Experiments with the education system-are students being treated as guinea pigs?

From Anandabazar-13.07.11

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

10 Responses to “Experiments with the education system-are students being treated as guinea pigs?”

  1. APURBA 13 July 2011 at 11:02 PM #

    bangla je lekhagulo patrika theke tola hoyeche segulo mobile eto choto dekhache je para jai na.er ki kono solution nei?

  2. নীল / নীল ধ্রুবতারা 14 July 2011 at 12:06 AM #

    হা হা হা হা হা হা হা হা হাসি পায় শিক্ষার হাল দেখে আবার কস্ট
    ও হয় ছোট ছোট শিশুদের দেখে।শিক্ষা গ্রহন করতে এসে বলির পাঠা হয়ে যাচ্ছে।আসলে আমাদের দেশে এখনও পূর্ণাঙ্গ কোনো শিক্ষানীতি নেই বা শিক্ষা-সম্পর্কিত কোনো গাইডলাইন নেই, তাই যখন যার কাছে যেটা ভালো বা সুবিধার মনে হচ্ছে, তিনি সেটাই তখন চাপিয়ে দিতে চাইছেন।তারা বিভিন্ন প্রদ্ধতি প্রয়োগ করে দেখছেন কোন প্রদ্ধতি কাজ করে।তারা এতোটাই কনফিউজড যে, কোন প্রদ্ধতি ভালো তারা নিজেরাই বুঝতে পারছে না।প্রাথমিক স্তরের জন্য সিদ্ধান্তগ্রহণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।এদের আবার ডিরেক্টরেট অব প্রাইমারি এডুকেশন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর ইত্যাদি বিভিন্ন ভাগ আছে।ফলে এই প্রাথমিক স্তরের শিক্ষাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে একাধিক কর্তৃপক্ষ দ্বারা।একটি জেলা বা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার আনুষ্ঠানিক দিক নিয়ন্ত্রণ করছেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী কর্মকর্তারা।সেখানেও ভাগ আছে। এই কর্মকর্তারা শুধু প্রশাসনিক দিক নিয়ন্ত্রণ করেন।ট্রেনিং বা অ্যাকাডেমিক দিকগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর।অন্যদিকে উপানুষ্ঠানিক বিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকেন সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্মকর্তা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর।মাধ্যমিক স্তরের জন্য শিক্ষা-নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে দায়িত্বে আছেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং কলেজ পর্যায়ের জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কমিশন রয়েছে।এখন আবার বিশ্ববিদ্যালয়কেও ভাগ করে স্ট্রেট উনিভার্সিটি গড়ে তলা হয়েছে।তো, প্রতিটি কর্তৃপক্ষই নিজ নিজ সেক্টরের জন্য কাজ করে এবং একজনের কাজ অন্য সেক্টর বা স্তরের উপর কতোটা প্রভাববিস্তার করে সে বিষয়ে কারও কোনো চিন্তা বা মাথাব্যথা নেই।ফলে প্রতিটি পর্যায়ের শীর্ষ কর্তৃপক্ষ যখন যে বিষয়টি চালু করতে চান, সেটি অন্য পর্যায় বা স্তরে কী প্রভাব ফেলবে, আদৌ কোনো প্রভাব ফেলবে কিনা বা শিক্ষার বর্তমান বাস্তবতায় সেটি চালু করা উচিত না, সেগুলো নিয়ে ভাববার অবকাশ পান না বা ভাবার প্রয়োজন বোধ করেন না।ধারণাগতভাবে Communicative English একটি বিশেষ প্রয়োজনীয় বিষয়।কিন্তু কোন পর্যায় থেকে সেটি শুরু করা উচিত কখন শেষ করা উচিত এর সাথে গ্রামারের পার্থক্য কোথায় কোন পর্যায়ে সেগুলোকে প্র য়োগ করা উচিত তা নিয়ে কোনো গবেষণা হয় নি।নীতিনির্ধারণী মহলে যারা আছেন তারা যে পর্যায়ে চালু করলে ভালো হবে বলে মনে করেছেন হুট করে সেই পর্যায়েই চালু করে ফেলেছেন।উঠলো বাই তো কটক যাই।প্রত্যেকটি সরকারেরই উদ্দেশ্য থাকে তার সময়ে ভালো পড়ালেখা হয়েছে সেটা দেখানো।এর জন্য পাঁঠা হিসেবে বেছে নেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের।চতুর্থ থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে উঠার সময় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনেক সময় খুব দুর্বল শিক্ষার্থীদের উঠতে দেয় না পঞ্চম শ্রেণীর দুর্বল শিক্ষার্থীদের প্রতি নজর দেওয়া হয় না ইত্যাদি অনেক অসঙ্গতি রয়েছে।আসলে শুধু শিক্ষার্থীকেই গিনিপগ করা হয় না আমাদের পুরো শিক্ষাব্যবস্থাটাই আসলে একটা গিনিপিগ।যে যখন যেটা শুনে আসছে দেখে আসছে সেটাই প্রয়োগ করার চেষ্টা করছে।উন্নত দেশের শিক্ষার প্রতি আমাদের একটা মোহ আসছে পারিপার্শ্বিকতা না মিললেও সেটা প্রয়োগ করার যে প্রচেষ্টা সেটাই আসলে আমাদের অজান্তে আমাদের গিনিপিগ বানিয়ে রেখেছে।।।

  3. A K Bairagi 14 July 2011 at 8:12 AM #

    ধন্যবাদ ‘ আনন্দবাজার’ কে। অসাধারণ একটি আর্টিকেলের জন্য।

    সত্যি ছোট ছোট বাচ্চারা যেন গিনিপিগ, পরীক্ষা করার বস্তু।

    শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর শুভবুদ্ধি সম্পর্কে সন্দেহ দেখা দিচ্ছে। উনিকি যুক্তি বুদ্ধির কোন ধার ধারেন না?

  4. নীল / নীল ধ্রুবতারা 14 July 2011 at 10:04 PM #

    উনি একজন প্রফেসর হয় কিভাবে এসব সিদ্ধান্ত নেন বুঝে পাইনা।উনি কি আদৌ মনে প্রানে শিক্ষক!!!

  5. Dwijapada Bouri 15 July 2011 at 12:23 PM #

    Pratyek Rajai chai j tader projagon jeno kono din Rajader biruddhe Bidroho ghoshona kore tader kache Banchanar koifiot chaite na pare, samasto rakamer shoshon-banchanake jeno bhagyer parihas bolei mene niye matha nato kore thake, Kramosho manush theke buke hanta sarisrip-e porinoto hoye jai. R ei kajta hasil korar jonnyo ekta chhotto chalei jothesto, seta holo sadharon manusher poribarer chhele-meyeder k “SHIKSHA” namok dharalo astroti tader hate na tule deoa. Ekta jati satta-k dhangsho korar jonnyo attom bomb na fatiye taderk koushale “SHIKSHA” theke bonchito korte parle sei jati-satta r konodin matha unchu kore darate parbe na. gorib manush-der k “DASOTTO” karanor jonnyo er chaite r baro astro kichu nei, eta samosto rajai jane. Balun..”JAI HO RAJA….MAHARAJ KI JAI”.

  6. Gablu 17 July 2011 at 7:04 PM #

    LF Govt Banglar education k comma te pathiechilo,
    pass-fail tule dile TMC tar funeral tao complete kore debe.

  7. suyoy chanda 21 July 2011 at 7:36 PM #

    many many thanks to anandabazar

  8. Bipu 22 July 2011 at 12:03 PM #

    Bachha ra pariksha dite bhai pai bole pass-fail tule deo uchit…kisundar ku-jukti

  9. Madhusudan Mahato 28 July 2011 at 3:43 PM #

    Darun article. Thanks ABP

  10. KAUSIK SARKAR 30 July 2011 at 6:21 PM #

    Osadharon!


Leave a Reply