Good News for Euthanasia Enthusiasts

By Sumitra Padmanabhan

পৃথিবী জুড়ে স্বেচ্ছামৃত্যু-র স্বপক্ষে কাজ কিন্তু থেমে নেই। সম্প্রতি একটা বই হাতে এল –“ Final Exit”    [ শেষ নির্গমন]। অনবদ্য কাজ। এতে ইউথানেশিয়া-র স্বপক্ষে শুধু সওয়াল-ই করা হয়নি, সফল ভাবে মৃত্যুবরণ করে নেওয়ার নানান উপায়ও বাতলে দেওয়া হয়েছে। সেই যে ‘হেমলক সোসাইটি’ নামে বাংলা ছায়াছবিতে স্লোগান ছিল ‘মরবে মরো, ছড়িও না’—সেটা মনে পড়ে গেল।

এই বইএর লেখক Derek Humphry-রও মত যে, আইনী হলে আত্মহত্যার ঘটনা কমবে। লোকে তাড়াহুড়ো করে অদ্ভূত উপায়ে মৃত্যুবরণ করবেনা, বা করতে চেষ্টা করবেনা।

Many people have seen their parents through a grim deathwatch and do not wish to repeat it for themselves. It is not uncommon for such people to look back on their lives, count their blessings and proceed to end their existence.The tragedy is that if there were lawful, planned, medical euthanasia  available they could have lived many months longer. But so long as America [read India, and many other countries throughout the world] remains in the “do it yourself” mode, these early suicides are bound to continue. [ page: 105]

অনেকেই নিজেদের গুরুজনদের শেষ দিনগুলির— মৃত্যুশয্যায় নিজেদের মা-বাবা দের কষ্টকর প্রলম্বিত অস্তিত্বের সাক্ষী থেকেছেন। স্বাভাবিক ভাবেই তারা চাইবেননা নিজেদের শেষ দিনগুলি সেইরকম হোক। তারা সময়মত জীবনে-‘যা দেখেছি, যা পেয়েছি তুলনা তার নাই’ –এই গান গেয়ে শেষ বিদায় সুন্দর ভাবে নিতে চাইবেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় যতদিন আমাদের দেশে স্বেচ্ছামৃত্যু আইনী না হচ্ছে—আইন অনুমোদিত, পরিকল্পিত, ডাক্তারী সাহায্যপ্রাপ্ত মৃত্যুবরণ সম্ভব না হচ্ছে, “নিজে কর” প্রথা চলছে, ততদিন এই তড়িঘড়ি অসময়ে আত্মহত্যা হতেই থাকবে।আইনী হলে তারা স্বেচ্ছায় আরও কিছুদিন বাঁচতে পারতেন।  [পৃ-১০৫]

কি দারুণ যুক্তি!

Ideas recently developed in North America aim to allow terminally ill persons painlessly and legally to end their suffering by inhaling inert gases. Drugs or medications may not be necessary, and the apparatus is simple and nonmedical.

The new ways of ending one’s life were first revealed at a remarkable conference in Seattle, Washington in November of 1999, held by the Self deliverance New Technology Group (NuTech), comprising right-to-die organizations in the USA, Australia, Canada, France and Germany. The Hemlock Society*, for example, sent five top officers to the conference.

For decades, believers in voluntary euthanasia have talked about devices for ending a painful life with inert gases or diving equipment. Drugs other than barbiturates are virtually useless for assisted suicide…

Throughout the Western world, governments have tightened restrictions on the sale of any drug containing narcotics or barbiturates. Law reform for assisted dying has been rebuffed by parliaments and courts in Britain, Canada and Australia. Only the Netherlands, Belgium and Switzerland permit assisted suicide. The Dutch law excludes visitors to the country but the Swiss law does not.  [Pages: 130-131]

*[The Hemlock Society USA was a national right-to-die organization founded in Santa Monica, California by Derek Humphry in 1980]

সম্প্রতি উত্তর আমেরিকায় একটা নতুন ভাবনা উঠে এসেছে— নিস্ক্রীয় গ্যাস প্রয়োগ করে যন্ত্রণাহীন ও আইনী ভাবে মৃত্যুপথযাত্রীর মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করা। ১৯৯৯ নভেম্বরে ওয়াশিংটন-এর সিয়াটল এ একটি অভিনব কনফারেন্স হয় (NuTech) যাতে বিভিন্ন দেশ থেকে স্বেচ্ছামৃত্যুর প্রবক্তা সংস্থা অংশগ্রহণ করে। আমেরিকার *হেমলক সোসাইটিও পাঁচজন উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি পাঠায়।

অনেকদিন ধরেই নিস্ক্রীয় গ্যাস এবং ডুবুরীদের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে মৃত্যু  ঘটানোর কথা ভাবা হচ্ছিল। এতে কোন ইঞ্জেকশান বা ওষুধ প্রয়োগ করতে হবেনা। অর্থাৎ ডাক্তারের সহায়তা লাগবে না। [আমরা জানি ডঃ কেভোরকিয়ান খুনের দায়ে আট বছর জেল খেটেছেন] বারবিচুরেট ছাড়া অন্য ঘুমের ওষুধে প্রায় কোন কাজই হয়না।…

পাশ্চাত্যের সব দেশেই এখন বারবিচুরেট জাতীয় ওষুধ বা ড্রাগ-এর বিক্রীর ওপর কড়া বিধিনিশেধ চালু রয়েছে।ব্রিটেন, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্ট ও আদালত স্বেচ্ছামৃত্যু-কে আইনী করার সবরকম প্রচেষ্টায় পুরো জল ঢেলে দিয়েছে। শুধুমাত্র নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম ও সুইজারল্যান্ড-এ স্বেচ্ছামৃত্যু আইনী অনুমোদন পেয়েছে।নেদারল্যান্ডস বহিরাগত অতিথিকে এই অধিকার দেয় না। কিন্তু সুইজারল্যান্ড-এ এরকম কোন বাধা নেই। [পৃ-১৩০-১৩১]

*[The Hemlock Society USA was a national right-to-die organization founded in Santa Monica, California by Derek Humphry in 1980]

এখন দেখি আমরা কী করতে পারি—

১)আমাদের দেশে মৃত্যুপথযাত্রীর প্রাণদায়ী যন্ত্রপাতি খুলে নেওয়া যায় বন্ড সই করে। চেনাশোনা বা ভদ্রলোক ডাক্তার হলে—যিনি সত্যিই নিকটাত্মীয়দের মনের অবস্থার প্রতি সহানুভুতিশীল হবেন, তিনি অবশ্যই সাহায্য করবেন।এ তো গেল রোগীর অজান্তে ঘটানো মৃত্যু। এটা হয়ে থাকে রোগী কোমায় চলে গেলে।

২)আর যখন রোগী অতিবৃদ্ধ বা অতি অসুস্থ, কিন্তু সেরে ওঠার সম্ভাবনা কম, তখন যদি তিনি বাড়ি যাওয়ার জন্যে অস্থির হয়ে ওঠেন, তখন তাঁকে বন্ড সই করে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। এটা রোগীর মানসিক শান্তির জন্যে ভালোই হতে পারে। তাই নার্সিং হোম বা ডাক্তারের চাপ অগ্রাহ্য করার অধিকার নিকটজন হিসাবে আপনার আছে।ভয় দেখিয়ে ব্ল্যাক মেলিং এর সুযোগ দেবেন না। ভয় পাবেন না। মনে রাখবেন এই সময় রোগীর মন ভাল রাখা, পারলে আরো কটা দিন আনন্দ করা –অন্তত নিকটজনকে কাছে পাওয়া অবশ্যই বেশি জরুরি, ও মানবিক, হাসপাতালে একা আরো কটা দিন শুয়ে থাকার চেয়ে।

লোক দেখানোর জন্যে দামী হাসপাতালে অযথা ফেলে রাখা হয় অনেক সময়—বিশেষ করে ছেলে মেয়েরা দূরে ও কাজে ব্যাস্ত টাইপ হলে। এই সময় রোগীর নিজের ইচ্ছেকে গুরুত্ব দেওয়া নিকটজনের মানবিক কর্তব্য। অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা একা একা নিজের মত করে থাকতে পছন্দ করেন। তাঁদের উতসাহিত করুন।

৩)মনে রাখবেন চিকিতসা না করানোর, বা বন্ধ করে দেওয়ার অধিকারও রোগীর অধিকারের মধ্যে পড়ে।

সম্প্রতি ‘এপোলো গ্লেনইগলস হসপিটাল’ এর দেওয়ালে লাগানো মস্ত বড় নোটিশ বোর্ড দেখে ফটো তুলে এনেছি। বিশ্বাস না হয় পড়ে দেখুন।

[এপোলো গ্লেনিগলস হাসপাতালের দেওয়ালে বিশালকায় নোটিশ। এতে রোগীদের অধিকার সম্পর্কে জানানো হয়েছে]

শেষ দুটি পয়েন্ট লক্ষ্য করুন।

  • রোগীর চিকিতসা প্রত্যাখ্যান করা বা মাঝপথে থামিয়ে দেওয়ার অধিকার।
  • রোগীর প্রাণদায়ী চিকিতসা সম্মান ও সহানুভূতির সঙ্গে বন্ধ করে দেওয়ার অধিকার।

এই অধিকারগুলো প্রয়োগের মধ্যে দিয়ে আমরা শেষ জীবনে অনাবশ্যক কষ্ট থেকে নিজেরা বাঁচতে ও অপরকে বাঁচাতে পারি। যতদিন না স্বেচ্ছামৃত্যু আইনি হচ্ছে এ ছাড়া উপায় নেই। আদালতের অনুমোদন পাওয়ার জন্য বিষয় টা নিয়ে বার বার আলোচনার প্রয়োজন। শেষ কথা—মৃত্যুকে একটা স্বাভাবিক প্রাকৃতিক ঘটনা—যে প্রকৃতির আমরা অংশ— হিসাবে দেখতে হবে।জীবন কে লম্বা না করে সুন্দর করার কথা বিশ্বাস করতে হবে।

========================================================

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

6 Responses to “Good News for Euthanasia Enthusiasts”

  1. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    sumitra 2 November 2012 at 10:37 AM #

    দ্বিতীয় লাইন এ পড়ুন– এই বই তে স্বেচ্ছামৃত্যুর স্বপক্ষে শুধু সওয়ালই করা হয়নি…

  2. biplab das 2 November 2012 at 10:30 PM #

    osadharon bhalo boi nischoi….. aro bhalo tar reveiw……….amra editor er kach theke erokom aro notun notun idea r lekha chai…

  3. A K Bairagi 4 November 2012 at 8:22 PM #

    nice article. thanks srai. sechha mrityu niye ekta choti boi likhbo ichha ache. aj ami nije bikri korbo.

  4. Dwijapada Bouri 5 November 2012 at 12:54 PM #

    Nice Article……..

  5. sujoy chanda 7 November 2012 at 8:08 PM #

    excellent article!!

  6. mrinal 8 November 2012 at 11:02 PM #

    govt to nijer desher manush ke ain ebong ain -er fank diye du bhabei khun kore.nijera_o durnitite kobore dhuke achhe. ei poristhitite jontrona theke mukti chaiche jara tader ke_o morte debena. patient_er treatment-er responsibility nite parena kintu mrityupathajatri ke morar permission dile babuder prestige dhile hoye jay.


Leave a Reply