Anna Hazare’s movement : definitions of a true patriot & the real enemies of the country

আন্নার আন্দোলন ও ‘দেশপ্রেমী’, ‘দেশদ্রোহী’র সংজ্ঞা —-প্রবীর ঘোষ

নয়াদিল্লি, ১৩ এপ্রিল। আজ বুধবার সন্ধ্যে সাড়ে ছ’টা। নির্বাচন উপ-কমিশনার জানিয়েছেন কেরলে ৭৪.০৪% এবং তামিলনাড়ুতে ৭৫.২১% ভোট পড়েছে আজ।
সঙ্গে সঙ্গে কংগ্রেস, বিজেপি, সি পি এম এবং আরো বহু নির্বাচন-নির্ভর রাজনৈতিক দল এককাট্টা হয়ে জানিয়ে দিয়েছে –ভারতের নির্বাচনে বিপুল হারে অংশগ্রহণ আন্নার জন-লোকপালের বিরুদ্ধে অনাস্থাই প্রকাশ করে।
অতএব প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রের বা রাজ্যের মন্ত্রী এবং এম এল এ, এম পি- দের বিরুদ্ধে মামলা করার অধিকার জনগণের হাতে তুলে দেওয়ার মত জঘন্য আইন এই লোকপাল আইন। তাহলে এম এল এ, এম পি হয়ে লাভ কী?

কংগ্রেস-এর সাধারণ সম্পাদক দিগবিজয় সিং লোকপালের ক্ষমতার মাত্রা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা যদি লোকপালকে দেওয়া হয়, তবে ক্ষমতার অপব্যবহার হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে বিচারব্যবস্থার উর্দ্ধে রাখা হলে ক্ষমতার অপব্যবহার হবে না –এমন কথা মাথায় এলো কেন দিগবিজয়ের? দুর্নীতির ক্ষমতা রাজনীতিকদের মধ্যেই সুরক্ষিত রাখতে ই দিগবিজয় কে ময়দানে নামানো হয়েছে – বুঝতে অসুবিধা হচ্ছেনা। আন্নার দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনে গাড্ডায় পড়েছিলেন দুর্নীতিতে আকন্ঠ ডুবে থাকা রাজনীতিকরা। তাদের উদ্ধার করতেই সরকার থেকে বিরোধী, প্রত্যেকেই নানা প্রচারমাধ্যম এবং নানা শ্রেণীর ‘বুদ্ধিজীবি’দের ময়দানে নামিয়েছে।

লোকপাল কমিটির সদ্য হওয়া নতুন সদস্য কপিল সিব্বল লোকপাল বিলের বিরুদ্ধে সওয়াল করে বলেছেন যার পড়াশোনা করার কোনো সামর্থ্য নেই, এই বিল তার কী কাজে আসবে? গরীব মানুষদের চিকিতসার দরকার হলে লোকপাল বিল তার কী করবে?
সিব্বলের এ হেন সওয়াল কে কী বলব –বাওয়াল?

সরকার ও বিরোধীদের সঙ্গে একসুরে কথা আওড়ে চলেছে কিছু মিডিয়া। তাঁরা জানিয়েছেন – এই যে মন্ত্রী, বিচারক এমনকী প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের পর মামলা করার অধিকার দাবী করেছে লোকপাল, এ অবাস্তব দাবী। এই ক্ষমতা কেন দেওয়া হবে অনির্বাচিত, স্বনিযুক্ত অভিভাবকদের? এমন করলেই কি দুর্নীতি হাওয়া হয়ে যাবে?

আন্না বলেছেন দুর্নীতিপরায়ণরাই প্রকৃত দেশদ্রোহী। ওদের ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত।

এইসব দেশদ্রোহীরাই পুলিশ-প্রশাসন-বিচারব্যবস্থার নিয়ন্তা। আর ডাঃ বিনায়ক সেনের মত দেশসেবকরাই দন্ডিত হয় আজীবন কারাদন্ডে।

ANNA HAZARE’S MOVEMENT  And how to define a patriot and a traitor? ————- Prabir Ghosh

New Delhi, April 13: We come to know from the election commission that a whopping 74.04 in Kerala and 75.21 in Tamil Nadu have cast their votes.

Immediately all the party representatives –be it BJP, Congress or CPM have unanimously announced that this high rate of participation of the people in the election process only shows the faith of the people in the democratic process and hence betrays their distrust in Anna Hazare’s demand for a Jan Lokpal bill.

This bill will empower people to bring legal charges and proceed against Ministers including the Prime minister, MLAs and MPs. If such a disgusting bill is passed, then what’s the fun in being MLAs or MPs?

The Congress general secretary Digvijay Singh also expressed his dissatisfaction over the proposed Jan Lokpal Bill. He added that if such a bill is passed, people would misuse their power.

What made Mr. Digvijay Singh assume that if PM was kept beyond the reach of the legal system, powers would not be misused?  We understand that Mr. Singh was made to speak in this fashion only to safeguard the interests of the political leaders, to keep their rights to corruption intact. Anna’s movement has shaken their complacence and to rescue them from the uneasy situation all parties have used different media and some chosen ‘intellectuals’ to speak against the bill.

The new member of Lokpal committee Kapil Sibal has spoken against the proposed bill. ‘What will the illiterate gain from this bill? …How can the bill benefit the poor who can’t afford proper healthcare?’ What can one say to such illogical nonsense! Even some media have objected to giving a free hand to people to proceed against corrupt politicians as absurd. ‘Will passing of the bill eradicate corruption?’ –they ask.

Anna has declared that it is the corrupt who are the real traitors cheating the nation and they should be hanged as traitors.

Actually these ‘traitors’ are controlling the police, administration and judiciary. And real patriots like Dr. Binayak Sen are arrested and kept under life imprisonment.

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

10 Responses to “Anna Hazare’s movement : definitions of a true patriot & the real enemies of the country”

  1. mrinal 18 April 2011 at 7:19 PM #

    deshpremik o deshdrohi’r definition: ami-o ANNA HAZARE’er songe ekmot.

  2. এ কে বৈরাগী 18 April 2011 at 7:37 PM #

    ও হোয়াট এ পোস্ট ! ! খুব ভাল বলেছেন দিয়েছেন প্রবীরবাবু।

    চোরে চোরে যে মাসতুত ভাই হয়, আন্না হাজারের আন্দলনের বিরধিতা করতে গিয়ে সমস্ত রাজনৈতিক দল ও মিডিয়াগুলোর এক্কাটা হওয়ার মধ্যে দিয়েই তা প্রমাণ হল।

    যারা যারা আন্না হাজারের আন্দোলনের বিরোধিতা করবে তারাই আসলে দেশদ্রোহী। কারন আমি মনে করি, দেশের মানুষের জন্য যে আইন তা তৈরি করার অধিকারী শুধু যে নিরবাচিত জনপ্রতিনিধিরা হবে — এবার থেকে এই ধারনা বাতিল করা উচিৎ। আইন তৈরি করতে গিয়ে নিরবাচিত জনপ্রতিনিধি ও দেশের সিভিল সোসাইটি থেকে কিছু প্রতিনিধি থাকা উচিৎ — এই মর্মে একটা আইন তৈরি হোক। নইলে আইনের নামে কালা আইন তৈরি হতে থাকবে। আর ধান্দাবাজ রাজনিতিকরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করে এমন আইন তৈরি করবে যাতে তাদের একগাছা চুলও কেউ সোজা করতে পারবে না।

  3. Madhusudan Mahato 19 April 2011 at 12:44 PM #

    I fully support to Anna Hazare.Corrupted = Patriotic!

  4. prabirnag. 19 April 2011 at 8:41 PM #

    আন্না হাজারের প্রতিটি সমর্থক-ই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।আমাদের জন্য যদি AFSPA থাকে,তাহলে MLA,MP,মন্ত্রীদের(প্রধানমন্ত্রী,মুখ্যমন্ত্রী)জন্যেও “জন লোক্পাল বিল”-এর মত আইন থাক।
    নাহলে আমাদের টাকা নেতা-মন্ত্রীরা হাওয়া করে দিয়ে এ দেশ থেকে হাওয়া হয়ে যাবে।যারা এই আইন
    সম্পর্কে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছেন,তারা দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন।
    i.prabirist@gmail.com

  5. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    Sumitra 20 April 2011 at 9:51 AM #

    Prabir’s insight and quick reaction are simply wonderful — they act as eye-openers– much needed in these confused times

  6. rationalistbiplab 21 April 2011 at 10:56 PM #

    নেতা-মন্ত্রীরা তাদের দুর্নীতির সাম্রাজ্যে জনগনের নাক গলানো পছন্দ করেনা বলেই গত ৪৫ বছর ধরে তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে লোকপাল বিল যেন পাশ না হয়। অথচ এই দেশের নেতা মন্ত্রীদেরই কালো টাকায় উপছে পড়ছে সুইস ব্যাঙ্ক। আন্না হাজারের নামে কুৎসা রটানো লোকপাল বিল পাশ না করানোর একটা পরিকল্পিত চেষ্টা। মিডিয়াগুলির প্রতিবাদী চরিত্র একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারা এই দুর্নীতি এবং অসাম্যের সমাজ ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রেখেই প্রতিবাদে মুখর হতে চায়। কিন্তু যে আন্দোলনে অসাম্যের সমাজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবার বিন্দুমাত্র আশঙ্কা আছে সেই আন্দোলনের নেতারা বরাবর মিডিয়া গোষ্ঠীর শত্রু পক্ষ।
    –প্রবীর ঘোষের এই নাতিদীর্ঘ লেখাটি অনেকের কাছেই নতুন চিন্তার খোরাক হবে।

  7. rationalistbiplab 23 April 2011 at 8:18 AM #

    spred this article. itna spread koro ki india hil jaye.

  8. Bari Vibgyor 23 April 2011 at 6:23 PM #

    these dirty politicians want to be considered as holy man by the fool people like us…

  9. Alak Sasmal 23 April 2011 at 10:55 PM #

    জন লোকপাল বিল পাশ হলে যে বাবুদের কালো টাকার পাহাড়ে সুখ নিদ্রা ভঙ্গ হবে যে। জনগনের টাকায় যে আর ভোগ বিলাসে গা ভাসানো যাবেনা। অসাম্যের সমাজ কাঠামোতে যে ফাটল ধরবে,শুধু রাজনীতি করে আর পেট ভরবে না। সমাজ সেবকদের সন্তানরা যে আর মোটা অংকের চাকরি ছেড়ে রাজনীতি করতে আসবে না। ঐ মুর্খ,হত দরিদ্র অর্ধাহরে থাক অর্ধনগ্ন মানুষগুলোর যে উন্নয়ন হবে। তাহলে জন সেবকদের কাছে যে কেউ আসবে না। দূর ছাই! রাখুন তো এইসব জন লোকপাল বিল।


Leave a Reply