সভাপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে নীলের মন্তব্যের উত্তর দিলেন প্রবীর ঘোষ

ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে নীল সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু মন্তব্য করেছেন। সভাপতি প্রবীর ঘোষ সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর দিয়েছেন ——

ভাই নীল তোমার লেখার (https://www.facebook.com/Niloy.Neeel/posts/942628015789661?pnref=story / https://www.facebook.com/shantanu.adib/posts/947129941993920)  উত্তরে জানাই- ১) তুমি বলেছ আমাকে ফোন করেছিলে, আমি ধরিনি এবং সেটা অতি সম্প্রতি। আমি রিলায়েন্স ফোন এ বিল পে করি। তারা বিলের সঙ্গে কল লিস্ট দেয়। এবং সেই কল লিস্টে আমি কোনও ফোন ধরি বা না ধরি, যে ফোন আমার কাছে আসে এবং যায় সে সব তালিকাবদ্ধ থাকে। সেই তালিকা প্রতি মাসেই ওরা আমাকে পাঠায়। বিশেষ প্রয়োজনে চাইলেও পাঠিয়ে দেয়। আমার কল লিস্টে তোমার কোনও নাম্বার পাইনি। যদি কল লিস্টে তোমার কোনও নাম্বার দেখাতে পারো তাহলে তোমাকেই ২৫ লাখ টাকা দিয়ে দেব। ২) তোমাকে কোনও দিনই ফোন করে জানতে চাইনি যে তুমি কী লিপস্টিক মাখ? ইহাও মিথ্যা। ৩) অভিজিৎ রায়ের সাথে তুমিই প্রথম আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছ বলে জানিয়েছ, এটাও মিথ্যা। আমার সঙ্গে ওর যোগাযোগ ওর লেখক হওয়ার আগে থেকে। ও আমার বই পড়ে দ্বিধাহীনভাবে জানিয়েছেন আমি ওনার আদর্শ। আর যে বইটা আমি আনিনি সেটা উনি আগেই আমাকে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন তাই আমি ওই বইটা তোমাদের জন্য রেখে গেছিলাম ঢাকার কল্যাণের কাছে। ৪) না। আমি কোনও বিভাজন চাই নি। আমি মানুষকে চিনে নিতে বলেছি। আমি স্পষ্ট ভাষায় নরেন্দ্র দাভোলকর, গোবিন্দ পানসারে বা বাংলাদেশের অভিজিৎ রায়, হুমায়ুন আজাদের হত্যার তীব্র বিরোধিতা করেছি। অভিজিৎ রায় ছিলেন শ্রেনিহীন সমাজের বিরোধী, সাম্যের বিরোধী। ৫) কেউ কেউ ‘কুয়োর ব্যাঙ’ হয়ে মনে করেন আমরা হয়তো গডম্যানদের ভান্ডাফোরের মধ্যেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছি। আমরা যেভাবে সাম্য আনতে দেশ জুড়ে স্বয়ম্ভর গ্রাম গড়ে তুলেছি, স্বয়ম্ভর গ্রাম গড়ার দিশা দেখাচ্ছি, তা জানতে ‘যৌবনের বজ্রনির্ঘোষ’ বইটি পড়তেই হবে। প্রকাশক- দে’জ পাবলিশিং, কোলকাতা- ৭০০ ০৭৩। সৎ থাকো, ভাল থাকো, ভাল রাখো।

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

13 Responses to “সভাপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে নীলের মন্তব্যের উত্তর দিলেন প্রবীর ঘোষ”

  1. এখন চারিদিকে প্রগতিশীল, নাস্তিক এবং যুক্তিবাদী মানুষের ভিড়। যারা বিজ্ঞানের সাধারন জ্ঞান নেই, মুখে এক কাজে আরেক, সুবিধাবাদী, হাতে তাগা কবজ নিয়ে, মন্দির মসজিদ র্গিজায় মাথা ঠোকেন তারা আর যা হন যুক্তিবাদী নয়। ওই সব সল্প শিক্ষত, মধ্যমেধা, সবজান্তা, ধান্দাবাজ, “হারে হারামজাদা” যুক্তিবাদী আন্দোলনের শত্রু। এদের বিরুদ্ধে প্রবীর ঘোষ এর নেতৃত্বাধীন যুক্তিবাদী আন্দোলন চলছে চলবে।।

  2. অনির্বাণ 18 March 2015 at 1:53 AM #

    বহুবার বলেছি সমাকামিতা বিষয়ে WHO বা APA’র সিদ্ধান্ত কি একটু জানতে চেষ্টা করুন । আপনার এককালীন অনুরাগী হিসেবে আপনাকে এমন গোঁয়ারগোবিন্দ ধার্মিকের ভূমিকায় দেখতে ভালো লাগছে না । আপনার এবং যুক্তিবাদী আন্দোলনের ভালোর জন্যই বলছি , অনুরোধ রাখলে রাখবেন , নয়তো ধর্মগুরুর ভূমিকায় নিজেকে দেখতে চাইলে রাখবেন না । আপনার সিদ্ধান্ত ।

  3. CREATIVE PANKAJ 18 March 2015 at 6:36 PM #

    অনেকেই বলছে WHO নাকি হোমোসেক্সুয়াল কে স্বীকৃতি দিয়েছে আমি এই রিপোর্ট কোথায় আছে তা জানতে চাই। থাকলে পাঠান। আমি WHO-তে খুঁজে এরকম কোনও রিপোর্ট
    পাইনি। যা পেয়েছি তা হোলো হোমোদের HIV/AIDS সঙ্ক্রমণ হয় বেশি। সব থেকে বেশি। হোমো একটা মানসিক রোগ। এর চিকিতসা করা যায়, এবং হচ্ছেও।
    জঘন্য মানসিকতার লোক আপনারা যারা হোমোদের treatment নিয়ে না ভেবে ওদের support করেন যেরকম বেশ্যাবৃত্তিকে একসময় লিগ্যালাইজ করতে চেয়েছিল কিছু মেকি যুক্তিবাদী..

  4. CREATIVE PANKAJ 18 March 2015 at 7:04 PM #

    Dhritiman thik i likheche-
    আপনাদের মানবিক অধিকার টুকুনি কি লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্র্যান্সজেন্ডার দের মধ্যে সীমাবদ্ধ?? আচ্ছা, আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল, শহর আর শহরাঞ্চল ছাড়া গ্রামে গঞ্জে কটা মানুষ, gender dysphoria তে ভোগে?? একবারও ফিল্ডে নেমে কাজ করে দেখেছেন কি, যেখানে ভোগবাদের আগ্রাসন তো দূরে থাক,ঠিক মত বিদ্যুৎ, পানীয় জল, দুবেলা-দুমুঠো খাবার ও পৌঁছায়নি?? সেখানে মানুষ নিজের দুবেলা পেটের ভাত জোগাড় না করে, নিজের শরীর নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করবে, সে ছেলে না মেয়ে?? তাই তো?? আর রইল, লেসবিয়ান, গে, বাইসেক্সুয়াল, ট্র্যান্সজেন্ডার, এরা প্রত্যেকেই মানুষ, আমরাও জানি। কিন্তু এই মানুষ গুলো জন্মের পড় থেকে শিশু থেকে নিজের সেক্স সম্বন্ধে অবহিত হতে শুরু করে নির্দিষ্ট একটা বয়সের পড়েই, এবং তাও একটা নির্দিষ্ট সমাজব্যবস্থা আর সংস্কৃতির ভিতর দিয়েই। একটা মানুষ এর নিজের সম্বন্ধে চিনতে ও জানতে যা যথেষ্টই প্রভাব বিস্তার করে থাকে। আর রইল, আমেরিকার কথা আপনারা যার উদাহরণ বাড়ে বাড়ে টেনে আনছেন!!! শ্রেণী সংগ্রামের আন্দোলন ঠেকাতে এরা কিনা করতে পারে!! যারা ফেসবুকিয় আন্দোলন করে থাকে, তারা আর বুঝবে কি?? ভাববাদের জায়গায় ভোগবাদ এখন জায়গা করে নিচ্ছে, মানুষের মধ্যে শ্রেণী-চেতনার বোধের অবলুপ্তি ঘটাতে। যাই হোক, শেষ অব্ধি বলতে চাই, APA-তে যা পাওয়া গেল, সেখানে যে এই মানসিক রোগ হিসেবে গ্রাহ্য করা হচ্ছে না কেন?? সেখানে কিন্তু সরকার বাধ্যতাকেই বার বার তুলে ধরা হচ্ছে, কোন বিজ্ঞানীর যেকোনো যুক্তিপূর্ণ রিসার্চ এর জায়গায়, যেমন উদাহরণ স্বরূপ http://www.livescience.com/16110-transgender-teen-mental-health.html
    DSM 5-এর রিপোর্টে Robin Rosenberg, Leibowitz-এর বিরোধিতা কিভাবে করেছেন, তাও পরিষ্কার নয়। আপনারাই জানেন, কি অধিকার আর কাদের হয়ে লড়ছেন?? যাই হোক, দেখাই যাক আপনাদের আন্দোলনে মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট আদৌ সাড়া দেন কিনা?? শ্রেণী সংগ্রামের মুখ ঘোড়াতে আপনারা যে পায়ু মৈথুনের সংগ্রাম গড়ে তুলছেন, তা হাস্যকর ঠেকে। প্রকৃতই সাম্যের লড়াইতে যারা দিনের পড় দিন প্রাণ দিচ্ছেন?? তাদেরই বা আপনারা পাত্তা দেবেন কেন?? আপনাদের কাছে যে মানুষের প্রধানতঃ তিনটি অধিকার- খাদ্য, বস্ত্র আর বাসস্থান এরও আগে ‘সেক্স’ করার অধিকার বেশী প্রয়োজনীয়। ঘরে থেকে বা স্মার্ট মোবাইল দিয়ে এর ওর লিঙ্ক ধার না নিয়ে, একটু ফিল্ডে নেমে বিশেষ করে, গ্রামে গঞ্জে ঘুরে আপনাদের আন্দোলন সম্বন্ধে অবহিত করুন সেখানকার মানুষগুলোকে, দেখুন কতটা উদ্বুদ্ধ করতে পারেন!!!

  5. সবজান্তা,হারেহারামজাদাদের উৎশৃখল জীবন যাপনের জন্য যুক্তিবাদীদের আন্দোলনে নামতে হবে!!! ওদের এই উৎশৃঙ্খলতা সমাজে প্রচোলিত করার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে ফান্ডেড NGO রা। ওরা যুক্তিবাদী আন্দোলন ধংস করতে ব্যস্ত। এদের কাছে সব মানুষের খাদ্য, বস্তু, বাসস্থান বা সুন্দর সাম্যের সামাজ এর আন্দোলন ধংস কারার চেষ্টা ছারা কিছু পাওয়া যাবে না। ওইসব “হারেহারামজাদা” দের পরিকল্পনাকে ধংস করতে প্রতিবারের মতো এইবারও প্রবীর ঘোষের নেতৃত্বাধীন যুক্তিবাদী আন্দোলন আরও গতি পাবে। “তোরা যত মারবি, তত বারবো” সাম্যের সামাজ গরার লখ্যে, সমস্ত উৎশৃখলতাকে রুখতে যুক্তিবাদী আন্দোলন আজ পৃথিবী জুরে ভয় ধরিয়েছি সমস্ত শোষক শাষকদের এবং তাদের তল্পিতল্পা বাহকরা নেমেছে মেকী আন্দোলনের নামে যুক্তিবাদী তথা সাম্যের আন্দোলনকে ধংস করতে। এই আঘাত এসেছে বারংবার জয় হয়েছে যুক্তিবাদীদের তথা প্রবীর ঘোষের। আজ আমার ভারতের ৬০০ ওপর গ্রামে সাম্যের আন্দোলনে ব্যস্ত। পৃথিবীর বহু দেশ প্রবীর ঘোষের আন্দোলনকে এগিয়েনিয়ে যাচ্ছে। যুক্তিবাদ জিন্দাবা।।

  6. anandamsd 18 March 2015 at 9:40 PM #

    I don’t support homosexuality at all…

  7. যারা কীট পতঙ্গ, পশু পাখীর সমকামিতার উদাহরণ দিয়ে তাদের অস্বাভাবিক কাম চাহিদা চরিতার্থ করার আন্দোলন করছে। তাদের সংঙ্গে তান্ত্রিকদের কোনো পার্থক্য নেই। যারা বেষ্যাবৃত্তি আইনি করার আন্দোলনে নেমেছে, তারা তাদের মা বাবা, ভাই বোন সবাইকে তাদের কামের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করবে। ওইসব আন্দোলনকারী আর তন্ত্র সাধনাকারী তান্ত্রিকদের কী কোনো পার্থক্য আছে ? মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ কিছু অভ্যাস পশু পাখি জন্তুজানোয়ার থেকে আলাদা করেছে, তার প্রথমটি হল কাম চিন্তা। যারা অবাধ যৌন্যতা, বহুগামীতা, সমকামিতা, অজাচার, বেষ্যাবৃত্তির মত আদিম প্রবৃত্তি বলে আন্দোলন করছে।তার আবার পশু পাখি জন্তুজানোয়ারের মত বা সেই উপরে উল্লেখিত ‘তান্ত্রিক ‘ দের মত মানববলির অধিকার আন্দোলনে নামবেন? নিদেনপক্ষে চুরিডাকাতির (পরুন) পক্ষে রাস্তায় নামুন??

    আপনারা নামুন বা নামুন ওইসব অপরাধ (ভারত সহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে) আপনাদের সমর্থে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শোষক শাষক শ্রেণীর সাহায্যে চলছে ওইসব নৃশংস মানব সভ্যতা ধংসকারী খুন, ধ্র্ষণ, রাহাযানী। কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক র্ধমের নামে, কোথাও চরম প্রশাসনিক উৎশৃখলতার প্রকাশ ঘটছে ওইসব ‘আদিম প্রবৃত্তি’। সিরিয়ার র্ধমান্ধ আই. স. থেকে ভারতে ৭০ বছর বৃদ্ধা র্ধষন; চরম র্ধমান্ধতা থেকে চরমকাম। দুটিই অস্বাভাবিক, অমানুষিক , সভ্যতার পরিপন্থি।
    যেখানে র্ধমীয় প্রতিষ্টান অসহায় হয়ে তাদের ঈশ্বরের আস্থা না রেখে সামাজিক আইনের দারস্থ। সেখানে ওইসব ব্যাভিচারী মানুষিক রুগীদের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী আন্দোলনকে ঘোলা করে দিতে ব্যস্ত শোষক শাষক থেকে সভ্যতাকে আদিমতায় নিতে ব্যস্ত প্রগতিশীলরা (স:)।

    ওইসব ধান্দাবাজ বিকৃতকামী র্ধমান্ধদের বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির আন্দোলন চলছে চলবে।

    প্রশাসনের সদিচ্ছার প্রতি সন্ধেহ রেখেও ভারতের সাংবিধানিক আইনি ব্যবস্থা বলবত করুন, আইনি বইয়ে আবদ্ধ না রেখে।
    প্রশাসনের প্রতি অনুরধ :-
    ১) বিকৃতকামী র্ধষকদের ফাঁসি দিতে হবে।
    ২) সমকামী, বিকৃতকামীদের বিরুদ্ধে যে আইন আছে ( ৩৭৭ ধারা ) প্রয়োগ করতে হবে।
    ৩) বেষ্যাবৃত্তি রোধে যে PTTA আইন আছে প্রয়োগ করতে হবে। (হিস্যা নিয়ে চেপে গেলে চলবেনা)
    ৪) আজাচার, নারীত্ব এ অপমানকর প্রতিষ্টানীক র্ধমাচারন আইন প্রয়োগ করে বন্ধ করতে হবে।
    ৫) র্পণগাফী, নগ্নতার বহুগামিতার রদ্ধে যে আইন প্রয়োগ করতে হবে।
    ৬) বিভিন্ন মিডিয়ার দায়বদ্ধতার প্রতি সর্তক থাকবে, না থাকলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
    ৭) র্ধমান্ধতা, অলৌকিকতা বিরুদ্ধে যে আইন আছে তার প্রয়োগ।
    ৮) র্ধমীয় শিক্ষার বদলে মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে।
    ৯) বিজ্ঞান শিক্ষা, যুক্তিবাদী চিন্তার প্রসার করতে হবে।
    ১০) প্রশাসনকে মানুষের নূন্যতম অধিকার সমন্ধে জানার ব্যবস্থা করতে হবে।

    বহু আইন তৈরি হওয়ার পর ব্যবহার করেনি প্রশাসন। খাতায় রেখে কি লাভ??(ও হিস্যা!!)

    অনাবিল সেনগুপ্ত,
    সংযুক্ত সম্পাদক, ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতি

  8. যারা কীট পতঙ্গ, পশু পাখীর সমকামিতার উদাহরণ দিয়ে তাদের অস্বাভাবিক কাম চাহিদা চরিতার্থ করার আন্দোলন করছে। তাদের সংঙ্গে তান্ত্রিকদের কোনো পার্থক্য নেই। যারা বেষ্যাবৃত্তি আইনি করার আন্দোলনে নেমেছে, তারা তাদের মা বাবা, ভাই বোন সবাইকে তাদের কামের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করবে। ওইসব আন্দোলনকারী আর তন্ত্র সাধনাকারী তান্ত্রিকদের কী কোনো পার্থক্য আছে ? মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ কিছু অভ্যাস পশু পাখি জন্তুজানোয়ার থেকে আলাদা করেছে, তার প্রথমটি হল কাম চিন্তা। যারা অবাধ যৌন্যতা, বহুগামীতা, সমকামিতা, অজাচার, বেষ্যাবৃত্তির মত আদিম প্রবৃত্তি বলে আন্দোলন করছে।তার আবার পশু পাখি জন্তুজানোয়ারের মত বা সেই উপরে উল্লেখিত ‘তান্ত্রিক ‘ দের মত মানববলির অধিকার আন্দোলনে নামবেন? নিদেনপক্ষে চুরিডাকাতির (পরুন) পক্ষে রাস্তায় নামুন??

    আপনারা নামুন বা নামুন ওইসব অপরাধ (ভারত সহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে) আপনাদের সমর্থে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শোষক শাষক শ্রেণীর সাহায্যে চলছে ওইসব নৃশংস মানব সভ্যতা ধংসকারী খুন, ধ্র্ষণ, রাহাযানী। কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক র্ধমের নামে, কোথাও চরম প্রশাসনিক উৎশৃখলতার প্রকাশ ঘটছে ওইসব ‘আদিম প্রবৃত্তি’। সিরিয়ার র্ধমান্ধ আই. স. থেকে ভারতে ৭০ বছর বৃদ্ধা র্ধষন; চরম র্ধমান্ধতা থেকে চরমকাম। দুটিই অস্বাভাবিক, অমানুষিক , সভ্যতার পরিপন্থি।
    যেখানে র্ধমীয় প্রতিষ্টান অসহায় হয়ে তাদের ঈশ্বরের আস্থা না রেখে সামাজিক আইনের দারস্থ। সেখানে ওইসব ব্যাভিচারী মানুষিক রুগীদের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী আন্দোলনকে ঘোলা করে দিতে ব্যস্ত শোষক শাষক থেকে সভ্যতাকে আদিমতায় নিতে ব্যস্ত প্রগতিশীলরা (স:)।

    ওইসব ধান্দাবাজ বিকৃতকামী র্ধমান্ধদের বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির আন্দোলন চলছে চলবে।

    প্রশাসনের সদিচ্ছার প্রতি সন্ধেহ রেখেও ভারতের সাংবিধানিক আইনি ব্যবস্থা বলবত করুন, আইনি বইয়ে আবদ্ধ না রেখে।
    প্রশাসনের প্রতি অনুরধ :-
    ১) বিকৃতকামী র্ধষকদের ফাঁসি দিতে হবে।
    ২) সমকামী, বিকৃতকামীদের বিরুদ্ধে যে আইন আছে ( ৩৭৭ ধারা ) প্রয়োগ করতে হবে।
    ৩) বেষ্যাবৃত্তি রোধে যে PTTA আইন আছে প্রয়োগ করতে হবে। (হিস্যা নিয়ে চেপে গেলে চলবেনা)
    ৪) আজাচার, নারীত্ব এ অপমানকর প্রতিষ্টানীক র্ধমাচারন আইন প্রয়োগ করে বন্ধ করতে হবে।
    ৫) র্পণগাফী, নগ্নতার বহুগামিতার রদ্ধে যে আইন প্রয়োগ করতে হবে।
    ৬) বিভিন্ন মিডিয়ার দায়বদ্ধতার প্রতি সর্তক থাকবে, না থাকলে ব্যবস্থা নিতে হবে।
    ৭) র্ধমান্ধতা, অলৌকিকতা বিরুদ্ধে যে আইন আছে তার প্রয়োগ।
    ৮) র্ধমীয় শিক্ষার বদলে মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে।
    ৯) বিজ্ঞান শিক্ষা, যুক্তিবাদী চিন্তার প্রসার করতে হবে।
    ১০) প্রশাসনকে মানুষের নূন্যতম অধিকার সমন্ধে জানার ব্যবস্থা করতে হবে।

    বহু আইন তৈরি হওয়ার পর ব্যবহার করেনি প্রশাসন। খাতায় রেখে কি লাভ??(ও হিস্যা!!)

  9. Manish 21 March 2015 at 1:02 AM #

    Anabil Da darun….

  10. যারা কীট পতঙ্গ, পশু পাখীর সমকামিতার উদাহরণ দিয়ে তাদের অস্বাভাবিক বা প্রকৃতি বিরুদ্ধ কাম চাহিদা চরিতার্থ করার আন্দোলন করছে, তাদের সঙ্গে তান্ত্রিকদের কোনো পার্থক্য নেই (তন্ত্রসাধনায় কাম বা সম্ভোগ প্রধান উপকরণ তা যেকোনো মহিলা হলেই হবে, নিজের মেয়ে হলেতো ভালোই!!)।
    যারা বেশ্যাবৃত্তি আইনি করার আন্দোলনে নেমেছে, তারা তাদের মা বাবা, ভাই বোন সবাইকে তাদের কামের চাহিদা মেটাতে ব্যবহার করবে ওই তান্ত্রিকদের বা বিকৃতকামীদের মতোই ? ওইসব আন্দোলনকারী আর তন্ত্র সাধনাকারী তান্ত্রিকদের কী কোনো পার্থক্য আছে ?
    মানব সভ্যতার ক্রম বিকাশের ইতিহাস থেকে জানা যায় মানুষ কিছু অভ্যাস পশু পাখি জন্তুজানোয়ার থেকে আলাদা করেছে, তার প্রথমটি হল কাম চিন্তা। যদিওবা আদিম অবস্থায় সমকামী চিন্তা ছিলনা।
    যারা অবাধ যৌনতা, বহুগামীতা, সমকামিতা(নব্য), অজাচার, বেশ্যাবৃত্তির মত আদিম প্রবৃত্তি বলে(?) আন্দোলন করছে।
    তার কী আবার পশু পাখি জন্তুজানোয়ারের মত, আদিম মানুষের মত বা উপরে উল্লেখিত ‘তান্ত্রিক ‘ দের মত খাদ্য বা কাম সম্ভোগের জন্য মানববলির অধিকার আন্দোলনে নামবেন? বা নিদেনপক্ষে চুরি ডাকাতির মতো আদিম প্রবৃত্তি পক্ষে রাস্তায় নামবেন??

    আপনারা নামুন বা না নামুন ওইসব আদিম অপরাধ আজ ভারত সহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে প্রকাশ্যে করে উল্লাস করছে। আপনাদের সমর্থনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আজ শোষক শাষক (শোষণের সুবিধার্থে) শ্রেণীর সাহায্যে চলছে ওইসব আদিম প্রবৃত্তি নৃশংস মানব সভ্যতা ধংসকারী খুন, ধর্ষণ, রাহাজানী। কোথাও প্রাতিষ্ঠানিক র্ধমের নামে, কোথাও বা চরম প্রশাসনিক উৎশৃখলতার সুযোগে প্রকাশ ঘটছে ওইসব ‘আদিম প্রবৃত্তি’।
    সিরিয়ার র্ধমান্ধ আই. স. এল. আই. (I.S.I.L) এর হত্যা থেকে ভারতে ৭০ বছর বৃদ্ধা সন্যাসীনির ধর্ষণ । একি মুদ্রার দুই পিঠ!!
    চরম র্ধমান্ধতা থেকে চরমকাম!! দুটিই অস্বাভাবিক, অমানুসিক , মানব সভ্যতার পরিপন্থি।
    যেখানে র্ধমীয় প্রতিষ্ঠান (ভ্যাটিকান) অসহায় হয়ে তাদের ঈশ্বরের আস্থা না রেখে সামাজিক আইনের দারস্থ হয়।
    সেখানে ওইসব ব্যাভিচারী, মানব সভ্যতার ধংসকারী মানুসিক রুগীদের বিরুদ্ধে যুক্তিবাদী তথা সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে ঘোলা করে দিতে ব্যস্ত শোষক শাষকদের আজ্ঞা বহনকারী প্রগতিশীল মুক্তমনার দল। ওই সকল শাষকদের দাসরা সভ্যতাকে আদিমতায় নিতে ব্যস্ত। ওইসব প্রগতিশীলরা সভ্যতাকে ‘আদিম সাম্যের'(?) নিয়ে যাবে?

    ওইসব শাষক বা তাদের শোষণকারী ধান্দাবাজ প্রগতিশীল, বিকৃতকামী, র্ধমান্ধদের বিরুদ্ধে সমস্ত অজাচার, শোষণের বিরুদ্ধে ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির সাংস্কৃতিক আন্দোলন চলছে চলবে।

    প্রশাসনের সদিচ্ছার প্রতি সন্ধেহ রেখেও ভারতের সাংবিধানিক আইনি ব্যবস্থা বলবৎ করুন,
    আইনি বইয়ে আবদ্ধ না রেখে।

    প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ :-

    ১) বিকৃতকামী র্ধষকদের ফাঁসি দিতে হবে।

    ২) সমকামী, অজাচারী, বিকৃতকামীদের বিরুদ্ধে যে আইন আছে (৩৭৭ ধারা) প্রয়োগ করতে হবে।

    ৩) বেশ্যাবৃত্তি রোধে যে PITA আইন আছে প্রয়োগ করতে হবে। (হিস্যা নিয়ে চেপে গেলে চলবেনা)

    ৪) আজাচার, নারীত্ব এ অপমানকারী প্রতিষ্ঠানিক র্ধমাচারন আইন প্রয়োগ করে বন্ধ করতে হবে।

    ৫) র্পনোগ্রাফী, নগ্নতাকে পন্যকারী, বহুগামিতার বিরদ্ধে প্রকাশ্যে উৎশৃখলতা বা নৃশংসতা রোধে যে আইন আছে (পাবলিক ইনোসেন্ট এক্ট ইত্যাদি) প্রয়োগ করতে হবে।

    ৬) বিভিন্ন মিডিয়ার বা সোসাল মিডিয়ার তার দায়বদ্ধতার প্রতি সর্তক থাকবে, না থাকলে অব্যশই ব্যবস্থা নিতে হবে।

    ৭) র্ধমান্ধতা, অলৌকিকতা বিরুদ্ধে যে আইন আছে তার প্রয়োগ। ( বহু আইন তৈরি হয়েছে যা ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির কাজ কর্মে বা বহুল ব্যবহারে হাজারের উপর বুজরুক পুলিশি জালে ধরা পরেছে।)

    ৮) র্ধমীয় শিক্ষার বদলে মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে।

    ৯) বিজ্ঞান শিক্ষা, যুক্তিবাদী চিন্তার প্রসার করতে হবে।

    ১০) প্রশাসনকে মানুষের নূন্যতম অধিকার সমন্ধে জানার ব্যবস্থা করে দিতে হবে ।

    বহু আইন তৈরি হওয়ার পর ব্যবহার করেনি প্রশাসন। খাতায় রেখে কি লাভ?? (ও হিস্যা!!)

    অনাবিল সেনগুপ্ত

  11. asok kumar das 23 March 2015 at 3:51 PM #

    somokamita ityadi indriyo bilash kano irrational o bikrito ruchir porichayak seta niye e website e alochona hok.

    asokdas charbak

  12. anandamsd 24 March 2015 at 9:58 PM #

    Anabil Da, yes, it’s true….

  13. Mary 26 September 2015 at 8:15 PM #

    The’res nothing like the relief of finding what you’re looking for.


Leave a Reply