism”-এর জন্ম দাওয়া যদি দোষের হয়, তবে গান্ধী, মার্ক্স, লেনিন, মাও…এদের নিয়ে আপনাদের মূল্যায়ন ঠিক কী ?

    জানিয়ে রাখি, এই ধরণের অপপ্রচার, প্রবীর ঘোষের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা যুক্তিবাদী আন্দোলন কে আরও সঙ্গবদ্ধ, উদ্বুদ্ধ করবে। সহযোদ্ধাদের কাছে আহ্বান, এই ধরণের যে কোনও লুম্পেন সংস্কৃতির বিরুদ্ধে, আন্দোলন তীব্রতর করুন।
    যে সব রাজা/ রানীদের এঁটো চেটে এসব মাতলামি চলছে, তাঁরা আমাদের অজানা নয়।

  24. CREATIVE PANKAJ 19 March 2015 at 12:14 AM #

    taslima je prochondo khepe ache ta bojhai jachhe.. hobei na ba keno onar meki juktibadir mukhosh je prabir ghoh khule diyechen.. tai eto gutsa.. jukti chere ekhon kada chetano te nemechen taslima nasreen… apni nari mukti!!!!! apni i to bolechilen je, meyera chelederke rape korbe ebong kora uchit.. apni ki mone koren je er dwara rape bandho hoye jabe?
    sobaike bolchi jara jara taslimar mukhoshke chenen na tara porte paren- 2009 boimela sonkha orthat may 2009 er patrika ti ei link theke donload kore.. http://www.srai.org/publications/ .. bhando juktibadi dur hato.. nari mukti niye juktibadi prabir ghoh er “Juktibader chokhe nari-mukti” boita pore dekhun nari mukti ki.. samokamitar mato ei baje bishoy niye tarko kore samay nasto korte ichhe nei.. bharater 600ta jelar modhhe pray 250ta jelai prabir ghosh er Neo-Socialism er dwara sayambhar gram gore utheche & uthche.. prabir ghosh er kaj-karmo ki na jene comment na kore pore dekhun “JOUBNER BAJRONIRGHOSH”, prokashok- Dey’z publishing.. Juktibadi hon ebong vando juktibadider chinun.. noile juktibader pale hao a era kere nebe..

  25. biplab das 19 March 2015 at 6:40 PM #

    যারা সমকামিতাকে প্রমোট করতে চাইছেন তাদের মধ্যেই অনেকে বেশ্যাবৃত্তিকে আমাদের দেশে আইনি করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। কোনো সুস্থ মানসিকতা সম্পন্ন মানুষ কোনো দিনই এই দুটোকেই প্রশ্রয় দিতে পারেনা। কিসে বেশি মজা, কোথায় চূড়ান্ত সেক্স অনূভুতি হয়, সময়টা তার নয়, সময়টা হল ধর্মের কারবারিদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। অভিজিত রায়ের বিজ্ঞান সম্পর্কিত এবং ধর্মবিরোধী লেখা পত্তরের সাথে আমি একমত ছিলাম, এবং সেগুলো পড়ে বেশ ভালো লাগলেও ওনার সমকামিতার পক্ষে সওয়াল করা বইএর বিরুদ্ধে ছিলাম। সমকামিতার অধিকার, বেশ্যাবৃত্তির অধিকার- এগুলো ধর্মবিরোধী লড়ায়কে ডাইভার্ট করার একটি সূক্ষ্ম প্রচেষ্টা।

  26. যুক্তিবাদ জিন্দাবাদ।।

  27. Anjan chakraborty 19 March 2015 at 10:52 PM #

    আভিজিত রায়,পান্সারে ও দাভলকারের মৌলবাদ বিরোধী,কুসংস্কার বিরোধী অবস্থানকে সন্মান জানিয়েও কিছু কথা আমাদের মনে রাখা দরকার, কোন ধর্মীয় উৎসবে মানুষকে শুভেচ্ছা জানানো অর্থ পরোক্ষভাবে তাকে ধর্ম পালনে উৎসাহিত করা যা একজন যুক্তিবাদীর পক্ষে অনুচিত বলে মনে করি আর গণেশ পূজা বা শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান করাতো চরম বিজ্ঞান বিরোধী ওঁ যুক্তিবাদ বিরোধী কাজ।নাস্তিকতা বা কুসংস্কার বিরোধিতা হল বিশ্বাস(Faith) এবং অবশ্যই প্রগতিশীল কিন্তু যুক্তিবাদ হল একটি সামগ্রিক দর্শন(philosophy) আরও ব্যাপক তার পরিধি।যুক্তিবাদী সাজা যায় না,অবিরত অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে হয়ে উঠতে হয়।

  28. Manish 20 March 2015 at 12:42 AM #

    Ek “muktomona” facebook e likhechen Prabir Ghosh er to bohudin kono boi beroi na.
    Avijit Ray er jonopriyota dekhe uni irshakator hoe porechen.

    Dadababu, apnar ki sotti kore jana ache je Prabir Ghosh sesh 5 bochorei kota boi likhechen? Flipkart e search kore dekhun. Besir vag somoy out of stock hoe jay.

    Porisheshe boli, SACHIN TENDULKAR ki kokhono VINOD KAMBLI ke hingsa kore ???

  29. suman 20 March 2015 at 5:26 PM #

    Dhormo jehetu samakamitar birodhi tai kichu meki juktibadi mathe nemeche samakamita ke protistha korte dhormio kusanskar birodhi andolone math saaf korte…Juktibadi der bhire….era jane pratisthanik dhormo ekdine uthe jabe na tai juktibadi andolone ke babohar kore samakami tar pother kata dhormio kusanskar jhetiye biday korte nemeche samakamitar totto protistha korte….system er akher labh dhormo to achei samakamita tao protisha kora gelo typer target….majhe majhe sotru ke diyeo kaj hasil kora jay eta tar e chesta..Sudhu dorkar kichu aapato juktibadi manush ke bibhranto kora jara kolom dhorte janen…sadharan manush aaj dhormo ar biggan ek sathei khacche …..ha progotisil habvab sobar majhei ….tai khawano ta sohoj hoye geche……

  30. যারা কীট পতঙ্গ, পশু পাখীর সমকামিতার উদাহরণ দিয়ে তাদের অস্বাভাবিক কাম চাহিদা চরিতার্থ করার আন্দোলন করছে। তাদের সংঙ্গে তান্ত্রিকদের কোনো পার্থক্য নেই। যারা বেষ্যাবৃত্তি আইনি করার আন্দোলনে নেমেছে, তারা তাদের মা বাবা, ভাই বোন সবাইকে তাদের কামের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করবে। ওইসব আন্দোলনকারী আর তন্ত্র সাধনাকারী তান্ত্রিকদের কী কোনো পার্থক্য আছে ? মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ কিছু অভ্যাস পশু পাখি জন্তুজানোয়ার থেকে আলাদা করেছে, তার প্রথমটি হল কাম চিন্তা। যারা অবাধ যৌন্যতা, বহুগামীতা, সমকামিতা, অজাচার, বেষ্যাবৃত্তির মত আদিম প্রবৃত্তি বলে আন্দোলন করছে।তার আবার পশু পাখি জন্তুজানোয়ারের মত বা সেই উপরে উল্লেখিত ‘তান্ত্রিক ‘ দের মত মানববলির অধিকার আন্দোলনে নামবেন? নিদেনপক্ষে চুরিডাকাতির (পরুন) পক্ষে রাস্তায় নামুন??

    আপনারা নামুন বা নামুন ওইসব অপরাধ (ভারত সহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে) আপনাদের সমর্থে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শোষক শাষক শ্রেণীর সাহায্যে চলছে ওইসব নৃশংস মানব সভ্যতা ধংসকারী খুন, ধ্র্ষণ, রাহাযানী। কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক র্ধমের নামে, কোথাও চরম প্রশাসনিক উৎশৃখলতার প্রকাশ ঘটছে ওইসব ‘আদিম প্রবৃত্তি’। সিরিয়ার র্ধমান্ধ আই. স. থেকে ভারতে ৭০ বছর বৃদ্ধা র্ধষন; চরম র্ধমান্ধতা থেকে চরমকাম। দুটিই অস্বাভাবিক, অমানুষিক , সভ্যতার পরিপন্থি।
    যেখানে র্ধমীয় প্রতিষ্টান অসহায় হয়ে তাদের ঈশ্বরের আস্থা না রেখে সামাজিক আইনের দারস্থ। সেখানে ওইসব ব্যাভিচারী মানুষিক রুগীদের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী আন্দোলনকে ঘোলা করে দিতে ব্যস্ত শোষক শাষক থেকে সভ্যতাকে আদিমতায় নিতে ব্যস্ত প্রগতিশীলরা (স:)।

    ওইসব ধান্দাবাজ বিকৃতকামী র্ধমান্ধদের বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির আন্দোলন চলছে চলবে।

    প্রশাসনের সদিচ্ছার প্রতি সন্ধেহ রেখেও ভারতের সাংবিধানিক আইনি ব্যবস্থা বলবত করুন, আইনি বইয়ে আবদ্ধ না রেখে।
    প্রশাসনের প্রতি অনুরধ :-
    ১) বিকৃতকামী র্ধষকদের ফাঁসি দিতে হবে।
    ২) সমকামী, বিকৃতকামীদের বিরুদ্ধে যে আইন আছে ( ৩৭৭ ধারা ) প্রয়োগ করতে হবে।
    ৩) বেষ্যাবৃত্তি রোধে যে PTTA আইন আছে প্রয়োগ করতে হবে। (হিস্যা নিয়ে চেপে গেলে চলবেনা)
    ৪) আজাচার, নারীত্ব এ অপমানকর প্রতিষ্টানীক র্ধমাচারন আইন প্রয়োগ করে বন্ধ করতে হবে।
    ৫) র্পণগাফী, নগ্নতার বহুগামিতার রদ্ধে যে আইন প্রয়োগ করতে হবে।
    ৬) বিভিন্ন মিডিয়ার দায়বদ্ধতার প্রতি সর্তক থাকবে, না থাকলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
    ৭) র্ধমান্ধতা, অলৌকিকতা বিরুদ্ধে যে আইন আছে তার প্রয়োগ।
    ৮) র্ধমীয় শিক্ষার বদলে মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে।
    ৯) বিজ্ঞান শিক্ষা, যুক্তিবাদী চিন্তার প্রসার করতে হবে।
    ১০) প্রশাসনকে মানুষের নূন্যতম অধিকার সমন্ধে জানার ব্যবস্থা করতে হবে।

    বহু আইন তৈরি হওয়ার পর ব্যবহার করেনি প্রশাসন। খাতায় রেখে কি লাভ??(ও হিস্যা!!)

    অনাবিল সেনগুপ্ত,
    সংযুক্ত সম্পাদক, ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি।

  31. রুডান 21 March 2015 at 11:55 AM #

    মাননীয় বিপ্লববাবু,
    আপনি একই সঙ্গে অভিজিৎ রায়ের সমকামিতাকে সমর্থন করেন, অসাম্যের সমাজ ব্যবস্থাকে সমর্থন করেন। এই স্ব-বিরোধিতা থেকে বেরিয়ে আসুন
    -রুডান

  32. ধৃতিমান 21 March 2015 at 2:52 PM #

    যারা দল ভাঙ্গার কাজে লিপ্ত! তারা যৌথ নেতৃত্ব তো দুরের, কোনও রকম নেতৃত্ব দেওয়ারই উপযুক্ত নয়।

  33. যারা কীট পতঙ্গ, পশু পাখীর সমকামিতার উদাহরণ দিয়ে তাদের অস্বাভাবিক বা প্রকৃতি বিরুদ্ধ কাম চাহিদা চরিতার্থ করার আন্দোলন করছে, তাদের সঙ্গে তান্ত্রিকদের কোনো পার্থক্য নেই (তন্ত্রসাধনায় কাম বা সম্ভোগ প্রধান উপকরণ তা যেকোনো মহিলা হলেই হবে, নিজের মেয়ে হলেতো ভালোই!!)।
    যারা বেশ্যাবৃত্তি আইনি করার আন্দোলনে নেমেছে, তারা তাদের মা বাবা, ভাই বোন সবাইকে তাদের কামের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করবে ওই তান্ত্রিকদের বা বিকৃতকামীদের মতোই ? ওইসব আন্দোলনকারী আর তন্ত্র সাধনাকারী তান্ত্রিকদের কী কোনো পার্থক্য আছে ?
    মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ কিছু অভ্যাস পশু পাখি জন্তুজানোয়ার থেকে আলাদা করেছে, তার প্রথমটি হল কাম চিন্তা। যদিওবা আদিম অবস্থায় সমকামী চিন্তা ছিলনা।
    যারা অবাধ যৌনতা, বহুগামীতা, সমকামিতা(নব্য), অজাচার, বেশ্যাবৃত্তির মত আদিম প্রবৃত্তি বলে(?) আন্দোলন করছে।
    তার কী আবার পশু পাখি জন্তুজানোয়ারের মত, আদিম মানুষের মত বা উপরে উল্লেখিত ‘তান্ত্রিক ‘ দের মত খাদ্য বা কাম সম্ভোগের জন্য মানববলির অধিকার আন্দোলনে নামবেন? বা নিদেনপক্ষে চুরি ডাকাতির মতো আদিম প্রবৃত্তি পক্ষে রাস্তায় নামবেন??

    আপনারা নামুন বা না নামুন ওইসব আদিম অপরাধ আজ ভারত সহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে প্রকাশ্যে করে উল্লাস করছে। আপনাদের সমর্থনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আজ শোষক শাষক (শোষণের সুবিধার্থে) শ্রেণীর সাহায্যে চলছে ওইসব আদিম প্রবৃত্তি নৃশংস মানব সভ্যতা ধংসকারী খুন, ধর্ষণ, রাহাজানী। কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক র্ধমের নামে, কোথাও বা চরম প্রশাসনিক উৎশৃখলতার সুযোগে প্রকাশ ঘটছে ওইসব ‘আদিম প্রবৃত্তি’।
    সিরিয়ার র্ধমান্ধ আই. স. এল. আই. (I.S.I.L) এর হত্যা থেকে ভারতে ৭০ বছর বৃদ্ধা সন্যাসীনির ধর্ষণ । একি মুদ্রার দুই পিঠ!!
    চরম র্ধমান্ধতা থেকে চরমকাম!! দুটিই অস্বাভাবিক, অমানুসিক , মানব সভ্যতার পরিপন্থি।
    যেখানে র্ধমীয় প্রতিষ্ঠান (ভ্যাটিকান) অসহায় হয়ে তাদের ঈশ্বরের আস্থা না রেখে সামাজিক আইনের দারস্থ হয়।
    সেখানে ওইসব ব্যাভিচারী, মানব সভ্যতার ধংসকারী মানুসিক রুগীদের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী তথা সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে ঘোলা করে দিতে ব্যস্ত শোষক শাষকদের আজ্ঞা বহনকারী প্রগতিশীল মুক্তমনার দল। ওই সকল শাষকদের দাসরা সভ্যতাকে আদিমতায় নিতে ব্যস্ত। ওইসব প্রগতিশীলরা সভ্যতাকে ‘আদিম সাম্যের'(?) নিয়ে যাবে?

    ওইসব শাষক বা তাদের শোষণকারী ধান্দাবাজ প্রগতিশীল, বিকৃতকামী, র্ধমান্ধদের বিরুদ্ধে সমস্ত অজাচার, শোষণের বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সাংস্কৃতিক আন্দোলন চলছে চলবে।

    প্রশাসনের সদিচ্ছার প্রতি সন্ধেহ রেখেও ভারতের সাংবিধানিক আইনি ব্যবস্থা বলবৎ করুন,
    আইনি বইয়ে আবদ্ধ না রেখে।

    প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ :-

    ১) বিকৃতকামী র্ধষকদের ফাঁসি দিতে হবে।

    ২) সমকামী, অজাচারী, বিকৃতকামীদের বিরুদ্ধে যে আইন আছে (৩৭৭ ধারা) প্রয়োগ করতে হবে।

    ৩) বেশ্যাবৃত্তি রোধে যে PITA আইন আছে প্রয়োগ করতে হবে। (হিস্যা নিয়ে চেপে গেলে চলবেনা)

    ৪) আজাচার, নারীত্ব এ অপমানকারী প্রতিষ্ঠানিক র্ধমাচারন আইন প্রয়োগ করে বন্ধ করতে হবে।

    ৫) র্পনোগ্রাফী, নগ্নতাকে পন্যকারী, বহুগামিতার বিরদ্ধে প্রকাশ্যে উৎশৃখলতা বা নৃশংসতা রোধে যে আইন আছে (পাবলিক ইনোসেন্ট এক্ট ইত্যাদি) প্রয়োগ করতে হবে।

    ৬) বিভিন্ন মিডিয়ার বা সোসাল মিডিয়ার তার দায়বদ্ধতার প্রতি সর্তক থাকবে, না থাকলে অব্যশই ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ৭) র্ধমান্ধতা, অলৌকিকতা বিরুদ্ধে যে আইন আছে তার প্রয়োগ। ( বহু আইন তৈরি হয়েছে যা ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির কাজ কর্মে বা বহুল ব্যবহারে হাজারের উপর বুজরুক পুলিশি জালে ধরা পরেছে।)

    ৮) র্ধমীয় শিক্ষার বদলে মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে।

    ৯) বিজ্ঞান শিক্ষা, যুক্তিবাদী চিন্তার প্রসার করতে হবে।

    ১০) প্রশাসনকে মানুষের নূন্যতম অধিকার সমন্ধে জানার ব্যবস্থা করে দিতে হবে ।

    বহু আইন তৈরি হওয়ার পর ব্যবহার করেনি প্রশাসন। খাতায় রেখে কি লাভ?? (ও হিস্যা!!)

    অনাবিল সেনগুপ্ত,
    সংযুক্ত সম্পাদক, ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি।

  34. asok kumar das 23 March 2015 at 3:39 PM #

    savapoti r vason ebong oi bisoy e 33 pokhshe o bipokshe comment pore utsahito hote parlamna. mone pore galo aj theke bish baish bochor agekar kotha. sedin SRAI er kusongsker birodhi ekti svay ami bolechilam , ” aj ami ja bolbo ta jodi nichok abeger boshe ar amar proti vokti shraddha valobasar karone jodo amar boktabya bina bichare, bina sondehe mene nen, tahole bujhbo amar uddyesya byartha hoeche. jodi amar boktaby apnara sondeho prokash koren, jodi amar vul porjalochona kore amar boktobyer biruddhe probol vabe akromon koren, tahole bujhbo ami kritokayo hoechi. bujhbo ami apnader muktochinta korte udbuddha korte sofol hoechi. amon ki apnader somalochona vul hole o. Amar akanto anurodh amake sondeho korun, prosno korun, muktochinta korun. apnader nijeder jeta thik mone hobe seta e sudhu biswas korun. ”

    amake to durer kotha Probir babur moto gyani guni boktobyake o msondeho korun. oner boktobyer somalochona, birodhita na korle onake apoman kora hobe , onar uddyshya o bifol hobe. kanona Probirbabu chan chinter prosar, onar proti anugaya noy. bina sondehe onar kotha mene nile apnar chinta Probirbabu rchintar gondite i shringkholito hoe porbe.

    Ganotantra sofol hoy jokhon deshbasi voi na peye gonotantrer birudhe kotha bolte pare. thik temni, juktibad sofol hobe jokhon manush mukta chinta kore juktibader birddhye e jukti dekhate shikhbe. juktibad sothik hole o jodi keu bina porjalochonay juktibadke mene nyay, ta hole juktibader e mrityu hobe.

    asun, jhogra na kore torko kori. somokamitar pokshye o kori, bipokshe o kori. ei website bitorker kshetra hok.asun, amra birodhider juktir biruddhye bitorker astra diye lorhai kori. mone rakhte hobe amader birodhira amader shatru noy. tara o juktibadi. ta na hole jukti bichar korbe kano. onader kujukti amader jukti diye khondon korte hobe, osamjik jhara diye noy. onader dure soriye rakhle juktibadi andoloner e khati hobe.

    Commentguli prosonge ar du akta kotha bolte ichche korche. ami matro 12 bochor boyos theke 60 years dhore sonsoybadi noy, agneyobadi noy , amon ki full nastik noy – ami ugro nastik. 12 bochor boyoshe ami kotota ‘jonmoshiddha’ nastk chilam ta medinipurer mirgoda gramer adhuna briddhader kache jante parben. amar prorochonay , o netritye oi bridhora botgacher tolay thaka pathorer debdebider pukure fele diyeche, smasankali Lankeswarir mukhe thuthu feleche. Tenar upodebi ‘Raktokhai burir’ mathay ami nije pechchap kore otake govir chorabalite chirtore kobor diyechi. Balyokaler se ugrota ami akhono puropuri tyag korte parini.tai sarkar chakurir nothite ami Hindu bole swikar korte parini.desher ain ebong dharmiyo shashtro anujai amra akhono o abibahito dampoti. amar baba mayder shrdhya kore ami onader opoman korini. amar chele meyera o kolponai korte parena je ora ashikshitoder moto pitrshraddhya korbe ami morar por. amar poribarer kono jamai ba putobodhu brahaman, keu ba christan,keu ba musolmaner chele kinba meye. ta satye o ami kintu dharmiyo bibaho ba shradhyanushaner natok dekhe pet pure kheye asi hasi thatta korte korte, ar sorbo samokshe purut ar tader tout der shartro dhrmer asarota sradhybasore e proman korte korte.

    amar dwicharitar dosh dekhe jodi amar jukti khodon koren, ta hole amar cheye keu besi khushi hobena. kanona tokhon bujhbo ami jukti bigyaner prosare samanya hole sahajyo korte perechi.

    Asun , amra sodeho korte, somalochona korte, birodhider jukti khondon korte korte swadhinvabe nijo nijo motobad protisthito kori. Ebong nishfole tikto jhgra, galmondo porihar kori.

    asokdas charbak

  35. Creative Pankaj 24 March 2015 at 10:50 AM #

    দেবাশিষবাবু, আসুন যুক্তির খাতিরে ধরে নেই, প্রবীর ঘোষ তিনবার স্কুল ফাইনাল ফেল। তাইতে- কি প্রবীর ঘোষের ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হওয়া বা সভাপতি হওয়া আটকায়? ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সংবিধানে এটা লেখা নেই।
    ২) আপনি দাবি করেছেন প্রবীর ঘোষ একজন বি.কম, ওনার বাকি ডিগ্রি জালিয়াতি। একটা জিজ্ঞাস্য আপনারা প্রবীর ঘোষ ডিগ্রি জালিয়াতিতে যুক্ত তা কি ভাবে জানলেন? আপনারা কি প্রবীরবাবুর ডিগ্রির জেরক্স কপি নিয়েছিলেন? এবং সেই জেরক্স কপি উপযুক্ত কতৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছিলেন? তারা কি আপনাদের লিখিতভাবে জবাব দিয়েছেন যে এটা জাল? তাহলে আপনারা ওনার ডিগ্রির ফটোকপি এবং কতৃপক্ষের উত্তর ছেপে দিন, ল্যাটা চুকে যায়।
    রেজিস্টার অফ সোসাইটি একই নামে দুটো সংস্থাকে সাটিফিকেট দিতে পারে না। আমি সার্টিফাইট কপি তুলেছি, যেকোনও ভারতীয় নাগরিক সার্টিফাইট কপি তুলতে পারেন। সেখানে লেখা আছে ৭২/৮, দেবীনিবাস রোড, কোল-৭৪ হল ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির registered অফিস। এবং প্রবীর ঘোষ সভাপতি ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির।
    আপনারা আপনাদের পক্ষে রেজিস্টার্ডের ইস্যু করা কপিটা ছেপে দিন না। এখানে লেখা আছে রামকৃষ্ণ সাহা লেনে আপনাদের কি একটা যেন আছে? শুনলাম আপনারা আরও একটা কেস করেছেন। আরও কেস করে যান কারণ আপনাদের অফুরন্ত টাকা! কেস করে চলেছেন কেন, এটা বলতে যে এখনও কেস চলছে।

  36. asok kumar das 25 March 2015 at 12:36 PM #

    Probirbabuke apnara gurur asone bosiye diyechen. Probirbabur voktora Gurubabader sathe Probirbabuke akasone bosachchen. Tai apnara gurur somalochona, ba gurunindake pap gyan korchen. Eta muktochintar poriponthi. Muktochinter artho ei noy je muktochinter andoloner netake bina torke mene nebo, jeta gurubadider voktora kore thake. Muktochintar andolon tokhon e sofol hobe, jokhon amra monke mukto kore swadhinvabe chinta kore probirbabur adarshake samman korte parbo. Asun, rastar koloho noy, ei websiter monchoke bitorker sovagrihe porinoto kori.
    Asokdas Charbak

  37. arindam2006a 25 March 2015 at 5:08 PM #

    পঙ্কজ,
    ওই ‘ক্রিমিনাল প্রবীর ঘশ’-কে চিনে নিন মার্কা লিফলেট ওরা বিলি করে চলেছে প্রায় ১৯ বছর ধরে। ওই সব হ্যান্ডবিল এখন প্রায় ‘গুপ্তরোগের সুপ্ত্র চিকিৎসা’ স্তরে চলে গেছে, যেগুলো মুলতঃ গন-শৌচালয়ের দেওয়ালে লাগানো থাকে। তা এত বড় ক্রিমিনাল জেলের বাইরে কেন? ওনারা তো ১৩ তা কেস করেছিলেন, সিটি সিভিল কোর্ট, ব্যারাকপুর,হাওড়া ইত্যাদি কোর্ট এ। সেই সব কোর্টের রায় কার পক্ষে গেল? ওনারা যে রেজিস্ট্রেশন নং ব্যাবহার করেন, তার গত ১০ বছরের অন্তত একটা রিনিউয়ালের রশিদ দেখাতে পারবেন? কিছুতেই পারবেন না। যারা সত্যি করে সত্যি টা জানতে ইচ্ছুক, তারা অনায়াসে জানতে পারেন। কেস করে পালিয়ে গিয়ে, সব মামলা হেরে “হারাধন” হয়ে গিয়েও, এদের “মরশুমি ল্যাজ নাড়া” গেল না! এরা আর কোনো প্রতিক্রিয়ার-ও যোগ্য নয়!

  38. arindam 25 March 2015 at 5:10 PM #

    পঙ্কজ,
    ওই ‘ক্রিমিনাল প্রবীর ঘশ’-কে চিনে নিন মার্কা লিফলেট ওরা বিলি করে চলেছে প্রায় ১৯ বছর ধরে। ওই সব হ্যান্ডবিল এখন প্রায় ‘গুপ্তরোগের সুপ্ত্র চিকিৎসা’ স্তরে চলে গেছে, যেগুলো মুলতঃ গন-শৌচালয়ের দেওয়ালে লাগানো থাকে। তা এত বড় ক্রিমিনাল জেলের বাইরে কেন? ওনারা তো ১৩ তা কেস করেছিলেন, সিটি সিভিল কোর্ট, ব্যারাকপুর,হাওড়া ইত্যাদি কোর্ট এ। সেই সব কোর্টের রায় কার পক্ষে গেল? ওনারা যে রেজিস্ট্রেশন নং ব্যাবহার করেন, তার গত ১০ বছরের অন্তত একটা রিনিউয়ালের রশিদ দেখাতে পারবেন? কিছুতেই পারবেন না। যারা সত্যি করে সত্যি টা জানতে ইচ্ছুক, তারা অনায়াসে জানতে পারেন। কেস করে পালিয়ে গিয়ে, সব মামলা হেরে “হারাধন” হয়ে গিয়েও, এদের “মরশুমি ল্যাজ নাড়া” গেল না! এরা আর কোনো প্রতিক্রিয়ার-ও যোগ্য নয়!

    অরিন্দম


Leave a Reply