SRAI against animal slaughter

By Santosh Sharma

From Dainik Vishwamitra, 11/08/11

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

4 Responses to “SRAI against animal slaughter”

  1. Chitradip Som 13 September 2011 at 11:05 PM #

    I have a confusion on whether SRAI is against any kind of animal sacrifice or it is just against animal sacrifice in name of religion. As far I am concerned, they are not against killing of animals for meat or other benefits. Then why are they deleberately targeting this trival issue? rather they should be concerned on various more serious issues. If killing animals atrociously in open daylight infront of thousand eyes is the problem, then the objection should have been against it perticularly, not against the animal sacrifice on the whole. I need anyone to dispel my confusion please.

  2. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    Editor 15 September 2011 at 12:38 PM #

    Chitradeep –‘If killing animals atrociously in open daylight infront of thousand eyes is the problem, then the objection should have been against it perticularly, not against the animal sacrifice. …’ Yes u r right. The custom of animal sacrifice is our target because it is done publicly as part of the festval.

    You know very well we have many other issues and we are trying to do our best. Why don’t you join us? We are not interested in useless criticism.

  3. biplab das 16 September 2011 at 7:40 PM #

    to chitradeep,
    juktibadi samiti dhormiya anusthane poshuboli bondho korte ki bhabe egoi tar ekta udahoron dilam… tomar jonno…বাঁকুড়া জেলার গঙ্গাজলঘাটি থানার সারাংগপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে পশুবলি কেন হবে-এই প্রশ্ন নিয়ে যুক্তিবাদী সমিতির তরফ থেকে ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয় ১ আগস্ট ২০০৯। সাথে সাথে অনুরোধও জানানো হয় পশুবলি বন্ধ করে ভারতীয় আইনকে মান্য করতে। চিঠির প্রতিলিপি পাঠানো হয় নিত্যানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, গঙ্গাজলঘাটি থানা, গঙ্গাজলঘাটির বিডিও, বাঁকুড়া জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শককে। চিঠি পাওয়া মাত্রই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গ্রামের ষোলোআনার মাতব্বরদের সাথে আলোচনায় বসে। গত কয়েক বছরে ওই এলাকায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান, পোষ্টারিং, লিফলেটিং-এর মাধ্যমে যুক্তিবাদী সমিতির ভালোই ‘বেস’ তৈরি হয়েছিল যার ফলে গাঁয়ের যুব সম্প্রদায়ের একাংশ পশুবলির বিপক্ষে। কিন্তু প্রতাপশালী মোড়ল শ্রেনীর রক্তচক্ষু প্রদর্শনের কাছে তারা নেহাতই শিশু। যুক্তিবাদী সমিতির তরফ থেকে থানায় যোগাযোগ করা হলে থানা জানিয়ে দেয় তারা এ বিষয়ে কিছু করতে অপারক। বেশ, ধরা হল এলাকার উদ্যোগী বিডিওকে। বিস্তর আলোচনার পর বিডিও সাহেবও পিছপা হলেন। বিদ্যালয় পরিদর্শক, গ্রাম পঞ্চায়েত সর্বত্রই চালাকি করে পিছলে যাওয়া উত্তর। একটি বে-আইনি এবং সামাজিক অপরাধ বন্ধ করতে প্রশাসনের দরজায় দরজায় বারে বারে হত্যে দেওয়ার পরেও লড়াইটি শেষ হয়েছিল একরাশ হতাশাকে সম্বল করে। বিদ্যালয়ে পড়তে আসা কচি মন আবার তাদের পাঠস্থানে দেখল রক্তের হোলি খেলা।
    ২০১০ সালে মনসা পুজোর আগে আগে দেখা গেল আরও দুটি বিদ্যালয়- ১)মালপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ২) মনসা বিদ্যাপিঠ –এ পশুবলি হয়। এই দুটির অবস্থানই বাঁকুড়া শহরে। মনসা বিদ্যাপিঠে ক্লাশরুমের মধ্যেই হাঁড়িকাঠের ফ্রেম নির্মান করা আছে। বিষয়টি জানানো হয়েছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এমনকি রাজ্যপাল পর্যন্ত। বিদ্যালয়ে বলি বন্ধের আবেদনে কয়েকশো মানুষের ইন্টারনেটে করা স্বাক্ষর পাঠানো হয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে, কিন্তু প্রাক ভোট পর্বে তারা এদিকে তাকাবার প্রয়োজন মনে করেননি।

    এবছর ৫/৭/২০১১ তে ‘তথ্য জানার অধিকার আইন’- এ বাঁকুড়া জেলার ‘জন তথ্য আধিকারিক’-এর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ২০০৯ সালের ১ আগষ্ট গঙ্গাজলঘাটি থানার সারাংগপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে পশুবলি বন্ধের জন্য প্রশাসনের কাছে যে আবেদন করা হয় এই দু বছরে সে নিয়ে প্রশাসনের তরফে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানান। প্রশাসন ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জবাব দিহি করতে বাধ্য করল। জবাবে দেখলাম ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়টির ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিজের চাকরি বাঁচাবার মত করে একটি উত্তর দিয়েছেন। যাতে সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে।
    এবছরও যেন বিদ্যালয়ে মনসা পুজো উপলক্ষ্যে পশুবলি না হয় তার অনুরোধ করে গত ১৫ জুলাই ২০১১ তে চিঠি দেওয়া হয় বাঁকুড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যানকে। কপি দেওয়া হয় বিদ্যালয় পরিদর্শক, জেলা শাসক থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত। কদিন পরে আমরা জানতে পেরেছিলাম যে, উনি সংশ্লিষ্ট সহ বিদ্যালয় পরিদর্শকদের ব্যাপারটি সম্বন্ধে বিশদ খোঁজখবর নিতে বলেছেন। এর বেশি কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এই হল প্রশাসনের সমাজ সংস্কারের ভুমিকা। তাই আমরা এবছর অন্য পথে পা বাড়াতে বাধ্য হলাম।

    বিদ্যালয়ে পশুবলির ঘটনায় প্রশাসন নিশ্চুপ দেখে আমরা বাঁকুড়ার বুদ্ধিজীবি সমাজের সামনে সমগ্র ব্যাপারটি তুলে ধরতে এবছরের ১৫ আগষ্ট একটি সভার আয়োজন করলাম। সেদিনই শিল্পী সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবি মঞ্চ, আর্ষ পত্রিকা গোষ্ঠী, এপিডিআর, চেম্বার অফ কমার্স, বাঁকড়ী, বিজ্ঞান ও সমাজ, প্রতাপবাগান সুচেতনা সহ জেলার দশটি সংগঠন এক হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল প্রথমে মহকুমা শাসক সদরের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হবে পরে প্রয়োজনে আদালতের শরনাপন্ন হতে হবে। সেই মত ১৬ আগষ্ট মহকুমা শাসকের কাছে দশ সংগঠন নিজের নিজের পক্ষ থেকে নিজেদের লিখিত বক্ত্যব জমা দেয়। ১৭ আগষ্ট যুক্তিবাদী সমিতির পক্ষ থেকে ঐ বিদ্যালয়ের মনসা পুজো কমিটির বিরুদ্ধে এসডিও কোর্টে যাওয়া হয়। বিচারক তৎক্ষণাৎ সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
    কি দেখলাম আমরা? ১৯ আগষ্ট মনসা পুজোর বলির দিন। সেদিন সকাল থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা। বিদ্যালয়ের আশে পাশে মারা বলি বিরোধী পোষ্টারগুলির কাছে ভিঁড়। না। সারাংগপুরের মানুষেরা সিদ্ধান্ত নিলেন মনসা পুজোয় পশুবলি হবেনা। তারা দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্তটি নিয়ে সমাজ সংস্কারের ইতিহাসের পাতায় নিজেদের স্থান করে নিলেন।
    আর বাঁকুড়া শহরের দুটি বিদ্যালয়? তারা একেবারে বন্ধ করতে পারেননি। মালপাড়া তে পাঁঠাবলি হয়েছে একটি, কেন্দুয়াডিহিতে দুটি। অবশ্য যে শহরের থানার আইসি বলেন যে ‘ধর্মীয় স্থানে পশুবলির বেআইনি হতে পারে তবে তা আটকাতে যাওয়া আমার কাজ নয়। আমরা ওখানে গণধোলাই খেতে যাব কি? তাই আপনারা এখন আসতে পারেন’। সে শহরের দশা এর চেয়ে ভাল কি আর হতে পারে। আর উনি এটি বলছেন কখন? কোর্টের অর্ডার শীট হাতে ধরে।

  4. KAMAL MAITRA 1 December 2012 at 12:49 PM #

    AT FRIST WE SAVE GO-MATA WE WILL SAVE MILK FOOD,NEXT WE WILL SAVE HEN FOR EGG,NEXT WE WILL
    TREE FOR FRIUT,NEXT WE WILL LIFE CYCLE FOR SAVE WORLD,MANU SAVED ALL CREATURE,WE WILL SAVE GO-MATA FOR CHILD FOOD SAVE.


Leave a Reply