Current Issue of Yuktibadi Magazine
Why do we need Cashless Society???
Why Leftism is not a philosophy???
Details of Passive Euthanasia.
Current political status of WB…..and so on.
Please read the magazine and update yourself. If possible leave your valuable comment.
CLICK HERE TO DOWNLOAD Amra Yuktibadi- November 2011 issue (330)Related posts:
- Latest Issue of Yuktibadi Magazine
- Here is current issue of Aamra Yuktibadi – November 2009
- Here is current issue of Aamra Yuktibadi – August 2009
10 Responses to “Current Issue of Yuktibadi Magazine”
Leave a Reply





Please link to this page



oh grt… we r waiting for this moment.
a very good one.
Well done. But a humble request, rectify it- Click here to download ‘Amra Yuktibadi’, not ‘Amar Yuktibadi’.
I am waiting not for the moment but for the knowledge. I think the magazine would expand our mind. last year I had purchased a Amara Yuktibadi magazine from kolkata book fair.The magazine content very good subject of critical and reflective article.
Daarun
splendid.if any one want to know more about vidyasagar she must read sunil ganguli’s sei somai.go ahead srai……
এবারের পত্রিকার সম্পাদকীয়টা অসম্ভব ভালো হয়েছে। সম্পাদককে আমার অভিনন্দন। পুরোটা পড়তে পারিনি। পোড়ে জানাব।
asadharon!!
পত্রিকার হেমন্ত সংখ্যার পুরোটিই পড়লাম। অসাধারণ একটি ভুমিকা দিয়ে শুরু হয়েছে। প্রিয় প্রধান সম্পাদক, এই ভুমিকাটি যে কোনো সময় বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত কোনো বইয়ের বিশেষ ভুমিকা হতে পারে। অন্যবারের যুক্তিবাদী ভুমিকার মত এটিও স্বমহিমায় উজ্জ্বল। বিশেষ করে মনে পড়ে যাচ্ছে জ্যোতি বসু মৃত্যুর পরের যুক্তিবাদী পত্রিকার সংখ্যাটির কথা। সেসময় জ্যোতিবসুর চরমতম শুত্রু পত্রিকা গোষ্ঠীও লিখছে তিনি কতই না মহান ব্যাক্তি ছিলেন। আমাদের পত্রিকার সম্পাদকীয়তেই ফুটে উঠল প্লাস- মাইনাস জ্যোতি বসু।
আনন্দবাজার পত্রিকায় “কি হবে তথ্য দিয়ে”- একটি খুবই ভালো এবং সংবেদনশীল লেখা ছিল। সেটিকে এবারের পত্রিকায় রিপোর্ট হিসেবে রাখা হয়েছে দেখে খুবই ভাল লাগল। সুমিত্রা পদ্মনাভনের “অর্থ কে বাদ দিলে সমাজটি কেমন হবে?” ভাল। তবে কিনা এই বিশদ ব্যাপার টুকু অতিসংক্ষেপণে কেমন যেন অপূর্ণ অপূর্ণ লাগছে। তাছাড়া এই প্রবন্ধটির শেষে হট্ট মেলার দেশ বইটি সম্বন্ধে আলোচনায় লেখা আছে যে, “ ১ % অতি ধনী ৯৯% গরিব। এই তথ্যটিও কেমন যেন সরলীকরন বলে মনে হয়। কোথাও যেন জার্ক করছে বলে মনে হয়। সুমিত্রাদিরই পরবর্তী প্রবন্ধ “বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ধ্বস” অসম্ভব ভাল লেগেছে। আমাদের যেসব পাঠক বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে খোঁজখবর রাখেননা তারা যেমন জানতে পারবেন সত্যিই কী হচ্ছে? তেমনি যারা বিস্তর খোঁজখবর রাখেন তারা তাদের ধারণাগুলো যুক্তিবাদী ফিল্টারে পরিস্রুত করে নিতে পারবেন। প্রবীর ঘোষের “বামপন্থা কি দর্শন?” প্রবন্ধটি পড়ে আমার মত অসংখ্য পাঠক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবেন যে কখন মূল বইটি বাজারে বেরোবে। সোভিয়েতের বলশেভিক পার্টিও বেআইনি পথেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসেছিল, কেন বসেছিল, তার সম্পুর্ণ তথ্য এবং বিশ্লেষণ – আমার মত বহু পাঠক জানতেন না হলফ করে বলা যায়। যেখানে টেলারেই এই, সেখানে সিনেমাটি কি হবে ভাবলেই গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। সন্তোষ শর্মার “পরোক্ষ স্বেচ্ছামৃত্যু…” দারুন লেখা- তথ্য, বিশ্লেষণ এবং সংবেদনশীলতায়। এছাড়া বিশেষ প্রবন্ধ রূপে ঠাঁই পাওয়া দুটি প্রবন্ধ “……সালওয়া জুডুম……” এবং “ ওপরে ওঠার আগে”- দারুন লেখা। মন্তব্য করার পরিভাষা নেই। রঞ্জিত শুরের “জনৈক ইউএপিয়ে বন্দির মৃত্যু……” আর একটি ভালো সংকলণ। ইউএপিএ আইন লাগু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই আমাদের পত্রিকা এই আইনের বিপক্ষে। সেই প্রতিবাদের ভাষাতে আর একটি সংযোজন এই প্রবন্ধটি। সুমিত্রাদির বিদ্যাসাগর নিয়ে খুব ভালো একটি প্রবন্ধ “ ঈশ্বরবাবু ”- আবার অজানা অ্যাঙ্গেল থেকে আমাদের ভাবায়।
রবীন্দ্রনাথে নামে ছুটি নিয়ে আমার একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে দেখে বেশ ভালো লাগলো। এই প্রবন্ধটি প্রাথমিকভাবে রবীন্দ্র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত একটি সরকারী অনুষ্ঠানে ভাষণ দেবার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল। পরবর্তীকালে বিভিন্ন পত্রিকায় চিঠিপত্র কলামে পাঠানো হয়। আমার পরবর্তী প্রবন্ধ “প্রসংগ প্রবীর ঘোষ” বছর কয়েক আগে যুক্তিবাদী পত্রিকা দপ্তরে দিয়েছিলাম। আজ এক মোক্ষম এবং উপযুক্ত সময়ে সম্পাদক এটিকে প্রকাশ করলেন বলে বেশ ভাল লাগছে। তবে কিনা, এত দিন আগের লেখা তো, তাই বছর- মাস-সময় ইত্যাদি বিষয়গুলো একটু এডিট করে নিলে ভালো হত। “বিমুর্ত চিন্তন” ফিচারটি অনুবাদ করেছেন সুমন দাঁ। ঝরঝরে বাংলায় ভাল অনুবাদ। তবে এখানে মুল লেখকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতির প্রয়োজন ছিল। “ঝিটকার জঙ্গলে মাইন রহস্য”- একটি ধামাকা লেখা। এরকম লেখা যেকোনো পত্রিকারই সম্পদ। লেখক শঙ্কর ভড়ের কাছ থেকে এরকম লেখা আরো পাওয়া যাবে, পাঠকেরা আশায় বসে থাকবেন। একদম শেষে সঞ্জয় মুখার্জীর চিঠিটির পরে একটি সম্পাদকীয় জবাব থাকলে ভাল হত।
সবে মিলে এবারের আমরা যুক্তিবাদী সংখ্যাটি আগের অন্যান্য বারের মতই উজ্জ্বল-পরিচয়ে, স্বাতন্ত্র্যতায় এবং গৌরবে। এর পরের কাজ হচ্ছে এই সংখ্যাটির ইন্টারনেট সংস্করণটি যত বেশী সংখ্যক বন্ধুর কাছে যেতে পারে তার ব্যবস্থা করা এবং এর প্রিন্ট সংস্করণটি যেটি ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গেছে, সেটিকে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কাছে যাতে পৌঁছে যায় সেদিকে নজর দেওয়া। আসুন সকলে মিলে কাজে হাত লাগাই।
Osadharon!!!