POLICE & MILITARY: need they be permanent and indispensable?

[১৮ জুলাই এর ‘একদিন’ পত্রিকার একটি সুন্দর পত্রের অংশবিশেষ তুলে দিচ্ছি। চিঠিটি লিখেছেন বর্ধমান থেকে চিত্ত মুখোপাধ্যায়। নাম “অন্যতর রাষ্ট্রকল্প ও ভিন্নতর সমাজব্যবস্থা”]

এক জায়গায় পুলিশ-মিলিটারি প্রসঙ্গে উনি লিখছেন

‘… রাষ্ট্রের মূল ও দুর্দম এই প্রতিষ্ঠানের পবিত্রতা যেন এতই স্বতসিদ্ধ, যে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেনা কোন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ অথবা স্বকীয় সমাজের আচার্যরা । বহিঃশত্রুর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া এবং আভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃংখলার জন্য এরকম বাহিনীর প্রয়োজন যেন দৈব-নির্দেশিত, যেন প্রাকৃতিক নিয়ম।দীর্ঘ অভ্যাসের মায়ায় মনে হয়, কথাটা মিথ্যে নয়। অথচ, ইতিহাস দেখিয়ে দিয়েছে যে এরকম বাহিনীর মূল প্রয়োজন ভিন্ন স্বার্থ, ভিন্ন রাষ্ট্রকে রক্তচক্ষু দেখানোর জন্য। এখন পৃথিবী নামক গ্রহটি যদি একটিই দেশ, একই ধরণের ব্যবস্থার আওতায় চলে আসে, তাহলে বহিঃশত্রুর আক্রমণের কথা আসে কী করে? এবার আভ্যন্তরীণ আইন-শৃংখলা। সাধারণ অবস্থায় যাই হোক না কেন, সংকটের সময়, আইন ও সংবিধানের নামে, প্রয়োজনে সংবিধানকে অস্বীকার করে শাসকশ্রেণীকে রক্ষা করাই যে সেনাবাহিনীর মূল কাজ হয়ে দাঁড়ায়, তা কি আমরা বার বার দেখিনি? আন্তর্জাতিকতাবাদে বিশ্বাসী কমিউনবাদী রা, সুতরাং প্রথমেই পুলিশ-মিলিটারি ভেঙ্গে দিয়েছিল। ফরাসী শাসকশ্রেণী ও জার্মান রাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার জন্যে তারা তৈরি করেছিল গণমিলিশিয়া। এই বাহিনীর সদস্যরা যেহেতু ছিল উতপাদনের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ শ্রমজীবি মানুষ এবং বিশেষ কোন প্রিভিলেজ যেহেতু তাদের ছিলনা, সুতরাং এ বাহিনীর পরগাছা হয়ে পড়ার কোন আশঙ্কা কমিউন রাখেনি। মিলিশিয়ার কর্তাব্যক্তিরা ছিলেন সাধারণ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত ও প্রত্যাহারযোগ্য । এ ভাবেই এই বাহিনীর কোনদিন কায়েমী স্বার্থে পরিণত না হওয়ার নিশ্চয়তা প্যারিসের নাগরিকরা তৈরি করেছিল।

এখন বিচারবিভাগের কর্তাব্যক্তিরা যদি একই ভাবে নির্বাচিত ও প্রত্যাহারযোগ্য হন, এবং তাদের বেতনক্রম যদি দক্ষ শ্রমিকদের মতই হয়, তাহলে সে সমাজ কেমন হবে? কেমন হতে পারে? অবিচারের তেমন সুযোগ আদৌ আর থাকে কি?’

***

উপরের বক্তব্যের সঙ্গে আমরা সহমত পোষণ করি। তার সঙ্গে এ প্রশ্নও রাখি—প্রতিটি অঞ্চলে শান্তিরক্ষা বাহিনীর কি সশস্ত্র হওয়া অপরিহার্য্য? (অস্ত্র বলতে

আগ্নেয়াস্ত্র বলছি)। গোর্খা পার্সোনেল এর মত লাঠীধারী বাহিনী কি যথেষ্ট নয়?

পাঠক দের মতামত তো নিশ্চয়ই চাই। মুখ্যমন্ত্রী কেও বিষয়টি ভেবে দেখতে অনুরোধ করছি। অর্থাৎ প্রতিটি অঞ্চলে শান্তিরক্ষা বাহিনী থাকবে – কিন্তু তারা প্রত্যাহারযোগ্য হবে। তাদের অন্যান্য জীবিকার পাশাপাশি তারা অঞ্চলের নিরাপত্তার দিকে নজর রাখবে। আলাদা করে নতুন সেনাবাহিনী তৈরি করার ফল ভালো হতে পারে না। অস্ত্রের বদলে আরো অস্ত্র – এই প্রতিযোগিতা আর চাইনা।

সুমিত্রা পদ্মনাভন

হিউম্যানিস্টস এসোসিয়াশান

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

12 Responses to “POLICE & MILITARY: need they be permanent and indispensable?”

  1. Alak Sasmal 19 July 2011 at 10:03 PM #

    Agree with you.

  2. নীল / নীল ধ্রুবতারা 20 July 2011 at 12:17 AM #

    এই বক্তব্যের সাথে আমি একমত।কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকে যায় যে- এখনতো আগ্নেয়াস্ত্র এক শ্রেনীর মানুষের খেলার সামগ্রী হয়ে গেছে তাহলে তাদের সামাল দিতে কি পারবে আমাদের কাম্য লেঠেল বাহিনি???অস্ত্রের বদলে আরো অস্ত্র –মনে প্রানে এই প্রতিযোগিতা আমরা এক মুহুর্তের জন্যও আর চাইনা ঠিকই তবে তার আগে সাধারন মানুষের কাছ থেকেও আগ্নেয়াস্ত্র সরানোর ব্যাবস্থা করতে হবে।পৃথিবী নামক গ্রহটি যদি একটিই দেশ, একই ধরণের ব্যবস্থার আওতায় চলে আসে, তাহলে বহিঃশত্রুর আক্রমণের কথা আসেনা।কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তা কি কখনো সম্ভব হবে!কোন রাস্ট্রই এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাবেনা।

  3. A K Bairagi 20 July 2011 at 9:02 AM #

    সত্যি আমিও উপরের বক্তব্যের সঙ্গে একমত।

    বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলকে ভেবে দেখার জন্য আবেদন করছি।

  4. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    HUMANISTS ASSN 20 July 2011 at 11:49 AM #

    Yes, Neel. That’s why naturally the process should start by DISARMING every group. people like Anna Hazare or individuals like u and me can start demanding disarming all forces gradually, Unnecessary use of ‘joint forces’, ‘peace-keeping forces’ etc should be minimised. It should be a mutual process– like you surrender arms, we withdraw forces. Arms should be publicly destroyed. Ha ha– sounds Utopian? But it will happen sooner or later. We can start our demand now.The amount of ammunition the world has ,can kill the entire planet’s population many times over—Sumitra di

  5. Anindyasundar 20 July 2011 at 12:09 PM #

    “Arms should be publicly destroyed” – really wonderful idea. I agree.

  6. নীল / নীল ধ্রুবতারা 20 July 2011 at 1:12 PM #

    yeah….We can start our demand now.

  7. Shoubhik Dasgupta 20 July 2011 at 3:11 PM #

    “Utopian, but we can do it”. The statement is self contradictory. Communism (as envisaged by Marx) was utopian. It failed. So was socialism, it failed too.
    Utopia is a Greek word connotating “non-existent”. Utopian theories and plans are bound to fail, but the most insidious part of such plans is how thousands of highly intelligent people will waste millions of man hours in thinking whether, and how, and who, and what.

  8. Dwijapada Bouri 21 July 2011 at 10:25 AM #

    I agree with Neel..

  9. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    Suchetana 22 July 2011 at 11:05 AM #

    SHOUVIK — WHAT SEEMS TO BE UTOPIAN AT FIRST MAY NOT BE IMPOSSIBLE.WHEN WOMEN FIRST STARTED DEMANDING VOTING RIGHTS– THERE WERE ONLY 3 OF THEM– THEY WERE LAUGHED AT, AS BEING ABSURD. WHEN MAN FIRST DREAMT OF FLYING LIKE BIRDS IT WAS REJECTED BY PUNDITS AS BEING UTOPIAN–AGAINST NATURE.THE FIRST AEROPLANE WITH ENGINE WAS MADE ONLY ABOUT A HUDRED YEARS BACK — PEOPLE WHO MATTERED STILL THOUGHT IT WAS AN UTOPIAN IDEA, BECAUSE IT FLEW ONLY A FEW METERS FROM THE GROUND. THEY THOUGHT IT WAS A WASTE OF TIME AND MONEY.SO —- YOU DON’T KNOW WHAT MAY COME IN THE NEXT 100 YRS!

  10. Gablu 24 July 2011 at 6:51 PM #

    I agree with SRAI.

  11. Madhusudan Mahato 28 July 2011 at 1:58 PM #

    Agree with you.

  12. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    Chaitali 29 July 2011 at 11:56 AM #

    “If at first, the idea is not absurd,then there is no hope for it”—
    Albert Einstein


Leave a Reply