Gurung Puts Trust Before Posture
Related posts:
- WAKE-UP CALL : IN NAXAL LAND GOVT FACES TRUST DEFICIT
- Gopalkrishna Gandhi, the former governor of West bengal wrote
- World Bank includes Kashmir clause
9 Responses to “Gurung Puts Trust Before Posture”
Leave a Reply


Please link to this page



গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (জিজেএম) ভারতের একটি নথিবদ্ধ রাজনৈতিক দল। এই দল পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চল ও ডুয়ার্স নিয়ে পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গঠনের দাবি জানিয়ে আসছে। ২০০৭ সালের ৭ অক্টোবর এই দল প্রতিষ্ঠিত হয়।দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা বিমল গুরুং দার্জিলিংকে ষষ্ঠ তফসিলভুক্ত করার বিরোধিতা করে গোর্খা ন্যাশানাল লিবারেশন ফ্রন্ট নেতা সুবাস ঘিসিঙের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। এই বিবাদের ফলে তিনি দল ভেঙে ২০০৭ সালের ৭ অক্টোবর পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে জিজেএম প্রতিষ্ঠা করেন।গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবিতে ১৯৮০-এর দশকে দার্জিলিং পার্বত্য অঞ্চলে হিংসাত্মক আন্দোলন হয়। কিন্তু জিজেএম অহিংস আন্দোলন চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথম দিকে তারা বনধ, অনশন ধর্মঘট ও পরিষেবা বিল না দিয়ে আন্দোলন চালাতে থাকে। রাজ্য সরকার এরপর তাঁদের আলোচনার জন্য ডাকেন। কিন্তু রাজ্য সরকার গোর্খাল্যান্ডের দাবি মেনে না নেওয়ায়, আলোচনা ভেস্তে যায়। ২৩ বছর আগে, ১৯৮৮ সালে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গাঁধীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গোর্খাল্যান্ড স্বশাসিত পরিষদ চুক্তি করা হয়েছিল। তখনকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বুটা সিংহ এবং জ্যোতি বসু। আর চুক্তিতে সই করেছিলেন সেই সময়কার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব সি জি সোমাইয়া রাজ্যের মুখ্যসচিব রথীন সেনগুপ্ত এবং তদানীন্তন জিএনএলএফ প্রধান সুবাস ঘিসিং।সোমবার দুপুর ৩টে ৪০ মিনিটে স্বাক্ষরিত হল নয়া পাহাড় চুক্তি। কেন্দ্র, রাজ্য সরকার এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা- সুকনার পিনটেল ভিলেজে তিন পক্ষের মেলবন্ধনে রচিত হল পাহাড়ের নয়া ইতিহাস। সাক্ষী থাকলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিমল গুরুং,কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের যুগ্মসচিব কে কে পাঠক রাজ্যের তরফে স্বরাষ্ট্রসচিব জ্ঞানদত্ত গৌতম ও মোর্চার তরফে রোশন গিরি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষরের আগে বক্তৃতা দিতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন বাংলা ভাগ হচ্ছে না। দার্জিলিং পশ্চিম বাংলার হৃদয়। তা বাংলার মধ্যেই থাকবে।কিন্তু ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানে গত সোমবার ত্রিপক্ষীয় চুক্তি সইয়ের পরও পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্যের দাবি থেকে সরে আসেনি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা।চুক্তি সইয়ের পরপরই গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং বলেন, পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গড়ার দাবি থেকে তাঁরা সরছেন না। এটাই তাঁদের লক্ষ্য বলে দাবী করেছে।দার্জিলিং-এর পাহাড়ে শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগনো গেল৷ সাক্ষরিত হল গোর্খাল্যান্ড আঞ্চলিক প্রশাসন গঠনের ত্রিপাক্ষিক চুক্তি৷পশ্চিমবঙ্গ সরকার, কেন্দ্রীয় সরকার এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার মধ্যে স্বাক্ষর হল ত্রিপাক্ষিক চুক্তি যা গোর্খাল্যান্ড আঞ্চলিক প্রশাসন গঠনের পথ প্রশস্ত করল৷মুখ্যমন্ত্রী প্রস্তাবনা অনুযাই দু মাসের মধ্যে এই আঞ্চলিক প্রশাসনের নির্বাচন হবে৷ সরকার মনোনীত প্রতিনিধি থাকবেন পাঁচ জন, বাকি ৪৫জনকে নির্বাচিত করবেন স্থানীয় মানুষ৷ পাহাড়ের জন্য এক বড় অংকের আর্থিক সাহায্য দেবে কেন্দ্র যা খরচ হবে এক গুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্পে৷পাহাড় মুখ্যমন্ত্রীর উপর পুর্ন আস্থা রেখেছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের জন্য এগিয়ে আসুক উন্নতির প্রতিক হয়ে এই আশা রাখছি।তবে পৃথক গোর্খাল্যান্ড রাজ্য গড়ার দাবি থেকে তাঁরা যে সরছেন না সেটাও আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।পশ্চিমবঙ্গ-এর মানুষ তথা পাহাড়ী দের জন্য আমার তরফ থেকে রইল অভিনন্দন।
ধ্যনবাদ।
@ মিঃ নীল……… আপনার ভয়ের কোন কারণ দেখছি না। এর আগে অনেক রাজ্য ভেঙে অন্য রাজ্য হয়েছে। আমাদের রাজ্য ভেঙে চারটে রাজ্য হলেও আমাদের আমজনতার কিছু যায় আসবে না। আসল কথা হল যে উদ্দেশে ভাগ হওয়া –মানুষ গুলো ভালো থাকল কিনা সেতাই আসল। দেশ বা রাজ্য বড় কি ছোট তা দিয়ে কি যায় আসে? মানুষ গুলো যদি ভালো না থাকে? সামনেই উদাহরন রয়েছে ইউরোপ।
বড় দেশ বা রাজ্যের অধীনে থেকে শোষিত হওয়ার থেকে ছোট হয়ে স্বাধীন থাকা কি কাম্য নয়? কি বলেন নীল আপনি?
ওরা তো তাও আলাদা রাজ্য চাইছে। স্বাধীনতার ঠিক পরে পরে ওদের হয়ে আলাদা দেশ হিসাবে ‘গরখাস্থান’ দাবির পক্ষে আওয়াজ তুলেছিল অভিভক্ত সি পি এম পার্টি। তখন????????………….
uporer paper cutting e to Gurung plane land er manusder kache astha rakhar katha bole chen tai bangla bhanger katha asche ki kare? Jai hok, ei tripakhik chuktite amrai darun khusi!!!
@ বৈরাগি। একদম ঠিক বলেছেন-যে উদ্দেশে ভাগ হওয়া –মানুষ গুলো ভালো থাকল কিনা সেটাই আসল।আমার ভেবে দেখা উচিত ছিল।
agree with Mr.Bipu
@বিপু সেটা তো গুরুং ই জানে।
থ্যঙ্কস মিঃ নীল। আমাদের সবার বোঝা উচিত, দেশের মাটি নয়, দেশের মানুষই তো সব। রবীন্দ্রনাথ তো তাই বলে গেছিলেন — ‘দেশ মানে দেশের মাটি নয়, দেশের মানুষ। ‘ তাই এই একই যুক্তিতে অবিলম্বে কাশ্মীরকেও স্বাধিনতা দেওয়া উচিত।
প্রতিটি যুক্তিবাদী মানুষেরই উচিত দেশের আবেগ কাটিয়ে ওঠা। এটা বড় কষ্টকর।
Bhai NEEL DHRUBATARA. apnar bivinno comment khub i bhalo. kintu amar mone hoi gorkhaland nie amra goto koyek bochor dhore ki bhabchi… amader bhabna pahar basira kotota probhabito hochhe, prosason ki rokom probhabito hochhe seta apnar ektu jene neoa uchit. er jonno best upai holo DEYS publishing theke PRABIR DA R “SERA JUKTIBADI SANKOLON” or “GERRILA JUDDHER A TO Z THEKE AZADI” boi dutir jekono ekti kine nin…. ote dharona ta poriskar hobe…. echara apni kaj chalate ei site theke AMRA JUKTIBADI patrikar august 2008 sonkhya ti down load kore nin…. tateo besh koyekta article ache….. bhalo thakun. aro bhalo likhun.
ha biplob da pahar bisoy amar dharona kom a6e….tbuo jtuku jni tr upr likhe6i..ro jnle bprta clear hbe…km jnar jnno onk question jge6e mone jer fole ekhene ki6u question kore6i…thnx for refarence….@biplab da