স্বাগত আর হতাশাও — প্রসঙ্গ শর্তসাপেক্ষে অস্ত্রবিরতি জঙ্গলে

[সুমিত চৌধুরীর লেখার অংশবিশেষ ]

আমরা সবাই চাই আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত সমস্যার সমাধান হোক। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরে আসুক। এটা কিন্তু নতুন কিছু নয়। এর আগেও …

২০০৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ৭২ ঘটার জন্যে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঠিক চার দিন পর ২২ ফেব্রুয়ারী মাওবাদী নেতা কিষেণজি ৭২ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সেদিনই লালমোহন টুডুকে হত্যা করা হয়েছিল। …

পরবর্তীকালে আমরা দেখেছি শান্তিপ্রস্তাব নিয়ে পাঠানো হয়েছিল স্বামী অগ্নিবেশকে। কিন্তু ফল কী হয়েছিল? আলোচনার প্রস্তুতি চলাকালীনই হত্যা করা হয়েছিল আজাদকে। …

এই ঘটনাগুলিই প্রশ্ন তোলে, মাও অধ্যুষিত রাজ্যগুলির সরকার কি তাহলে আদৌ শান্তি চায়? ভারত রাষ্ট্র কি আদৌ শান্তি চায়? নাকি, এদের আসল উদ্দ্যেশ্য হল, শান্তি প্রক্রিয়ার আহবান করে মাওবাদীদের ঘাঁটিগুলির হদিশ পাওয়া এবং তারপর সেগুলিকে নির্মূল করা। লালমোহন টুডু কি মাওবাদী ছিলেন? ছিলেন না। …

( পু্রো লেখাটি পাবেন ৫ অক্টোবর, ‘একদিন’ পত্রিকায়)

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

One Response to “স্বাগত আর হতাশাও — প্রসঙ্গ শর্তসাপেক্ষে অস্ত্রবিরতি জঙ্গলে”

  1. biplab das 11 October 2011 at 12:15 AM #

    sumit choudhurir r khub bhalo monobyo. puro lekhati pele bhalo lagto. jai hok mone hoi sobai lekhati jogar kore pore neben…..


Leave a Reply