AN OATH: A historical resolution

বিপ্লব দাস

একটি ঐতিহাসিক প্রতিজ্ঞাপত্র
সমাজ সংস্কারের কাজ করাকালীন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি প্রতিজ্ঞাপত্র বানিয়েছিলেন। এই প্রতিজ্ঞাপত্রে তার পরিচিত ১২৫ জন স্বাক্ষর করেছিলেন।এটি ছিল এইরকমঃ-

আমরা প্রতিজ্ঞা করছি যে,
১)কন্যাকে বিদ্যাশিক্ষা করাইব।
২) একাদশ বর্ষ না হইলে কন্যার বিবাহ দিব না।
৩)কুলিন, বংশজ , ক্ষত্রিয় অথবা মৌলিক ইত্যাদি গননা না করিয়া স্বজাতীয় সৎপাত্রে কন্যা দান করিব।
৪)কন্যা বিধবা হইলে তাহার সম্মতি থাকিলে পূনরায় তাহার বিবাহ দিব।
৫) অষ্টাদশ বর্ষ না হইলে পুত্রের বিবাহ দিব না।
৬) এক স্ত্রী থাকিতে আর বিবাহ করিব না।
৭) যাহার এক স্ত্রী বিদ্যমান তাহাকে আর কন্যা দান করিব না।
ভাবুন। এত বছর আগে তারা এতদুর অবধি ভাবতে পেরেছেন! নেতৃত্বে অবশ্যই ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র………………………আর গতকাল আমাদের শহরের এক সিপিএম লবির বুদ্ধিজীবি যিনি বংগীয় সম্প্রচার নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন তিনি বললেন, বিদ্যাসাগর রা চেষ্টা না করলেও নাকি বহু বিবাহ, বাল্য বিবাহের মত অপকর্ম গুলো এমনি এমনিই সমাজের অগ্রগতির নিয়মে ঘুচে যেত। হাঃ হাঃ, তাই বোধ হয় বেশিভাগ শিক্ষিত মানুষই কিছু চেষ্টা না করেই ভাবেন সব নিজে নিজেই হয়ে যাবে… আমরা শুধু নিজেরটা গুছিয়ে নিই।

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

One Response to “AN OATH: A historical resolution”

  1. নীল ধ্রুবতারা 30 September 2011 at 2:10 PM #

    সবাই অপেক্ষা করে কে কখন কি করবে তারপর সুজোগ বুঝে দলে নাম লেখাবো।তাতে কিছু নাম কামানো যাবে আর ঝামেলাও পোহাতে হবে না।আর এমন পরিস্থিতিতে সাফল্য লাভ হলে অই ব্যক্তিকে যদি কেউ বলে যে খুব সুন্দর একটা আন্দলোন চলছে তবে ত আর কথাই নেই তিনি তখন বলতে ছারেননা যে আরে মশাই অই আন্দোলনটা তো আমিই করেছি।। এমন মানসিকতায় তো বলাই যায় যে বিদ্যাসাগর রা চেষ্টা না করলেও বহু বিবাহ, বাল্য বিবাহের মত অপকর্ম গুলো এমনি এমনিই সমাজের অগ্রগতির নিয়মে ঘুচে যেত।সত্যিই হাস্যকর মন্তব্য।
    হা হা হা হা হা……………


Leave a Reply