Witch Killing

If you found this article interesting, please copy the code below to your website.
x 
Share

15 Responses to “Witch Killing”

  1. নীল / নীল ধ্রুবতারা 17 July 2011 at 10:14 AM #

    অনেক কিছুই তো বলতে ইচ্ছে করে আমরা বলতে পারি আর কতটুকু।বলতে বলতে এক সময় গলা ভারি হয়ে আসে চোখে নামে অস্রু,আর বলা যায়না।এমন টাই হল আমার।চোখে জল এসে গেল।হয়তো আমার সহনশীলতার উর্ধে এসব মর্মান্তিক ঘটনা।ভারতের উত্তরাঞ্চলীয় ঝাড়খণ্ড রাজ্যের দারিদ্র্যপীড়িত আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামগুলোয় ডাইনি সন্দেহে নারী হত্যার ঘটনা বেশি ঘটেছে। অন্ধ্র প্রদেশ, হরিয়ানা ও ওডিশায়ও এই ডাইনি অপবাদে অনেক নারীকে হত্যা করা হয়।বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কুমারী বা বিধবারা এসব ঘটনার শিকার হন। তাদের জমি বা অর্থ আত্মসাধের লক্ষ্যে ডাইনি অপবাদ দিয়ে চরম শাস্তি দেওয়া হয়। ডাইনি অপবাদ দিয়ে এসব নারীকে মলমূত্রের মতো ঘৃণ্য জিনিস খাওয়ানো হয়। বিবস্ত্র করে ঘোরানো হয় গ্রামজুড়ে। এই অপমান সইতে না পেরে অনেক নারী আত্মহত্যা করেন।।এই সঙ্কলনে জালে জরিয়ে ডাইনি উদ্ধারের ব্যপারটা নতুন জানলাম। ‘আদিবাসী গ্রামগুলোয় সাক্ষরতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের সময় নারীদের ডাইনি অপবাদ দিয়ে হত্যা করার বিষয়টি নজরে আসে।পুলিশ, রাজ্য প্রশাসন ও অন্যান্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বছরে প্রায় ২০০ নারী এ ঘটনার শিকার হয়। গত ১৫ বছরে আড়াই হাজারের বেশি নারীকে ডাইনি অপবাদ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।কদিন আগের জানগুরুর মুখে acid ছোরা হল ডাইনি অপবাদ সে কথা তো আমরা সবাই জানি।ডাইনি বা খারাপ আত্মা ভর করেছে, কালো জাদুর চর্চা করছে—এ ধরনের অপবাদ দিয়ে শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। এ ধরনের অপবাদে নির্যাতিত হওয়ার ক্ষেত্রে শুধু নারি নয় ,অনাথ, পথশিশু ও প্রতিবন্ধীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে রয়েছে।ডাইনি বা কালো জাদুকর হিসেবে আখ্যা দেওয়া শিশুদের আগুনে ফেলে দেওয়া, মারধর এবং হত্যার মতো শাস্তি দেওয়া হয়। গবেষকেরা বলছেন, একটি শিশু ডাইনি বা শয়তান জাদুকর হতে পারে—ওই অঞ্চলে এমন বিশ্বাসের প্রচলন অপেক্ষাকৃত নতুন। ১০-২০ বছর আগেও সাধারণত নারী ও বৃদ্ধদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আনা হতো।ইউনিসেফ বলছে, এ ধরনের অভিযোগ এনে অসহায় শিশুদের নির্যাতন করার হার বাড়ার একটি কারণ নগরায়ণ। পাশাপাশি যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অসহায় শিশুরা এভাবে নিগৃহীত হচ্ছে। শিশুদের লালনপালনের খরচ বেড়ে যাওয়া এ ক্ষেত্রে একটি বড় কারণ হিসেবে কাজ অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের চোখে-কানে পেট্রল ঢেলে দেওয়া হয়। প্রচলিত বিশ্বাস হচ্ছে, এমনটি করলে শিশুর ভেতর থেকে ‘শয়তানের আত্মা’ বের হয়ে যায়।জানা গেছে, ‘শিশুর ওপর ভরকারী শয়তানি আত্মা’ তাড়াতে স্থানীয় ধর্মীয় মোড়লেরা মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়ে থাকেন। সম্প্রতি নাইজেরিয়ায় এ ধরনের এক মোড়লকে আটক করা হয়। তিনি প্রতিটি শয়তান তাড়ানোর কাজে আড়াই শ ডলারের বেশি অর্থ নিতেন।বোঝা গেল???ভারতীও মুদ্রায় ১২,৫০০ টাকা।কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় ২০ হাজারের বেশি পথশিশু ‘ডাইনিতে ভর করেছে’—এমন অপবাদের শিকার হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশির ভাগই মারধর এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে জোর করে শিশুদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করা হয়, তারা ডাইনি বা তাদের ওপর খারাপ আত্মা ভর করেছে। এ ধরনের অপবাদে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের সমাজের মূল ধারায় ফিরিয়ে আনাটাও একটি বড় সমস্যা।তবে গনআন্দোলনে বিশেষ ফল পাওয়া যেতে পারে।এ সমস্যা শুধু ভারতে নয়,পৃথিবী জুড়ে রয়েছে।এই সঙ্কলনে আমরা দেখেছি ডাইনি প্রথার জন্য একটা বিশেষ কারন হল সম্পত্তির অধিকার।এছারাও অনেক কারন আছে যেমন ধর্মীও,সামাজিক,এবং পুরুষ তান্ত্রিকতা।একসময় আর্চবিশপ সিরিল বাইবেল থেকে পাঠ করেছিলেন স্রষ্টার অমোঘ বাণী, “নারীকে সৃষ্টি হয়েছে অবগুণ্ঠিত থাকার উদ্দেশ্যে, পুরুষের সহধর্মিনী হিসেবে, অনুচর হিসেবে। কোনো নারীর ক্ষমতার নিচে, নেতৃত্বের নিচে পুরুষ থাকতে পারে না। সেই নারী, যে আব্রু করে না, জ্ঞানের চর্চা করে এবং পুরুষকে নিয়ন্ত্রণ করে সে ডাইনি।” উদাহরণ হিসেবে সিরিল বললেন, যীশুখ্রিস্ট তাঁর বারোজন শিষ্যের মাঝে এজন্যেই কোন নারীকে রাখেন নাই। এই আলেকজান্দ্রিয়ায় একজন এমনই ডাইনি আছে যে কোন ঈশ্বরেই বিশ্বাস করে না, সৃষ্টিতত্ত্বের বিরোধিতা করে, পুরুষকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। হাইপেশিয়া নামক সেই ডাইনির বিরুদ্ধে চার্চের সমন জারি হয়ে গেছিল এভাবেই!তাঁকে জীবন্ত অবস্থায় পাথর ছুঁড়েই মারা হয়, তারপরে তাঁর দেহ আলেকজান্দ্রিয়ার রাস্তায় ঘোড়া দিয়ে হিঁচড়ানো হয়। শিউরে ওঠার মতো নৃশংসতা? ইতিহাস বলে এটি কিছুই না। এর পরের প্রায় এক হাজার বছরের অন্ধকার মধ্যযুগে অনামী এমন অসংখ্য নারীকে ডাইনি অপবাদে মারা হয়েছে, পুড়িয়ে, পাথর ছুঁড়ে, চাবুক মেরে। কেবল নারীই নয়, জ্ঞান আহরণে আগ্রহী, বিজ্ঞান গবেষণার নিবেদিত যে কোন মানুষ যখনই ধর্মীয় সত্যের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলেছেন- তারা এরকম নির্মমভাবেই স্তব্ধ হয়ে গেছেন। তার মাঝে বেসির ভাগটাই ডাইনি অপবাদে।তাই শুধু সামাজিকতা নয়,সম্পত্তির লোভ নয়,ধর্মীয় গোরামি ও সমাজ কে কায়েম করার নেসায় একদল স্বার্থান্বেসী মানুষ এসব করে থাকে।আজ সমাজ অনেক সচেতন তবুও এসব ঘটে চলেছে।বেশি দিন আগের কথা নয়।দুটো মেয়ে লড়াই করেছিল ডাইনি প্রথার বিরুদ্ধে!!!নিচে তাদের কৃ্তিত্ত্ব আলোচনা করলাম।

    প্রাণে বাঁচতে একরাত্তিরে তিন ছেলেমেয়েকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছিলেন ‘ডাইনি’ অপবাদের শিকার এক গ্রাম্য বধূ। আর এক কন্যা আশৈশব ‘ডায়ন কি বচ্চি’ নামে স্কুলে-গ্রামে একঘরে।প্রতিকূলতার উজান ঠেলে ‘ডাইনি’-শিকারের বর্বরতার বিরুদ্ধে ওই দুই মেয়েই এখন প্রতিবাদের মুখ। মধ্যযুগীয় ডাইনি-শিকার ঝাড়খন্ড, ছত্তীসগড়, বিহার, ওড়িষ্যা, উত্তরপ্রদেশ ও রাজস্থানের কোন কোন অংশে আজও রক্তাক্ত বাস্তব। পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়খন্ড-লাগোয়া এলাকাতেও এমন ঘটনা বিরল নয়। সেই ‘ডাইনি’ অপবাদের বোঝা বয়ে রুখে দাঁড়ানোর সাহসই এ দুই মেয়ের কাহিনী।একজন সরাইকেলার ছুটনি মাহাতো। আর একজন খাস রাঁচির গাঘেঁষা নামকুমের নয়াবুসুর গ্রামের পুনম টোপ্পো। বাংলাভাষী ছুটনির বিদ্যে কার্যত টিপসই। কিন্তু অপমানের গ্লানি মুছে তিনি এখন তারই মতো নির্যাতিতাদের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা আর নাছোড় পুনম অর্থনীতির স্নাতক হয়েছেন। গোটা ঝাড়খন্ড, ওড়িষ্যা, পুরুলিয়ায় চষে বেড়িয়ে নির্যাতন ও কুপ্রথার বিরুদ্ধে তার আওয়াজ দিলি্ল অবধি পৌছে গিয়েছে।২০০৪ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় যুব দপ্তরের মন্ত্রী সুনীল দত্তের হাত থেকে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন পুনম। ঘরের এক কোণে সেই পুরস্কারের ‘স্মারকে’ ধুলো জমেছে। অবিচারের বিরুদ্ধে পায়ের তলায় সরষে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো মেয়ের সেদিকে খেয়াল করার সময় কই? অজপাড়াগাঁয়ে পথনাটক থেকে রাজধানীর আন্তর্জাতিক সেমিনারের আসর সবেতেই সমান স্বচ্ছন্দ এ মেয়ে।রাঁচির ‘মহাকরণ’ প্রজেক্ট বিল্ডিং ও বিধানসভা-ভবনের ঢিলছোড়া দূরত্বে সরকারি সংস্থা এইচইসির এলাকাতেও ডাইনি অপবাদগ্রস্তদের হয়ে লড়াই করতে হয় পুনমকে। হাটিয়ার হরিজনবস্তির ঘরে বসে সদ্য তিরিশ পেরোনো তরুণী সহাস্যে বললেন, “আমার কিন্তু বেঁচে থাকার কথাই নয়। দুই দিদির পরে ফের মেয়ে হয়েছে দেখে সবাই শীতের রাতে মাকে তাড়িয়ে দিয়েছিল। সঙ্গে আমি। মা মারা যাওয়ার পরে দাদির সঙ্গে থাকতাম। কয়েক বছর বাদে গ্রামে যক্ষ্মার মড়ক লাগায় লোকে দাদিকে ‘ডাইনি’ বলা শুরু করল। তখনই আমার প্রতিবাদের শুরু।” শৈশবে বাপ-মা হারা পুনমের কথায়, ‘আসলে আমাদের জমিজমা দখলের মতলবেই ওরা দাদিকে ডাইনি অপবাদ দেয়। সম্পত্তির লোভে একা মহিলাদের সরানোর এ এক কৌশল।’ আবার সরাইকেলার মাহতানদিহি গাঁয়ে ছুটনির শ্বশুরবাড়িতে পারিবারিক ‘কেচ্ছা’ চাপা দিতে ছুটনিকে ডাইনি ‘বানানো’ হয়। ছুটনির কথায়, ‘আমার এক অবিবাহিতা ভাসুরঝির পেটে বাচ্চা আসায় ওরা বলতে থাকে ডাইনি বান মেরেছে। ওঝাকে দিয়ে বলায়, আমিই সেই ডাইনি।’ গ্রামের সালিসি সভায় প্রকাশ্যে মলমূত্র খেতে বাধ্য হওয়ার পরে রাতের অন্ধকারে প্রাণভয়ে পালায় ছুটনি।শৈশবে ‘একঘরে’ অবস্থাতেই বড় হয়েছে পুনম। আর ছুটনির নির্যাতনকারী ভজহরি-মানি-মিঠু মাহাতোদের নামমাত্র সাজা হয়েছে। বছর দশেক আগে আর এক সামাজিক কর্মী অজয় কুমারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পুনমের সংগঠন ‘আশা’র জন্ম। ৩০-৩২টি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে ডাইনি প্রথাবিরোধী বিরাট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন পুনম-অজয়। নারী পাচার, পারিবারিক হিংসার বিরুদ্ধেও পুনমরা মারমুখী। সরাইকেলায় সংস্থার প্রজেক্ট অফিসার নিরক্ষর ছুটনি। মুখে মুখে হিসাব কষা ও মোবাইলের ব্যবহারে দক্ষ ছুটনির মুখে তৃপ্তির হাসি, ‘সরাইকেলায় ২৩ জন মহিলাকে লড়তে শিখিয়েছি।সমাজকল্যাণ দফতরের অধিকর্তা পুষ্পা মরান্ডি স্বীকার করেন, ‘ডাইনি অপবাদের সব খবর থানা অবধি পৌছায় না। টিভিতে এফএমে আমরা এর বিরুদ্ধে প্রচার করছি।’ সরকারি হিসাবেই ২০০১ থেকে ২০০৮-এর মধ্যে ঝাড়খন্ডে ডাইনি অপবাদে খুন ৬৮৯ জন। সব থেকে বেশি খুন রাঁচি জেলাতেই। পুনম-অজয়রা বারবার রাজ্যে ডাইনি প্রথাবিরোধী আইন মজবুত করার জন্য দরবার করছেন। ডাইনি অপবাদগ্রস্ত বিপন্ন মহিলাদের চিহ্নিত করে সরকারকে তাদের রক্ষা করতে বলছেন। ওঝাদের অন্য কাজে তালিম ও অপবাদগ্রস্তদের পুনর্বাসনের চেষ্টাও চলছে।একসময় ‘ডাইনি’ অপবাদের নিশানা পুনম-ছুটনিরা এখন মাথা উঁচু করে পথ-নাটকে ‘ডাইনি’র ভূমিকায় অভিনয় করেন। চিৎকার করে বলেন, ‘আমায় দেখুন, আমি একজন সাধারণ মেয়ে। ডাইনি কথাটাই মিথ্যে।’শতাব্দীর কুসংস্কার সরিয়ে ‘ডাইনি’ শব্দটা মুছে দিতেই যেন নিরন্তর বলে চলেছেন এ সংলাপ।

    শত সহস্র নত শির তোমার পানে,ধন্য হও তুমি ও তোমরা।

  2. Gablu 17 July 2011 at 6:59 PM #

    Shameful incident!!!

    Thanks to SRAI.

  3. A K Bairagi 18 July 2011 at 8:56 AM #

    গ্রেট কভারেজ ‘সকালবেলা’ থ্যাংকস , থ্যাংকস স্রাই খবরটির জন্য।

  4. A K Bairagi 18 July 2011 at 9:00 AM #

    গ্রেট কভারেজ ‘সকালবেলা’ থ্যাংকস , থ্যাংকস স্রাই খবরটির জন্য।

    @ নীল আপনার কমেন্ট টা খুব ভালো হয়েছে।

  5. Dwijapada Bouri 18 July 2011 at 10:26 AM #

    Thanks to Neel. It’s a really good comment.

  6. asok kumar das 18 July 2011 at 11:57 AM #

    Comrades, Rationalists and Humanists!

    Please lend me your busy eyes to view the fruits of my search for the weapon for killing the tribes of witches and ghosts, which you believe it or not, I started before sixty long years when, being a boy of nine or ten I received one hundred rosogollas as a prize from Ramnagar Police for a pleasure tour through a ghost occupied lonly house where a double murder took place five days before. And still searching….
    Spiritualism – the beliefs in spirits, gods, witches, fairies, godmen and such other roumers are expression of mental disorder – the disease of the mind, the only disease the people welcome and enjoy for its opium effects. People enjoy horror and its imagination. Imagination is not altogether bad for formation of a creative mind.But it corrupts the people’s mind too if not properly guarded. Tender minds of the children and baby self of the adults which love imagination most and which like to believe god, ghost, satans, batman superman etc also

    suffer its unwanted side effects of innocent flight to the imaginary world of fantacy.. Children become easy catch of the crooked. Their minds started infected by continious indoctrination made by parents, grandparents,and public enemies like godmen, purhits, astrologers, gyangurus etc etc. The poisn of such indoctrnaion polute their souls so greately that it settle parmanently in their minds as cement and no educaion of reasoning can brake the concrete afterwards even with advancement of adulthood. As such, educated, even highly educated people including great scientists may be affected by such disease parmanently. The disease is honoured as pious religious sentiments which is preserved and nourished with care by the law and custom and is used by the traders, politicians and antisocials to gain their respective purposes.
    The disease is global. Conversing personally with different people of different communities around the world, I found that most of them are terrored by the gods, ghosts and witches. In an American suburb I found an old but extremely beautiful house remains inhabited as it was occupied by witches. Even Mrs Palin,now a Governor of an American State and aspirant of American Presidentship has to blow out the evil spirit from her body and soul with the aid of clergymen. The way of such purification is almost similar to as done by the most illiterate adibasis of the remort rural areas in India, or as done by the primitive tribes of interrior Africa thousands of years hence.. In fact, the development of the minds of the uneducated tribal ancient people and modern American educated people remain unchanged. The proud modern people are still aping the uncivilised nacked forefathers and however hating their culture as well. While living in Melbourne, I found similar pstchological disorder amongst my Australian neighbour too. Growth of education and acquaring of newer modern knowledge of the rule of nature failed to flash out the superstition from the minds of the people. And so my NASA scientist daughter-in-law still believes in a god and while sending of the space shuttle a week ago, the NASA scientista begged god’s blessing!
    It is very difficult to free the minds of the infected mass due to the fact that 1)the children by constant preaching and exibition of religious ideas are infected with supersition parmanently.Sheer LIES become HOLY TRUTHS when told again and again into the ears of common people. 2. Most of the parents, teachers, executives, judges, leaders who are expected to uphold the truth are so corrupted that they think the lies as true. Even socalled progressive Left leaders preach Marxism decorating holy sandalwood paste on their forehead. Honourable Minister like Subrato Mukherjee , Chief Minister, Prime Minister, Judges of Courts, Principals of Colleges tremble in fear of gods, ghosts and witches. Such god fearing, witchfearing people are honoured by the society. They are treated as good people. Young people are taught to respect gods and ghosts and to follow these ideal superstitious people. The politician,teachers and administration who are supposed to eradicate superstition, in fact cultivate supersition, nurish those so that they can harvest their filthy fruits to be used to further their self interest.
    So only the fools expect that such cowards, who are themselves god terrored will eradicate superstition from the minds of people. A thief cannot be entrusted with the duties of ending theft.So not depending on the administration, free people, I mean people free from slavery of gods and ghosts should take such responsibilities.
    Hence I propose 1) to hurt every religious sentiments with every possible force 2) as polio vaccination programme, to introduce rationalism in early school curricula so that young children are immuned before affecting the disease of superstitious mind. 2) to press the Govewrnment to engage different Rationalist, Secular and Humanist Associations to propagate against all sorts of superstition 3) spreading roumor in respect of gods, ghosts,witches and uttering all sorts lies should made cognizable crime under CRPC and CPC 4)to delete blasphemy law and all laws relating hurting superstitious sentiments 5)and as done to tobacco traders, a law should be enacted compelling story tellers, writers and publishers of ghost stories, religious fictions commonly known as holy books, purans panchalis etc. to make mandatory declaration informing those as imaginary ones and not facts. Before telling and publishing stories of Nal Rakkhos, Tarhoka Rakkhashi, Surponokha, Hirhimba etc. even narrated by grandpas or grandmas to their grandchildren at bed time must make this statutory declaration.
    I request the readers, contrbuters, critics of this Facebook to suggest wiser suggession to the effect those may generate in their minds.
    At the end, I request all my rationalist comrades not to wait for education of the mass, not to rely on the god and witch terrorised executives,leaders, and educated uneducated people and not to be satisfied with occassional worming up by with the aid of hot articles in the Facebook or making a hotter idle comment as I am doing now, but to gather all their energy to attack aggressively against the crime of witch hunting and end it altogether to make a proud civilised world. May the witches and their fathers curse us.
    Asokdas Charbak
    July 17, 2011
    Over the sky on the way to Los Angeloss,
    U.S.A.

  7. biplab das 18 July 2011 at 11:32 PM #

    এমনি এমনি কোনো ডাইনি ঘোষনা হয় না, প্রতিটির প্রেক্ষাপট থাকে। বিধবা-অসহায় মহিলার সম্পত্তি গ্রাস, পারিবারিক শত্রুতা, পাড়ার পুরোন ঝামেলা এগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি কারন থাকতে পারে। সাধারণত মার্চ মাস থেকে জুন-জুলাই পর্যন্ত আদিবাসী প্রবন এলাকাগুলোতে ডাইনি সন্দেহে অত্যাচারের ঘটনা দেখা যায় বেশি, ডাইনি প্রথা বিরোধীতায় যারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন তারা এমন ধারনা পোষন করে থাকেন। যেহেতু এই সময়টাতে জমিতে চাষের কাজ থাকেনা তাই জমি মালিক আদিবাসী অথবা ভাগচাষী কিংবা জনমজুর কারোরই হাতে নগদ পয়সা থাকেনা। ফলে ডাইনি রূপে সন্দেহভাজন অসহায় মানুষদের কাছ থেকে জোর করে পয়সা আদায়ের একটা লক্ষ্য থাকেই যেখান থেকে অনেকের হাঁড়িয়া খাওয়া বা অন্যান্য ফুর্তি করার পয়সা আমদানি হয়। যারা অত্যাচার করে তারা সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। গ্রামের কোনো একটা বিপদ হল, কিংবা মড়কে গবাদি পশু মারা যাচ্ছে, কিংবা অজানা কোনো একটা রোগে কারোর মৃত্যু হল তখন দু-এক জন স্বার্থান্বেষী লোক তাদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে এসব বিপদের জন্য কাউকে দায়ী করে তাকে ডাইনি বলে রটনা শুরু করে। শিক্ষাবঞ্চিত-কুসংস্কারযুক্ত গ্রামবাসীরা রটনাকে সত্যি বলে মনে করে। রটনা মারাত্মক অবস্থা ধারন করলে একঘরে করা হতে পারে, গ্রামছাড়া করা হতে পারে, মারাত্মক ভাবে মারধোর এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হয়। অনেক সময় অত্যাচারিত লোকটি “আমি ডাইন নই” বলে প্রতিবাদ করে উঠলে তাকে নিজের নির্দোষীতার প্রমান স্বরূপ গ্রামের একগাদা লোককে খরচ করে দুরের কোনো ওঝার কাছে নিয়ে যেতে হয়। সেই ওঝার মোটা দঃক্ষিনাও বহন করতে হয়। মজার ব্যাপার হচ্ছে ওঝা গোনাগুনির পর ঐ লোকটিকেই গ্রামের যাবতীয় সমস্যার জন্য দায়ী করে ডাইনি বলে ঘোষনা করে।

  8. biplab das 18 July 2011 at 11:42 PM #

    We ‘ve visited yesterday to solve a witch case in a village ‘MAINA’ near simlapal of BANKURA DISTRICT. There a boy was died some days ago. As the cause of death is unknown to villagers so they think an existance of witch.

  9. biplab das 18 July 2011 at 11:45 PM #

    ভোট বাক্সের কথা ভাবা রাজনৈতিক নেতাদের অঙ্গুলিহেলনে চলা প্রশাসন এরকম ভাবে কি আদৌ আদিবাসী সমাজের উন্নতি করতে পারছে? রাজনৈতিক দলগুলোর গনসংগঠনগুলোও তাদের দাদাদের গলায় গলা মেলায়। কুসংস্কারজনিত অপরাধ স্বীকার না করে সাধারণ অপরাধের তকমা দিলে সত্যিই কি কুসংস্কার কমে যাবে? নাকি জনসচেতনতার পাশাপাশি অপরাধগুলির মুল উস্কানিদাতা যারা মোটা টাকা খেয়ে জলপড়া-তেলপড়ার মাধ্যমে ডাইনি ঘোষনা করে সেই জানগুরু-ওঝাদের দু এক জনকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিলে ডাইনি প্রথা কমবে। যেখানে আমাদের দেশে জানগুরুদের বিরুদ্ধে আইন আছে। গাঁয়ের যে সব মাতব্বরেরা অসহায় মানুষদের ডাইনি অথবা ডাইন বলে তাদের জমি-জমা, ঘর-দোর কেড়ে নেয়, জরিমানার মোটা টাকা ভোগ করে, সেই মাতব্বরদের পথে ঘাটে বুক ফুলিয়ে ঘুরতে দিলে এই অমানবিক প্রথা দূর হবে নাকি এদের শাস্তি দেওয়াটা একান্ত প্রয়োজন? প্রশ্ন করছেন কুসংস্কারের বেড়াজাল ডিঙিয়ে উঠে আসা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর একটা অংশ। তারা বুঝেছেন যে, সতীদাহ থেকে নরবলি কোনো নৃশংস প্রথাই শুধুমাত্র জনসচেতনতার দ্বারা সমাজ থেকে দূর হত না। এর পাশাপাশি প্রশাসনকে কড়া আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে হয়েছে।। কিন্তু প্রশাসনের হর্তা কর্তারা এটা বুঝছেন কই? এবং তাদের পিছনে লুকিয়ে থাকা সব খেলার মূল নায়কেরা? আদিবাসী কুসংস্কার গুলিকে তোল্লাই দিয়ে সাময়িক ভাবে ভোট ভাঁড়ার ভর্তি করা যায় বটে কিন্তু চিরকাল যায় না।

  10. A K Bairagi 19 July 2011 at 8:40 AM #

    থ্যাংকস বিপ্লব, আপনার লেখাটা খুবই ভালো হয়েছে। যতদূর জানি আপনি একজন ‘ডাইনি’ বিশেষজ্ঞ। আদিবাসি অঞ্চলে আপনি এই নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। এর আগে এই বিষয়ে আপনার লেখা পড়েছি ‘আমরা যুক্তিবাদী’ ত্রৈমাসিক পত্রিকায়। তাতে মনে হয়েছে আপনি এই বিষয়ে গভীর ভাবে গবেষণা করেছেন। থ্যাংকস এগেন।

  11. নীল / নীল ধ্রুবতারা 19 July 2011 at 9:59 AM #

    a great ang progressive hard work……thnx biplab da….

  12. Profile photo of Sumitra Padmanabhan
    HUMANISTS ASSN 20 July 2011 at 11:56 AM #

    daini bishoye JUKTIBADI SONKOLONE BIPLAB DAS ER LEKHA SOBAIKE PORTE ANURODH KORCHHI

  13. নীল / নীল ধ্রুবতারা 20 July 2011 at 1:05 PM #

    হ্যা পড়েছি।অনুরধের কারনে আর কয়েক বার পড়ে নেবো।ধন্যবাদ।

  14. Bipu 22 July 2011 at 11:59 AM #

    Thanks SRAI for the post and thanks biplab da to disclose the political reason behind witch killing.

  15. Madhusudan Mahato 3 August 2011 at 3:05 PM #

    Thank to srai,Biplabda and others for good comments. many thank to sakalbela also.


Leave a Reply