Our Homage to Rabindranath Tagore at the Start of the 150th Year of His Birth

Rabindranath Tagore

Rabindranath Tagore

The next one year we will be celebrating Tagore’s 150 years with the usual songs, recitations and dramas. Why don’t we have a look at his essays for a change? What this great sage thought about the country and the state, about the education system, about religion and about freedom--are reflected in his invaluable and timeless essays. Let us try and understand the thoughts of Rabindranath Tagore. That would be the best way to show respect to this great thinker. To start, we quote below a few lines from his essay ‘Samabay Neeti’ (principles of the co operative system). “All the villages of this country should be brought up to be completely self-reliant.”... “Some people try to serve the society by giving alms, by nursing, by handing over foodgrains to the starving. It is like blowing with your mouth to put out the fire that is engulfing our villages.”... “Giving donations or alms cannot remove poverty, it only makes it permanent.”... “Our present civilization is based on a system of exploitation” “Wherever there is discrimination, a big gap between the capital and the laborers’ wages, there Democracy is bound to be hampered at every step ... It cannot be called a self reliant republic; to sufficiently empower the masses, it is necessary to bring together the strength of all the people for generating the earning capacity of the masses. Then no single person or single community will be able to hold or amass all the riches in the form of money. Instead all the result of the riches of the millionaires and billionaires will be enjoyed by everybody. The basic foundation of freedom for all people will be achieved only when many people jointly put their efforts together to form the capital.” “The co operative system is a humane system. Human beings have become human only through mutual co operation. The meaning of civilization is --the congregation of many diverse people. . . . In the absence of this system we have so much of pain, poverty, jealousy, corruption, cruelty and unrest today.” “If each farmer did not look after his own small piece of land, totally separated from the rest, if all had joined together all their plots and worked on it, tilling the land would have become easier. ...a lot of money and energy would have been saved.” “In the co operative system, their will not be much scope for crooked deals, no scope for overtaking each other in making money. Instead all will grow together. The tremendous unhealthy competition in the money-making market that we see today will come to an end. Man will meet other men as friends, as his helping hands.” “I earnestly feel, this co operative movement is the only way to save our country from poverty.”


In this context we can say that in keeping with the present time, the rationalist leader Prabir Ghosh had started planning and developing a suitable co operative system in the beginning of this century. The poorest ethnic groups of people have started implementing it in their villages. By removing the dividers between their individual plots, by plowing the land together, by making schools, roads, water reservoirs with their own resources, by creating awareness about health and against the habit of drinking—they have evolved self-reliant villages. In about a third of India’s districts, these villages of the poorest are coming up, establishing Democracy from the grass-root level. The government of India is spending crores of rupees to celebrate Tagore’s birth anniversary in a grand scale. A whole train– the ‘Sanskriti Express’ a moving museum – has been launched to exhibit Tagore’s life and work. It will travel throughout the country for a whole year. On the other hand the state is waging war against those who are implementing the co operative system in their own way, in their small hamlets. The government of India has started the Operation Green Hunt and unleashed terrible state-sponsored terrorism to crush these people, to drive them out from their own lands. This show of respect for Tagore – isn’t it a cruel farce?

(Translation:  Sumitra Padmanabhan)


রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫০ তম জন্মদিনে আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ্য

---অনিন্দ্যসুন্দর গান-কবিতা তো অনেক হল। এবার ওনার প্রবন্ধগুলোর দিকে তাকাই আসুন। রবীন্দ্রনাথ কী ভেবেছিলেন দেশ নিয়ে, রাষ্ট্র নিয়ে, শিক্ষা নিয়ে, ধর্ম নিয়ে, স্বাধীনতা নিয়ে – একটু বোঝার চেষ্টা করি। ১৫০ বছরে এটাই হোক তাঁর প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। রবীন্দ্রনাথের ‘সমবায়নীতি’ প্রবন্ধ থেকে কয়েকটি লাইন এখানে উদ্ধৃত করা হল। “দেশের সমস্ত গ্রামকে নিজের সর্বপ্রকার প্রয়োজন সাধনক্ষম করে গড়ে তুলতে হবে।” ...... “অনেকে সেবা করিয়া, উপবাসীকে অন্ন দিয়া, দরিদ্রকে ভিক্ষা দিয়া দেশের কাজ করিতে চান। গ্রাম জুড়িয়া যখন আগুন লাগিয়াছে তখন ফুঁ দিয়া আগুন নেবানোর চেষ্টা যেমন ইহাও তেমনি।” ...... “দানের দ্বারা দারিদ্র দূর না হয়ে বরঞ্চ তা পাকা হয়ে ওঠে।” “ইংরেজিতে যাকে বলে এক্‌স্‌প্লয়টেশন, অর্থাৎ শোষণনীতি, বর্তমান সভ্যতার নীতিই তাই।” “যেখানে মূলধন ও মজুরির মধ্যে অত্যন্ত ভেদ আছে সেখানে ডিমক্রাসি পদে পদে প্রতিহত হতে বাধ্য। ... একে জনসাধারনের স্বায়ত্তশাসন বলা চলে না। এইজন্যে, যথেষ্টপরিমাণ স্বাধীনতাকে সর্বসাধারণের সম্পদ করে তোলবার মূল উপায় হচ্ছে ধন-অর্জনে সর্বসাধারণের শক্তিকে সম্মিলিত করা। তা হলে ধন টাকা-আকারে কোনো একজনের বা এক সম্প্রদায়ের হাতে জমা হবে না; কিন্তু লক্ষপতি ক্রোড়পতিরা আজ ধনের যে ফল ভোগ করবার অধিকার পায় সেই ফল সকলেই ভোগ করতে পাবে। সমবায়-প্রণালীতে অনেকে আপন শক্তিকে যখন ধনে পরিণত করতে শিখবে তখনি সর্বমানবের স্বাধীনতার ভিত্তি স্থাপিত হবে।” ...... “সমবায়নীতি মনুষ্যত্বের মূলনীতি। মানুষ সহযোগিতার জোরেই মানুষ হয়েছে। সভ্যতা শব্দের অর্থই হচ্ছে মানুষের একত্র সমাবেশ। ... এই নীতির অভাবেই রাষ্ট্র ও অর্থের ক্ষেত্রে পৃথিবী জুড়ে মানুষের এত দুঃখ, এত ঈর্ষা দ্বেষ মিথ্যাচার নিষ্ঠুরতা, এত অশান্তি।” “যদি প্রত্যেক চাষা কেবল নিজের ছোটো জমিটুকুকে অন্য জমি হইতে সম্পূর্ণ আলাদা করিয়া না দেখিত, যদি সকলের জমি এক করিয়া সকলে একযোগে মিলিয়া চাষ করিত, তবে অনেক হাল কম লাগিত, ... অনেক বাজে খরচ ও বাজে পরিশ্রম বাঁচিয়া যাইত।” “সমবায়-প্রণালীতে চাতুরী কিংবা বিশেষ একটা সুযোগে পরস্পর পরস্পরকে জিতিয়া বড়ো হইতে চাহিবে না। মিলিয়া বড়ো হইবে। এই প্রণালী যখন পৃথিবীতে ছড়াইয়া যাইবে তখন রোজগারের হাটে আজ মানুষে মানুষে যে একটা ভয়ংকর রেষারেষি আছে তাহা ঘুচিয়া গিয়া এখানেও মানুষ পরস্পরের আন্তরিক সুহৃদ্‌ হইয়া, সহায় হইয়া, মিলিতে পারিবে।” “আমার কাছে মনে হয়, এই কোঅপারেটিভ-প্রণালীই আমাদের দেশকে দারিদ্র হইতে বাঁচাইবার একমাত্র উপায়।”


প্রসংগত উল্লেখ্য, বর্তমান যুগের পটভূমিতে সমবায়নীতি প্রয়োগের উপযোগী পরিকল্পনা গ্রহন করেছিলেন প্রবীর ঘোষ। এই শতকের শুরুতে। যার সার্থক প্রয়োগ করছেন ভারতের দরিদ্রতম মানুষরা। জমির আল তুলে দিয়ে একত্রে চাষ, জলসেচ প্রকল্প, রাস্তা, স্কুল, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, মদের নেশার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা – গড়ে উঠেছে স্বয়ম্ভর গ্রাম। ভারতের এক তৃতীয়াংশ অঞ্চল জুড়ে। তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে গণতন্ত্র। ভারত সরকার রবীন্দ্রনাথের ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের জন্য বিশাল খরচ করছে। আজ আস্ত একটা ট্রেন ‘সংস্কৃতি এক্সপ্রেস’ (ভ্রাম্যমান প্রদর্শশালা) উদ্বোধন হয়েছে, যা সারা বছর ধরে ঘুরবে গোটা দেশ। অপরদিকে যাঁরা সমবায়নীতির সার্থক প্রয়োগ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। ভয়ংকর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস চলছে ওই দরিদ্র মানুষদের ওপর। চলছে অপারেশন গ্রীন হান্ট। দরিদ্র মানুষদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে তাঁদের নিজ ভূমি থেকে। ভারত সরকারের রবীন্দ্রনাথ-প্রীতি লোকদেখানো নয় কি?
If you found this article interesting, please copy the code below to your website.

3 Responses to “Our Homage to Rabindranath Tagore at the Start of the 150th Year of His Birth”

  1. Profile photo of Manish Ray Chaudhuri
    GABLU 14 May 2010 at 11:45 AM #

    This is the right way to convey the regards to that person.

  2. Zaiya 2 July 2011 at 9:32 PM #

    Haha, shouldn’t you be charging for that kind of konwdlgee?!

  3. Habibul 1 March 2013 at 10:44 PM #

    We can truly pay our homage by following his ideas.

Leave a Reply